সাবেক অর্থমন্ত্রী মুহিতের সুস্থতা কামনায় মসজিদে মসজিদে দোয়া ও মিলাদ মাহফিল

প্রকাশিত: ৭:২০ পূর্বাহ্ণ, জুলাই ৩১, ২০২১

সাবেক অর্থমন্ত্রী মুহিতের সুস্থতা কামনায় মসজিদে মসজিদে দোয়া ও মিলাদ মাহফিল

এডভোকেট আফছর আহমদ

করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত বাংলাদেশ সরকারের সাবেক অর্থমন্ত্রী, বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় উপদেষ্টা মণ্ডলীর সদস্য, বর্ষীয়ান জননেতা আবুল মাল আবদুল মুহিতের রোগমুক্তি কামনায় সিলেট জেলা আওয়ামী লীগের উদ্যোগে বুধবার (২৮জুলাই) বাদ আসর সিলেট জজকোর্ট জামে মসজিদে মিলাদ ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে।

মিলাদ ও দোয়া মাহফিলে উপস্থিত ছিলেন- সিলেট জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এডভোকেট মোঃ নাসির উদ্দিন খান, সহ-সভাপতি এড. নিজাম উদ্দিন, অধ্যক্ষ সুজাত আলী রফিক, এড. শাহ মোঃ মোসাহিদ আলী, যুগ্ম সাধারন সম্পাদক হুমায়ুন ইসলাম কামাল, কবীর উদ্দিন আহমদ, সাংগঠনিক সম্পাদক এড. মাহফুজুর রহমান, সাইফুল আলম রুহেল, কৃষি ও সমবায় বিষয়ক সম্পাদক হাজী ফারুক আহমদ, তথ্য ও গবেষণা সম্পাদক মো: মবশ্বির আলী, ত্রান ও সমাজ কল্যাণ সম্পাদক সৈয়দ এপতার হোসেন পিয়ার, ধর্ম বিষয়ক সম্পাদক হাজী রইছ আলী, শিক্ষা ও মানব সম্পদ বিষয়ক সম্পাদক বুরহান উদ্দিন আহমদ, শ্রম সম্পাদক সাইফুর রহমান খোকন, স্বাস্থ্য ও জনসংখ্যা বিষয়ক সম্পাদক ডা: মোহাম্মদ সাকির আহমদ (শাহীন), উপ-দফতর সম্পাদক মো: মজির উদ্দিন, সিলেট জেলা আওয়ামী লীগের সদস্য মোস্তাকুর রহমান মফুর, হাবিবুর রহমান হাবিব, এড. বদরুল ইসলাম জাহাঙ্গীর, মুক্তিযোদ্ধা সাইফুল আলম, আনহার মিয়া, এড. নুরে আলম সিরাজী, এড. আফসর আহমদ, শাহিদুর রহমান চৌধুরী জাবেদ, দক্ষিণ সুরমা উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এড. শামীম আহমদ, সিলেট জেলা যুব লীগের সাধারণ সম্পাদক শামীম আহমদ।

এছাড়াও মিলাদ ও দোয়া মাহফিলে উপস্থিত ছিলেন সিলেট জেলা আইনজীবী সমিতির সাধারণ সম্পাদক এড. ফজলুল হক সেলিম।

 

মুহিতের রোগমুক্তি কামনায় মহানগর আ’লীগের মিলাদ ও দোয়া

সিলেটের কৃতি সন্তান, গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের সাবেক সফল অর্থমন্ত্রী, আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা মন্ডলীর অন্যতম সদস্য, অর্থনীতিবিদ, কূটনীতিবিদ, বার বার নির্বাচিত সাবেক সংসদ সদস্য ও বর্ষীয়ান রাজনীতিবিদ আবুল মাল আব্দুল মুহিত ও তাঁর সন্তান শাহেদ মুহিত করোনা ভাইরাসে আক্তান্ত হয়েছেন।

তাদের আশু রোগমুক্তি কামনায় সিলেট মহানগর আওয়ামী লীগের উদ্যোগে বুধবার বাদ আছর শাহজালাল (রহঃ) দরগাহ মসজিদে স্বাস্থ্য বিধি মেনে মিলাদ ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়।

মিলাদ ও দোয়া মাহফিল পরিচালনা করেন হাফেজ কবির আহমদ। মিলাদ ও দোয়া মাহফিলে প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা, সাবেক সফল অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আব্দুল মুহিত ও সন্তানের সুস্থতা সহ দেশ, জাতি ও বিশ্বের শান্তি কামনা করা হয়।

