সাপের কামড়ের শিকার হন বছরে ৬ লাখ মানুষ, মৃত্যু ৬ হাজার

প্রকাশিত: ৯:৪৬ অপরাহ্ণ, জুলাই ৯, ২০২০

সাপের কামড়ের শিকার হন বছরে ৬ লাখ মানুষ, মৃত্যু ৬ হাজার

অনলাইন ডেস্ক :;

দেশে প্রতি বছর আনুমানিক ৬ লাখ মানুষ সাপের কামড়ের শিকার হন এবং মৃত্যুবরণ করেন ৬ হাজার।

গত বছর বন্যার পানিতে মৃত্যুর দ্বিতীয় প্রধান কারণ ছিল সাপের কামড়। এ বছর বন্যায় এখন পর্যন্ত সাপের কামড়ে মারা গেছেন একজন। বিষধর সাপের কামড়ে বেঁচে গেলেও বিভিন্ন ধরনের পঙ্গুত্ব ও মানসিক সমস্যায় ভোগেন অনেকে।

বৃহস্পতিবার সকালে স্বাস্থ্য অধিদফতর আয়োজিত ‘ওরিয়েন্টেশন স্নেক বাইট ম্যানেজমেন্ট’ অনলাইন প্রশিক্ষণ কর্মসূচিতে এসব তথ্য জানানো হয়।

কর্মসূচিতে উপস্থিত ছিলেন- স্বাস্থ্য অধিদফতরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. আবুল কালাম আজাদ, অতিরিক্ত মহাপরিচালক (প্রশাসন) অধ্যাপক ডা. নাসিমা সুলতানা, অতিরিক্ত মহাপরিচালক (পরিকল্পনা ও উন্নয়ন) অধ্যাপক ডা. সানিয়া তাহমিনা ও লাইন ডিরেক্টর নন-কমিউনিকেবল ডিজিজ কন্ট্রোল প্রোগ্রাম ডা. হাবিবুর রহমান।

অধিদফতরের সভাকক্ষে ওই ট্রেনিং প্রোগ্রাম অনুষ্ঠিত হয়। এ সময় অনলাইনে যুক্ত ছিলেন সাবেক মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. এমএ ফয়েজ।

অনলাইন প্রশিক্ষণ কর্মসূচিতে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন ডা. আরিফুল বাশার শিমুল। তিনি জানান, সাপের কামড় একটি অপ্রত্যাশিত দুর্ঘটনা ও একটি জরুরি স্বাস্থ্য সমস্যা। বাংলাদেশের গ্রামগুলোয় প্রায়শই এ দুর্ঘটনা ঘটে। বাংলাদেশের সর্বশেষ পরিসংখ্যান ২০১০ অনুযায়ী, প্রতি বছর আনুমানিক ৬ লাখ মানুষ সাপের কামড়ের শিকার হন এবং ৬ হাজার মানুষ মারা যান। গত বছর বন্যার পানিতে মৃত্যুর দ্বিতীয় প্রধান কারণ ছিল সাপে কাটা। এ বছর এখন পর্যন্ত সাপের কামড়ে একজনের মৃত্যু হয়েছে।

বিষধর সাপ দংশনের পর বেঁচে যাওয়া অনেকে বিভিন্ন ধরনের পঙ্গুত্ব ও মানসিক সমস্যায় ভুগছেন। সাপের কামড় সম্পর্কে মানুষের মধ্যে অবৈজ্ঞানিক ভ্রান্ত ধারণা বিদ্যমান। দেশে বিভিন্ন স্থানে ব্যাপকভাবে সাপে কামড়ানোর ঘটনা ঘটলেও বিজ্ঞানসম্মত চিকিৎসার চর্চা এখনও ব্যাপকভাবে শুরু হয়নি।

বক্তারা বলেন, বাংলাদেশে সাধারণত ৫ ধরনের বিষাক্ত সাপ রয়েছে- গোখরা, কেউটে, চন্দ্রবোড়া, সবুজ সাপ ও সামুদ্রিক সাপ। সাপের কামড়ের চিকিৎসা নীতিমালা-২০১৯ অনুযায়ী এন্টি স্নেকভেনম আনুষঙ্গিক চিকিৎসা, কৃত্রিম শ্বাস-প্রশ্বাসের ব্যবস্থা অনুসরণ করা হয়ে থাকে। স্বাস্থ্য অধিদফতরের নন-কমিউনিকেবল ডিজিজ কন্ট্রোল প্রোগ্রামের পক্ষ থেকে সব সরকারি মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল, জেলা সদর হাসপাতাল ও উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে পর্যাপ্ত পরিমাণ এন্টি স্নেকভেনম ও অন্যান্য ওষুধ সরবরাহ করা হয়।

সংবাদ অনুসন্ধান ক্যালেন্ডার

MonTueWedThuFriSatSun

আমাদের ফেইসবুক পেইজ