সাবেক মেয়র কামরানের স্মৃতিচারণ করলেন আ.লীগ নেতা হাবিব

প্রকাশিত: ১১:৫৪ অপরাহ্ণ, জুন ২৩, ২০২০

সাবেক মেয়র কামরানের স্মৃতিচারণ করলেন আ.লীগ নেতা হাবিব

 বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্য ও সিলেটে সিটি করর্পোরেশনের সাবেক মেয়র বদর উদ্দিন আহমদ কামরানের স্মৃতিচারণ করলেন যুক্তরাজ্য আওয়ামীলীগের ত্রাণ ও সমাজকল্যাণ সম্পাদক হাবিবুর রহমান হাবিব। ‘স্মৃতিচারণে হাবিব বলেন মরহুম বদর উদ্দিন আহমদ কামরান শুধু সিসিকে’র সাবেক মেয়র ও সিলেট মহানগর আওয়ামীলীগের সভাপতি, আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী সদস্য ছিলেন না। তিনি ছিলেন সিলেটের মাটি ও মানুষের অকৃত্রিম বন্ধু। সিলেটের ‘সম্প্রতির রাজনীতির’ সেতুবন্ধন ছিলেন প্রিয় কামরান ভাই। বিশাল মনের অধিকারী ও বিশিষ্ট সমাজসেবী কামরান ভাই সব সময় সবাইকে সমান চোখে দেখতেন। এর জন্য তিনি দলমত নির্বিশেষে সর্বস্হরের মানুষের প্রিয় ছিলেন কামরান ভাই। তাকে সবাই মনে প্রানে খুব বেশি ভালবাসতো। বদর উদ্দিন আহমদ কামরান ভাই ব্যক্তিগতভাবে আমাকে খুব স্নেহ করতেন। দেখা হলেই আমাকে অনুপ্রেরণা দিতেন, বলতেন কাজ চালিয়ে যাও একদিন সাফল্য পাবেই। যে কোন প্রয়োজনে বা পরামর্শের জন্য আমি কামরান ভাই’র কাছে গেলে ভালো এবং সঠিক পরামর্শ ও সাহস দিতেন তিনি। ২০১৬ সালে আমার নিজ এলাকায় জাতীয় শোক দিবসে উপলক্ষে একটি সভায় তৎকালীন নৌপরিবহণ মন্ত্রী শাহজাহান খান কে প্রধান অতিথি করেছিলাম আমি এবং তিনি এসেছিলেন। এই সভায় কামরান ভাই যেন না আসেন সেজন্য তাকে অনুরুধ করা হয়েছিল একটি পক্ষ থেকে। কিন্তু কামরান ভাই তাদের কথা না রেখে আমার প্রোগ্রামে চলে আসেন আমকে মন থেকে ভালোবাসেন বলেই। সেদিন কামরান ভাই আসায় অত্যন্ত খুশি হয়েছিলাম আমি। শুধু তাই নয় বিগত সংসদ নির্বাচনের প্রাক্কালে আমি যখন সিলেট -৩ আসনের প্রতিটি উপজেলা ও ইউনিয়ন ও বিভিন্ন এলাকায় কাজ শুরু করি, বিশেষ করে রমজান মাসে যখন প্রত্যেকটি ইউনিয়নে ইফতার মাহফিলের আয়োজন করি, শত ব্যস্ততার মধ্যেও কামরান ভাই আমার একটি ইফতার মাহফিলে প্রধান অতিথি হিসেবে এসেছেন। তাছাড়া আমাদের মাদ্রাসায় কয়েকটি প্রোগ্রামে তিনি আসেন। আমাদের কামালবাজার ইউনিয়ন প্রতিষ্টায় আমাকে সর্বাত্মক সহযোগীতা করেছিলেন এবং ইউনিয়ন উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি উপস্থিত হয়েছিলেন। আমার ব্যক্তিগত পক্ষ থেকে অনেক আয়োজনে কামরান ভাইকে আমার পাশে পেয়েছি। গত বছরের (২০১৯) ঈদুল ফিতরের পরের দিন আমার বাড়িতে চা খাওয়ার দাওয়াত দেই। আমার দাওয়াত ফেলেননী কামরান ভাই, তিনি সাথে করে আমাদের ভাবি আসমা কামরানকে নিয়ে আসেন আমাদের বাড়িতে। এককথায় কোন দিন আমার কোন দাওয়াত তিনি ফিরিয়ে দেন নি। আমি ফোন করলে যদি কোন দিন ব্যস্ততার কারনে ফোন রিসিভ করতে না পারতেন দেখা যেত কিচ্ছুক্ষণ পরেই কল ব্যাক করে বলতেন ‘ভাই হাবিব কিতা খবর’। আজ প্রিয় কামরান ভাই নেই।ভাবতেও কষ্ট লাগে। এরকম একজন নেতা আমাদের জন্য আইডল ছিলেন। উনার কাছ থেকে শিখেছি কিভাবে মানুষ কে আপন করে নিতে হয়, নিয়েছি রাজনৈতিক শিক্ষা। কামরান ভাইয়ের সাথে আছে আরো কত স্মৃতি,কত লিখবো, লিখতে লিখতে শেষ হবার নয় প্রিয় নেতার স্মৃতি। পরিশেষে প্রিয় মরহুম জননেতা বদর উদ্দিন আহমদ কামরান ভাইয়ের রুহের মাহফেরাত কামনা করছি।মহান রাব্বুল আলামিন যেন আমাদের কামরান ভাইকে জান্নাতুল ফেরদৌস দান করেন। -আমিন

সংবাদ অনুসন্ধান ক্যালেন্ডার

আমাদের ফেইসবুক পেইজ