সিলেট মহানগর আওয়ামী লীগের সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা মাসুক উদ্দিন আহমদ ও সংগ্রামী সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক মোঃ জাকির হোসেন এর উদ্যোগে মিলাদ ও দোয়া মাহফিলে উপস্থিত ছিলেন দপ্তর সম্পাদক খন্দকার মহসিন কামরান, ধর্ম বিষয়ক সম্পাদক নজমুল ইসলাম এহিয়া, প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক আব্দুর রহমান জামিল, যুব ও ক্রীড়া সম্পাদক সেলিম আহমদ সেলিম, সাংস্কৃতিক সম্পাদক রজত কান্তি গুপ্ত, সাংগঠনিক সম্পাদক এডভোকেট সৈয়দ শামীম আহমদ , উপ-দপ্তর সম্পাদক অমিতাভ চক্রবর্ত্তী রনি, সহ-প্রচার সম্পাদক সোয়েব আহমদ, মহানগর কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্য মোঃ আব্দুল আজিম জুনেল, এডভোকেট মোহাম্মদ জাহিদ সারোয়ার সবুজ, সুদীপ দেব, সাব্বির খান, সাইফুল আলম স্বপন, ওয়াহিদুর রহমান ওয়াহিদ, জামাল আহমদ চৌধুরী, আবুল মহসিন চৌধুরী মাসুদ, জুমাদিন আহমেদ, ৭ নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সায়েক আহমেদ,পররাষ্ট্রমন্ত্রীর ব্যক্তিগত কর্মকর্তা জুয়েল আহমদ, সাবেক অর্থমন্ত্রীর ব্যক্তিগত কর্মকর্তা আবুল হোসেন সহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।

অর্থমন্ত্রী’র সুস্থতা কামনায় শাহ-পরানে দোয়া ও মিলাদ মাহফিল

শুক্রবার বাদ জুম্মা হযরত শাহ-পরান (র) মাজার শরীফে, সিলেট জেলা আওয়ামীলীগের কার্য নির্বাহী সংসদের সদস্য, ৪ নং খাদিমপাড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান এড আফছর আহমেদ এর উদ্যাগে বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের উপদেষ্টা মন্ডলীর অন্যতম সদস্য, সিলেট ১ আসনের সাবেক সাংসদ সদস্য, সাবেক অর্থমন্ত্রী জনাব আবুল মাল আব্দুল মুহিত করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হওয়ায়,উনার দ্রুত সুস্থতা কামনা করে দোয়া ও মিলাদ মাহফিল এর আয়োজন করা হয়।

এতে উপস্থিত ছিলেন, এড আফছর আহমেদ, সিলেট জেলা যুবলীগ নেতা বদরুল ইসলাম, সুহেল আহমেদ, তুহিন আহমদ,হাসান আহমেদ, সুমন আহমেদ, সিলেট মহানগর যুবলীগ নেতা জাহেদ আহমদ,লিমন আহমেদ নজরুল ইসলাম, রুমন আহমদ সদর উপজেলা যুবলীগ নেতা আতিক হাসান ডালিম,স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতা লিটন আহমেদ, জাকির আহমেদ,সদর উপজেলা ছাত্রলীগ নেতা আলা-আমীন আহমেদ,এস কে অথৈ সহ প্রমুখ। এছাড়া প্রতিদিনই সিলেট নগরীর ও সদর উপজেলার প্রতিটি মসজিদে মুহিতের রোগমুক্তি কামনায় মিলাদ ও দোয়া অনুষ্ঠিত হয়।

সিলেটবাসীর আপনজন

সিলেটবাসীর আপনজন ভাষাসৈনিক, মুক্তিযোদ্ধা, অর্থনীতিবিদ, কূটনীতিক ও সাবেক অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত সিএমএইচে ভর্তি । আবুল মাল আবদুল মুহিত ১৯৩৪ সালের ২৫ জানুয়ারি সিলেটের এক সম্ভ্রান্ত মুসলিম পরিবারে তিনি জন্মগ্রহণ করেন।

পাকিস্তান আন্দোলনের অন্যতম নেতা, তৎকালীন সিলেট জেলা মুসলিম লীগের কর্ণধার অ্যাডভোকেট আবু আহমদ আব্দুল হাফিজের দ্বিতীয় পুত্র তিনি। তাঁর মা সৈয়দ শাহার বানু চৌধুরীও রাজনীতিতে সক্রিয় ছিলেন।

