শনাক্ত ২১৫, মৃত্যু ৪, সুস্থ্য ৭৫; মৌলভীবাজারের যেসব এলাকা ‘রেড জোনে’

প্রকাশিত: ৬:১০ অপরাহ্ণ, জুন ১৬, ২০২০

শনাক্ত ২১৫, মৃত্যু ৪, সুস্থ্য ৭৫; মৌলভীবাজারের যেসব এলাকা ‘রেড জোনে’

স্বপন দেব, মৌলভীবাজার প্রতিনিধি :: মৌলভীবাজারের সিভিল সার্জন কার্যালয় থেকে জানা গেছে কুলাউড়া ও শ্রীমঙ্গল পৌরসভা এবং সদর ইউনিয়নের কিছু অংশ রেড জোনে পড়েছে। কুলাউড়া পৌরসভা এবং পৌর শহর সংলগ্ন কিছু এলাকা রেড জোনে পড়েছে।

শ্রীমঙ্গলের কালিঘাট রোড, শ্যামলী, ক্যাথলিক মিশন রোড, রুপসপুর, সবুজভাগ, মুসলিমবাগ, লালবাগ এবং বিরাইমপুর। কুলাউড়া পৌরসভা এলাকার মাগুরা, মনসুর, বরমচাল ইউনিয়নের নন্দনগর রেড জোনে পড়েছে। জেলার বাকি এলাকাগুলো এখনও ইয়েলো এবং গ্রিনজোনে পড়েছে।

জেলার সির্ভিল সার্জন ডা. তওহীদ আহমদ মঙ্গলবার বলেন, সংক্রমণের হার বিশ্লেষণ করে মৌলভীবাজারের প্রত্যেক উপজেলা ও ইউনিয়নের রেড, গ্রীন ও ইয়েলো জোনে ভাগ করা হয়েছে। সোমবার (১৫ জুন) মন্ত্রণালয়ে সেটা প্রেরণ করা হয়েছে। এটি জেলা প্রশাসক ও পুলিশ সুপারের সাথে সমন্বয় করে জোনের কার্যক্রম বাস্তবায়ন করা হবে।

জানা যায়, রেড জোন চিহ্নিত এলাকায় পুরো লকডাউন করে দেওয়া হবে। এ জোনের কেউ বাইরে যেতে বা বাইরে থেকে কেউ এ জোনের ভেতরে যেতে পারবে না। এ জোনের দোকানপাট, বিপণিবিতান, সরকারি-বেসরকারি কার্যালয় সব বন্ধ থাকবে। এমনকি এ জোনে ঘরে বসে নামাজ আদায় করতে নির্দেশনা দিয়েছে ধর্ম মন্ত্রণালয়।

এ বিষয়ে মৌলভীবাজারের পুলিশ সুপার ফারুক আহমেদ বলেন, সরকারের নির্দেশনা অনুযায়ী আমরা জোন ভিত্তিক ব্যবস্থা গ্রহণ করবো।

সিভিল সার্জন অফিসের সূত্র মতে, এ নিয়ে জেলায় মোট আক্রান্তের সংখ্যা ২১৫ জন, সুস্থ হয়েছে ৭৫ জন, আর সরকারি রেকর্ড মতে মারা গেছেন ৪ জন। জেলায় এখনও ৬ শতাধিক রিপোর্ট অপেক্ষমান রয়েছে।

সিভিল সার্জন ডা. তওহীদ আহমদ বলেন, অন্য জেলার তুলনায় মৌলভীবাজারে আক্রান্তের হার তুলনা মূলক এখনও অনেক কম। যে কারণে জেলার অধিকাংশ এলাকা পড়েছে ইয়েলো ও গ্রীন জোনে। করোন সংক্রমণ ঠেকাতে মানুষকে আরো সচেতন হতেই হবে, এর কোন বিকল্প নাই। আগামী ২ মাস আমাদের জন্য বড় বিপদ হতে পারে। আমাদের ব্যক্তিগত সাবধনতাই পারে এ বিপদ থেকে আমাদেরকে রক্ষা করতে।

এ সংক্রান্ত আরও সংবাদ

সংবাদ অনুসন্ধান ক্যালেন্ডার

আমাদের ফেইসবুক পেইজ