সিলেটে নারীর প্রতি সহিং সতা প্রতিরোধে আন্তর্জাতিক দিবস পালিত

প্রকাশিত: ৩:৩০ অপরাহ্ণ, নভেম্বর ২৫, ২০২২

সিলেটে নারীর প্রতি সহিং সতা প্রতিরোধে আন্তর্জাতিক দিবস পালিত

বিচার বিভাগ কেনারী সহিংস তার মামলা দ্রুত বিচারের ব্যবস্থা করতে হবে


সিলনিউজ বিডি ডেস্ক :: নারীর প্রতি সহিংসতা প্রতিরোধে আন্তর্জাতিক দিবসের কর্মসূচীতে বক্তারা বলেন, নারীর প্রতি সহিংসতা প্রতিরোধে সকল স্তরের মানুষকে এগিয়ে আসতে হবে। নারীর প্রতি সকল সহিংস তার বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তোলতে না পারলে সমাজের অনেক ক্ষতি হবে।

তাই বিচার বিভাগকে স্বাধীন ভাবে কাজ করে নারীর প্রতি সহিংসতার মামলা গুলোর দ্রুত বিচারের ব্যবস্থা করতে হবে। আমরা রাজনৈতিক বিবেচনায় নারীর প্রতি সহিংসতার মামলা গুলো প্রত্যাহারনা করার দাবী জানাচ্ছি। মায়ের ডাক ও হিউম্যান রাইট সডিফেন্ডারর্স নেটওয়ার্ক সিলেটের উদ্যোগে আজ শুক্রবার (২৫.১১.২০২২) সকালে সিলেট প্রেসক্লাবের সামনে মানববন্ধন শেষে বক্তারা এসব কথা বলেন।

মানবাধিকার সংগঠন অধিকার সিলেটের কো-অডিনেটর সাংবাদিক মো.মুহিবুর রহমানের সভাপতিত্বে এতে আলোচনায় অংশ নেন সিলেট জেলা আইনজীবী সমিতির সাবেক সভাপতি এমাদ ঊল্লাহ শহিদুল ইসলাম শাহীন, সিলেট প্রেসক্লাবের সভাপতি ইকবাল সিদ্দিকী, সাবেক সিনিয়র সহ সভাপতি হুমায়ুন রশিদ চৌধুরী, বিশ্বনাথের অলংকারি ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান মো.শামসুজ্জামান, লেখক শিবির সিলেটের সমন্বয়ক বাংকার মিনহাজ আহমদ,এমসি কলেজের ছাত্রী নওরিন মুনতাহা।মায়ের ডাক ও হিউম্যান রাইটস ডিফেন্ডারর্স নেটওয়ার্কের বক্তব্যে পাঠ করেন পুলিশী নির্যাতিত ভিকটিম মো. বদরুল আলম। কমৃসূচীতে অংশ নেন প্রবীন মুরব্বী ও সমাজ সেবী এম এ জলিল, সিনিয়ির সাংবাদিক চৌধুরী দেলওয়ার হোসেন জিলন,এডভোকেট সৈযদ কাওছার আহমদ, ইসলামগ্ঞ্জ ডিগ্রী করে জেরভার প্রাপ্ত অধ্যক্ষ মো.জামাল হোসেন, রাজনীতিবিদ ও শিক্ষানবিশ আইনজীবী মো. ময়নুল হক, রাজনীতিবিদ মো.আশিকুর রহমান (রানা) , মানবাধিকার কর্মী আমিন তাহমিদ, সরকারি আলীয়া মাদ্রাসার কামিলের (এম এ) ছাত্র ও মানবাধিকার কর্মী তারেক আহমদ, বিএনপি নেতা ইলিয়াস আলীর গাড়ীচালক আনসার আলীর স্ত্রী মুক্তা রেগম,বাংলাদেশ শহীদ স্মৃতিপরিষদের সভাপতি আসাদুজ্জামান নুর, ছাত্রদল নেতা তাজুল ইসলাম,তানিমুল ইসলাম,মো.বাবুল আহমদ প্রমুখ।

মায়ের ডাক ও হিউম্যান রাইটস ডিফেন্ডারর্স নেটওয়ার্কের বক্তব্যে বলাহয়, ১৯৬০ সালের ২৫ নভেম্বর ডোমেনিকানরি পাবলিকের তিনজন নারী রাজনৈতিক কর্মীকে সেই দেশের শাসক হত্যা করে। এর প্রতিবাদে ১৯৮১ সাল থেকে ২৫ নভেম্বর আনুষ্ঠানিক ভাবে নারী অধিকার কর্মীরা নারীর প্রতি সহিংসতা প্রতিরোধে এই দিনটি কে আন্তর্জাতিক দিবস হিসেবে পালন করে আসছেন। ২০০০ সালের ৭ ফেব্রুয়ারী জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদ এ দিনটি পালনের জন্য রেজ্যুলেশন গ্রহন করে। আইনের সুষ্ঠু প্রয়োগনা হওয়া, অকার্যকর বিচার ব্যবস্থা, পুলিশ প্রশাসনের দুর্নীতি, সামাজিক মূল্য বোধের অবক্ষয় এবং রাজনৈতিক পৃষ্ঠপোষক তায় অপরাধীরা ক্রমাগত দায় মুক্তি পেয়ে যাওয়ার কারনে বর্তমানে বাংলাদেশে নারীদের প্রতি সহিংসতা ব্যাপক আকার ধারণ করেছে। নারীরা পারিবারিক সহিংসতা, যৌতুক সহিংসতা, এসিড নিক্ষেপ,ধর্ষণ, যৌন হয় রানিসহ বিভিন্ন ধরনের সহিংসতা এবং বৈষম্যের শিকার হচ্ছেন। এছাড়া বাল্য বিবাহের কারণে অনেক মেয়ে শিশুর মানবাধিকার লঙ্ঘিত হচ্ছে। বাংলাদেশে নারীদের প্রতি সহিংস তার পাশা পাশি গুমের শিকার ব্যক্তিদের পরিবারের নারী সদস্যদের নানাভাবে হয় রানি করা হচ্ছে বলে অভিযোগ রয়েছে। অধিকার ও মায়ের ডাক সহিংস তার শিকার নারী ও সাক্ষীর নিরাপত্তার জন্য আইন করে তার বাস্তবায়ন নিশ্চিত করার দাবী জানাচ্ছে।

এ সংক্রান্ত আরও সংবাদ

সংবাদ অনুসন্ধান ক্যালেন্ডার

MonTueWedThuFriSatSun
   1234
567891011
12131415161718
19202122232425
262728293031 
       
28      
       
       
       
1234567
2930     
       

আমাদের ফেইসবুক পেইজ