মুহিত ছাত্রজীবনে অত্যন্ত মেধাবী ছিলেন। তিনি ১৯৫১ সালে সিলেট এমসি কলেজ থেকে আইএ পরীক্ষায় প্রথম স্থান, ১৯৫৪ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ইংরেজি সাহিত্যে বিএ (অনার্স) পরীক্ষায় প্রথম শ্রেণীতে প্রথম এবং ১৯৫৫ সালে একই বিশ্ববিদ্যালয় থেকে কৃতিত্বের সঙ্গে এমএ পাস করেন। চাকুরিরত অবস্থায় তিনি অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যয়নসহ হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এমপিএ ডিগ্রি লাভ করেন।

১৯৫৬ সালে পাকিস্তান সিভিল সার্ভিস (সিএসপি) এ যোগদানের পর মুহিত তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তান, কেন্দ্রীয় পাকিস্তান এবং পরবর্তীতে বাংলাদেশ সরকারের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পদে দায়িত্ব্ পালন করেন। বাংলাদেশে ১৯৭২ সালে তিনি পরিকল্পনা সচিব এবং ১৯৭৭ সালে অর্থ ও পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের বহিঃসম্পদ বিভাগে সচিব পদে নিযুক্ত হন। তিনি পাকিস্তান পরিকল্পনা কমিশনের চীফ ও উপ-সচিব থাকাকালে পূর্ব ও পশ্চিম পাকিস্তানের মধ্যে বৈষম্যের ওপর ১৯৬৬ সালে একটি প্রতিবেদন প্রণয়ন করেন এবং পাকিস্তান জাতীয় পরিষদে এটিই ছিল এ বিষয়ে প্রথম প্রতিবেদন। ওয়াশিংটন দূতাবাসের তিনি প্রথম কূটনীতিক, যিনি স্বাধীনতা যুদ্ধের সময় ১৯৭১-এর জুন মাসে পাকিস্তানের পক্ষ পরিত্যাগ করে বাংলাদেশের পক্ষে আনুগত্য প্রদর্শন করেন।

অর্থনৈতিক কূটনীতিতে মুহিত সবিশেষ পারদর্শী। বিশ্বব্যাংক ও আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল, ইসলামী উন্নয়ন ব্যাংক ও জাতিসংঘের বিভিন্ন সংস্থায় তিনি পরিচিত ব্যক্তি। ১৯৭২ সালে ১ ফেব্রুয়ারি বাংলাদেশে আসেন মুহিত। আসার আগেই তাঁর অ্যাপয়ন্টমেন্ট হয়েছিল পরিকল্পনা সচিব হিসেবে। মুহিত পরিকল্পনা কমিশনের সচিব ডেজিগনেট হিসেবে কাজ করেন তিনমাস। এই সময় বঙ্গবন্ধু তাঁকে দুটি কাজ দেন। একটি ছিল মহকুমাকে জেলায় উন্নীত করার জন্য পরিকল্পনা এবং অন্যটি ছিল জেলা প্রশাসনের গণতন্ত্রায়ন। বলা হলো যে, মার্চ মাসের মাঝামাঝি মুহিতকে প্রতিবেদন ও সুপারিশ দিতে হবে। তিনি যথাসময়ে দুটি প্রতিবেদনই পেশ করেন। ১৯৭২ সালের স্বাধীনতা দিবসের বিবৃতিতে বঙ্গবন্ধু এই দুটি কার্যক্রম ঘোষণা করেন। কিন্তু তাঁর জীবদ্দশায় সেগুলো বাস্তবায়ন হয়নি। এছাড়া এই সময়ে যেসব বিদেশী মিশন ত্রাণ ও পুনর্বাসন নিয়ে আলোচনায় আসতো তাদের সঙ্গে আলোচনায় মুহিতকে দায়িত্ব দেওয়া হতো।

১৯৭২ সালে এপ্রিলে যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশ মিশনে চলে যান মুহিত। আমেরিকা বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দিলে বাংলাদেশ মিশন হয়ে গেল বাংলাদেশ দূতাবাস। মুহিত সেখানে অর্থনৈতিক মিনিস্টার থাকেন প্রায় দুই বছর। এ সময়ে ১৯৭২ সালে বেশ কিছুদিন তিনি ছিলেন চার্জ দ্য এফেয়ার। ১৯৭২-৭৩ সালে বাংলাদেশ বিশ্বব্যাংকের সদস্য হলে সেপ্টেম্বরে মুহিত হলেন বিশ্বব্যাংকে বাংলাদেশের পক্ষে ভারত বাংলাদেশ শ্রীলঙ্কা গ্রুপের বিকল্প নির্বাহী পরিচালক, যেখানে ভারতের প্রতিনিধি ছিলেন নির্বাহী পরিচালক। ১৯৭৩ সালে ডিসেম্বরে সপরিবারে ঢাকায় ফিরে আসেন। এটি ছিল স্বাধীন বালাদেশে তাঁর প্রথম পদার্পণ। ঢাকায় থাকেন জুন পর্যন্ত।

