রোববার ঢাকা-সিলেট চারলেনের ভিত্তিপ্রস্থর উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী : জানালেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ও সিলেট-১ আসনের এমপি ড. মোমেন (ভিডিও)

প্রকাশিত: ৭:৪৫ অপরাহ্ণ, অক্টোবর ২৩, ২০২১

রোববার ঢাকা-সিলেট চারলেনের ভিত্তিপ্রস্থর উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী : জানালেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ও সিলেট-১ আসনের এমপি ড. মোমেন (ভিডিও)

সিলেট বন্ধু পররাষ্ট্রমন্ত্রী ও সিলেট-১ আসনের এমপি ড. এ.কে আব্দুল মোমেন ভিডিওতে বক্তব্য….

এস:এম:শিবা

অবশেষে দীর্ঘ প্রতিক্ষার অবসান হতে যাচ্ছে রোববার(২৪ অক্টোবর)। এদিন সিলেটবাসীর জন্য সুখবর নিয়ে আসছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। ঢাকা-সিলেট চারলেন মহাসড়কের উন্নয়ন কাজ ও সিলেট-তামাবিল সড়কের ভিত্তিপ্রস্থরের ঢাকা থেকে উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।


বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন সড়ক ও জনপদ বিভাগ (সওজ) সিলেটের প্রধান প্রকৌশলী মো.মোস্তাফিজুর রহমান। তিনি বলেন রোববার (২৪অক্টোবর) সকাল ১০টায় ঢাকা থেকে অনলাইনের মাধ্যমে সড়ক দুটির ভিত্তিপ্রস্থরের উদ্বোধন করেবন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

প্রসঙ্গত : এশীয় উন্নয়ন ব্যাংকের (এডিবি) অর্থায়নেই হচ্ছে ঢাকা-সিলেট মহাসড়ক চারলেনে উন্নীত করার কাজ। দীর্ঘ পাঁচ বছর ঢাকা-সিলেটের ২০৯ দশমিক ৩২ কিলোমিটার সড়ক চারলেনে উন্নীতকরণে উন্নয়ন সহযোগীর সন্ধানে ছিল সরকার।

প্রকল্পের ১৩ হাজার ২৪৪ কোটি ৬৮ লাখ টাকা ঋণ দেবে এডিবি। মোট ব্যয় ১৬ হাজার ৯১৮ কোটি ৫৮ লাখ টাকা। বাকি ৩ হাজার ৬৭৪ কোটি টাকা সরকারিখাত থেকে মেটানো হবে। অনুমোদনের পর বাস্তবায়ন করা হবে ২০২৬ সালের ডিসেম্বর মেয়াদে। এটিসহ জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) সভায় ১৯ হাজার ৮৪৪ কোটি ৫৭ লাখ টাকা ব্যয় সম্বলিত ৯টি প্রকল্প অনুমাদন দেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে সরকারি অর্থায়ন ৬ হাজার ৫৯৯ কোটি ৮৮ লাখ টাকা এবং বৈদেশিক উৎস হতে ঋণ ১৩ হাজার ২৪৪ কোটি ৬৯ লাখ টাকা।

প্রধানমন্ত্রী এবং একনেকের চেয়ারপারসন শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে চলতি বছরের ১৬ ফেব্রুয়ারি গণভবনের সঙ্গে সংযুক্ত হয়ে ভিডিও কনফারেন্সিংয়ের মাধ্যমে শেরে বাংলা নগরস্থ এনইসি সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত একনেক সভায় এ অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।

মূল সড়কের উভয় পাশে ধীরগতির যান চলাচলের জন্য আলাদা সার্ভিস লেন নির্মিত হবে। বাঁক সরলীকরণসহ অধিকমাত্রার ট্রাফিক বিবেচনায় এনে ৮০ কিলোমিটার গতিবেগ নিশ্চিত করা হবে। শিল্প ও বাণিজ্যে গতিশীলতা আনতে এশিয়া হাইওয়ে নেটওয়ার্ক, দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার সাত দেশের জোট ‘বে অব বেঙ্গল ইনিশিয়েটিভ ফর মাল্টি সেক্টরাল টেকনিক্যাল অ্যান্ড ইকোনমিক কো-অপারেশন (বিমসটেক) করিডোর, দক্ষিণ এশীয় আঞ্চলিক সহযোগিতা সংস্থা (সার্ক) করিডোরসহ আঞ্চলিক সড়ক নেটওয়ার্ক সম্প্রসারণে চারলেন গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখবে বলে সংশ্লিষ্টদের অভিমত।

প্রকল্পের আওতায় আলাদা সার্ভিস লেনসহ সড়ক নির্মাণে অতিরিক্ত ৯৮৬ দশমিক ৪৭ একর ভূমি অধিগ্রহণ করা হবে। এজন্য মোট ব্যয় হবে চার হাজার ২৭৫ কোটি টাকা। ভূমি অধিগ্রহণে কাঁচপুর থেকে সিলেট পর্যন্ত ইউটিলিটিও স্থানান্তর করা হবে, নির্মাণ করা হবে ৩২১টি আরসিসি কালভার্ট। কালভার্টগুলোর মোট দৈর্ঘ্য হবে প্রায় এক হাজার ৩৮১ মিটার। ছোট-বড় ৭০টি ব্রিজসহ থাকবে। থাকবে পাঁচটি রেলওয়ে ওভারপাস।

উপ-আঞ্চলিক যোগাযোগ বিশেষ করে ভারত, মিয়ানমার, নেপাল, ভুটান এবং চীনের সঙ্গে যোগাযোগের জন্য ভৌগলিকভাবে বাংলাদেশ কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছে। এসব বিবেচনায় প্রকল্পটি বিশেষভাবে গুরুত্ব দিচ্ছে সরকার। চারলেন বিশিষ্ট মহাসড়কের উভয়পাশে ধীরগতির যান চলাচলের জন্য ৫ দশমিক ৫ মিটার প্রশস্ত করাসহ প্রকল্পের আওতায় ৬৬টি সেতু , ৩০৫টি কালভার্ট, ৭টি ফ্লাইওভার/ওভারপাস, ৬টি রেলওয়ে ওভারপাস থাকবে।

ঢাকা (কাঁচপুর) থেকে সিলেটের মোট দূরত্ব ২২৩ দশমিক ১২৮ কিমি। এর মধ্যে ১১ দশমিক ৫৬ কিলোমিটার ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আশুগঞ্জ থেকে বিশ্বরোড পর্যন্ত। এর উন্নয়ন এলওসির আওতায় বাস্তবায়িত হচ্ছে এবং ২ দশমিক ৩৪ কিলোমিটার দীর্ঘ ভৈরব ব্রিজ বাদ দেওয়া হয়েছে। ফলে প্রস্তাবিত সড়কের মোট দৈর্ঘ্য দাঁড়িয়েছে ২০৯ দশমিক ৩২৮ কিলোমিটার।

অপর দিকে একই দিন একই সময়ে সিলেট-তামাবিল ৪ লেন প্রকল্পের উদ্বোধন করা হবে।

সংবাদ অনুসন্ধান ক্যালেন্ডার

MonTueWedThuFriSatSun

আমাদের ফেইসবুক পেইজ