সিলেটে পাথর কোয়ারি বন্ধ : ১০ লাখ পাথরশ্রমিক ও ব্যবসায়ীরা চরম আর্থিক সংকটে,পাথর কোয়ারি খুলে দেওয়া দাবি জানালেন হাজি শামীম

প্রকাশিত: ৪:২৪ অপরাহ্ণ, জুন ১৩, ২০২১

সিলেটে পাথর কোয়ারি বন্ধ : ১০ লাখ পাথরশ্রমিক ও ব্যবসায়ীরা চরম আর্থিক সংকটে,পাথর কোয়ারি খুলে দেওয়া দাবি জানালেন হাজি শামীম

নিজস্ব প্রতিবেদক

 সিলেটে চোরাচালান প্রতিরোধ আঞ্চলিক টাস্কফোর্স কমিটির ভ্যার্চুয়াল সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। রবিবার (১৩ জুন) সিলেট জেলা প্রসাশকের কার্যালয়ে এ সভাটি অনুষ্ঠিত হয়। উক্ত সভায় কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা চেয়ারম্যান হাজী শামীম আহমদ বলেছেন, সিলেট জেলার ৯টি পাথর কোয়ারি আছে। সব কোয়ারি বন্ধ থাকলেও বিছনাকান্দি পাথর কোয়ারি চালু রয়েছে। এক দেশে দুটি আইন চলছে।

এতে করে প্রায় ১০ লক্ষ মানুষ এই করোনাকালে মহা সংকটে পড়েছে। চোরি-ডাকাতি, চোরাচালান, ছিনতাই বেড়ে গেছে। মানুষ অনাহারে দিনপাত করছে। সরকার কোটি কোটি টাকার রাজস্ব আদায় থেকে বঞ্চিত হচ্ছে।

পাথর কোয়ারি বন্ধ থাকায় সিলেটে সংশ্লিষ্ট পরিবহন সেক্টর সহ সিলেটের অর্থনীতি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। বাহিরের দেশ থেকে পাথর আমদানি করায় দেশের মুদ্রা বিদেশে চলে যাচ্ছে।তাই অতিদ্রুত জনস্বার্থে ভোলাগঞ্জ পাথর কোয়ারি সহ সব পাথর কোয়ারি খুলে দেওয়ার দাবি জানান তিনি।

সিলেটের পাথর কোয়ারি থেকে পাথর উত্তোলনকে অর্থনীতির মূল চালিকা শক্তি আখ্যায়িত করে পাথর কোয়ারি খুলে দেওয়ার দাবি জানিয়ে শামীম আরো বলেছেন, করোনা পরিস্থিতির আগে থেকে পরিবেশ বিপন্ন হওয়ার শঙ্কায় পাথর কোয়ারি বন্ধ রাখা হয়েছে। এতে ১০ লাখ পাথরশ্রমিক ও ব্যবসায়ীরা চরম আর্থিক সংকটে পড়েছেন। মানবিক বিপর্যয়ের সম্মুখীন কয়েক লাখ মানুষ। বিপর্যয় ঠেকাতে পাথর কোয়ারি খুলে দেওয়া ছাড়া আর কোনো বিকল্প নেই।

আমাদের ফেইসবুক পেইজ