১৯৭৪ সালে মে মাসে ওয়াশিংটনে ফিরে গিয়েই হুকুম পেলেন যে, তাঁকে ইসলামী মন্ত্রী সম্মেলনে যেতে হবে কুয়ালালামপুর এবং তারপর ঢাকায় যেতে হবে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী জুলফিকার আলী ভুট্টোর ঢাকা ভ্রমণকালে। ভুট্টোর সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক আলোচনায় তাঁকে বাংলাদেশ ডেলিগেশনে অন্তর্ভুক্ত করা হয়। এ সময় তিনি পাকিস্তানের সঙ্গে সম্পদ ভাগাভাগির বিষয়ে প্রতিবেদন ও সুপারিশ প্রণয়নের দায়িত্ব পালন করেন।

১৯৭৪-এর ডিসেম্বর থেকে ১৯৭৭ সালের মে পর্যন্ত মুহিত ছিলেন ম্যানিলায় অবস্থিত এডিবিতে বাংলাদেশ ও ভারতের পক্ষে এক্সিকিউটিভ ডাইরেক্টর। ১৯৭৭ থেকে ৮১ পর্যন্ত বাংলাদেশ সরকারের অর্থ মন্ত্রণালয়ের অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগের সচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন তিনি। ১৯৮২ সালে মার্চ মাসে জেনারেল এরশাদের স্বল্পমেয়াদি নির্দলীয় সরকার গঠনের প্রতিশ্রুতির পরিপ্রেক্ষিতে মুহিত অর্থ ও পরিকল্পনা মন্ত্রীর দায়িত্ব গ্রহণ করেন। ১৩ মে থেকে হন সবেতন মন্ত্রী। মন্ত্রী থাকাকালীন দুটি বাজেট পেশ করেছিলেন। মন্ত্রীত্ব গ্রহণ করার সময় অনেক দ্বিধাবোধ ছিল তার। সামরিক সরকারের একজন হতে আপত্তি ছিল তাঁর।

১৯৮১ সালে চাকরি থেকে স্বেচ্ছায় অবসর নিয়ে তিনি অর্থনীতি ও উন্নয়ন বিশেষজ্ঞ হিসেবে ফোর্ড ফাউন্ডেশন ও ইফাদে কাজ শুরু করেন। ১৯৮২-১৯৮৩ সালে অর্থ ও পরিকল্পনা মন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। অতঃপর তিনি বিশ্বব্যাংক ও জাতিসংঘের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে বিশেষজ্ঞ হিসেবে কাজ করেন। ১৯৮৪ ও ১৯৮৫ সালে তিনি প্রিন্সটন বিশ্ববিদ্যালয়ে ভিজিটিং ফেলো ছিলেন।

লেখক হিসেবে আবুল মাল আবদুল মুহিত সমান পারদর্শী। প্রশাসনিক ও মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক গ্রন্থ ছাড়াও বিভিন্ন বিষয়ে তাঁর ৩৫ টি গ্রন্থ প্রকাশিত হয়েছে। বাংলাদেশ পরিবেশ আন্দোলনে (বাপা) তিনি একজন পথিকৃত এবং প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি ছিলেন।
স্বাধীনতা যুদ্ধে অনন্য ভূমিকা রাখার স্বীকৃতি হিসেবে তাকে ২০১৬ সালে স্বাধীনতা পদকে ভূষিত করে সরকার। স্ত্রী সৈয়দ সাবিয়া মুহিত ডিজাইনার। তাঁদের তিন সন্তানের মধ্যে প্রথম কন্যা সামিনা মুহিত ব্যাংকার ও আর্থিক খাতের বিশেষজ্ঞ, বড় ছেলে সাহেদ মুহিত বাস্তুকলাবিদ এবং কনিষ্ঠ পুত্র সামির মুহিত শিক্ষকতা করেন। বর্তমানে তিনি অবসর জীবন-যাপন করলেও সরকারের নানা কর্মকান্ডে নীরবে সহযোগিতা দিয়ে যাচ্ছেন। পাশাপাশি বই পড়ে এবং লেখালেখি করে সময় কাটাতেন।

মুহিত করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হওয়ায়,উনার দ্রুত সুস্থতা কামনা করে সিলেটবাসী প্রতিদিন মসজিদে মসজিদে দোয়া ও মিলাদ মাহফিল করছেন।

সংবাদ অনুসন্ধান ক্যালেন্ডার

MonTueWedThuFriSatSun

আমাদের ফেইসবুক পেইজ