শ্রীমঙ্গলে উকিলের কাছে নিয়ে যাওয়ার কথা বলে গেস্ট হাউসে আটকে রেখে গৃহবধূকে পালাক্রমে ধর্ষণের অভিযোগ

প্রকাশিত: ৮:২০ অপরাহ্ণ, অক্টোবর ১১, ২০২০

শ্রীমঙ্গলে উকিলের কাছে নিয়ে যাওয়ার কথা বলে গেস্ট হাউসে আটকে রেখে গৃহবধূকে পালাক্রমে ধর্ষণের অভিযোগ

স্বপন দেব, নিজস্ব প্রতিবেদক :: মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গলে জেলখানা থেকে স্বামীকে ছাড়িয়ে আনার কথা বলে উকিলের কাছে নিয়ে যাওয়ার পথে গেস্ট হাউজে নিয়ে ২৫ বছরের এক গৃহবধুকে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে। ধর্ষণের শিকার হওয়া ঐ নারী শনিবার শ্রীমঙ্গল থানায় অভিযোগ ায়ের করেন। পরে শ্রীমঙ্গল থানা পুলিশের অভিযানে রোববার(১১ অক্টোবর) সকালে ধর্ষণের অভিযোগে ভুনবীর ইউনিয়নের ওই গ্রামের মৃত ছুরুক আলীর ছেলে ধর্ষক কাজল মিয়া (৩০) ও তার অপর সহযোগী ধর্ষক একই গ্রামের মৃত রহমান মিয়ার ছেলে মতিন মিয়া (২০) কে উপজেলার আমরাইল ছড়া চা বাগান থেকে গ্রেফতার করে শ্রীমঙ্গল থানা পুলিশ। গ্রেফতারের পর তারে মৌলভীবাজার আদালতে সোপর্দ করা হয়।
গত ১৯ সেপ্টেম্বর সকাল ১১টার দিকে শ্রীমঙ্গল শহরের হামিদা গেস্ট হাউজে ঘটনাটি ঘটে। অভিযুক্ত ুই ধর্ষক কাজল মিয়া (৩০), মতিন মিয়া (২০) ও ধর্ষণের শিকার নারী উপজেলার ভুনবীর ইউনিয়নের ওই গ্রামের বাসি›া।
ধর্ষণের শিকার হওয়া নারী (২৫) বলেন, গত সেপ্টেম্বর মাসের ১৯ তারিখ জেল খানায় আমার স্বামীকে দেখাতে আমার প্রতিবেশী কাজল মিয়া ও মতিন মিয়া আমাকে নিয়ে যায়। সেখান থেকে বের হয়ে তারা আমার স্বামীকে ছাড়িয়ে আনার জন্য একজন উকিলের সাথে দেখা করতে বলে। উকিলের সাথে দেখা করে তারা আমার স্বামীকে ছাড়িয়ে আনবে বলে আমাকে জানায়। পরে আমি তাদের সাথে যাই। তারা আমাকে শ্রীমঙ্গল শহরের হামিদা গেস্ট হাউজে নিয়ে একটি রুমে বসায়।
অনেকক্ষন বসার পর তারা ুজনে আমার সাথে থাকা ৫ বছরের শিশুটিকে অন্য কক্ষে নিয়ে গিয়ে একজন একজন করে আমাকে জোড় পূর্বক ধর্ষণ করে। পরে তারা আমাকে গেস্ট হাউজে ফেলে রেখে চলে যায়। আমি সেখান থেকে বাড়ি ফিরে যাই। পরে আমি মৌলভীবাজার সর হাসপাতালে ভর্তি হই সেখানে আমার ডাক্তারি পরিক্ষা হয়। আমি অসুস্থ থাকায় থানায় অভিযোগ করতে পারিনি। তবে মৌলভীবাজার সদর হাসপাতাল থেকে তথ্য পেয়ে শ্রীমঙ্গল থানার এক এস আই আমার সাথে ফোনে কথা বলেছিলেন। আমি গতকাল তাদের নামে থানায় অভিযোগও করি।
শ্রীমঙ্গল থানার পরিদর্শক (তদন্ত) সোহেল রানা বলেন, আমাদের কাছে অভিযোগ করার পর আমরা ্রুত ব্যবস্থা নিয়ে অভিযুক্তরে আজ উপজেলার আমরাইলছড়া থেকে গ্রেফতার করেছি। তাদের আজ রোববার মৌলভীবাজার আদালতের মাধ্যমে জেলাহাজতে পাঠানো হয়েছে। এই বিষয়ে একটি মামলা হয়েছে। আমরা এই বিষয়ে আরো তদন্ত করছি। তদন্ত শেষে আদালত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।

এ সংক্রান্ত আরও সংবাদ

আমাদের ফেইসবুক পেইজ