সড়ক-মহাসড়কের উপরে কিংবা আশপাশে পশুরহাট বসানো যাবে না : কাদের

প্রকাশিত: ২:৫৪ অপরাহ্ণ, জুলাই ৪, ২০২০

সড়ক-মহাসড়কের উপরে কিংবা আশপাশে পশুরহাট বসানো যাবে না : কাদের

সিল-নিউজ-বিডি ডেস্ক :: করোনাভাইরাস সংক্রমণ পরিস্থিতিতে তৈরি পোশাক শিল্প ও অন্যান্য শিল্পসমূহ ঈদের আগে পর্যায়ক্রমে ছুটি প্রদানে বিজেএমইএ এবং বিকেএমইএ’র প্রতি দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের।

তিনি বলেছেন, ‘ঈদের আগেই শ্রমিকদের বেতন-ভাতা পরিশোধে মালিকগণ বরাবরের মতো এবারও সহমর্মিতার নজির স্থাপন করবেন বলে বিশ্বাস করি। ঈদের আগে পরে ৮ দিন সড়ক-মহাসড়ক সংলগ্ন সিএনজি স্টেশনগুলো ২৪ ঘণ্টা খোলা থাকবে।’

শনিবার (৪ জুলাই) জাতীয় সংসদ ভবন এলাকায় সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রীর সরকারি বাসভবন থেকে দেয়া এক ভিডিও বার্তায় তিনি এ আহ্বান জানান।

ঈদুল আজহার তিনদিন আগে থেকে সড়ক-মহাসড়কে পণ্যবাহী ট্রাক, কাভার্ডভ্যান বন্ধ রাখতে সংশ্লিষ্টদের প্রতি আহ্বান জানিয়ে সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী বলেন, ‘কৃষি, শিল্প ও রফতানিমুখী পণ্য, চিকিৎসা সরঞ্জাম, ত্রাণ, জ্বালানি, ওষুধ, খাদ্যদ্রব্য, পচনশীল পণ্যসহ জরুরি সার্ভিস এর আওতামুক্ত থাকবে।’

ফিটনেসবিহীন যানবাহন চলাচলে বিরত থাকতে সংশ্লিষ্টদের প্রতি আহ্বান জানিয়ে ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘ইতোমধ্যে ফিটনেসবিহীন যানবাহনের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে সংশ্লিষ্টদের নির্দেশনা দেয়া হয়েছে।’

পশুরহাটের অনুমতি প্রদানের ক্ষেত্রে মন্ত্রী আবারও স্মরণ করে দিয়ে বলেন, ‘সড়ক-মহাসড়কের উপরে কিংবা আশপাশে পশুরহাট বসানো যাবে না। প্রয়োজনে এ বছর কমসংখ্যক হাট বসানোর বিষয়টি বিবেচনায় আনতে হবে। এক্ষেত্রে অনলাইনে পশু বেচা-কেনার বিষয়টিও বিকল্প হিসেবে বিবেচনা করা যেতে পারে।’

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন, ‘ধর্মীয় অনুভূতির পাশাপাশি কোরবানির ঈদ কেন্দ্রিক অর্থনীতির সঙ্গে অনেক মানুষের জীবন ও জীবিকা সংযুক্ত, পশুপালন, অ্যানিম্যাল ফার্মিং, পশুর চামড়া রফতানিসহ ঈদ-অর্থনীতি দেশের সার্বিক অর্থনৈতিক প্রবাহে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।’

জীবনের পাশাপাশি অর্থনীতির চাকা সচল রাখতে শেখ হাসিনা সরকারের যে অবস্থান তা এগিয়ে নিতে কঠোর স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলারও আহ্বান জানান তিনি।

ভাড়াটিয়াদের সঙ্গে বাড়িওয়ালাদের অমানবিক আচরণ এবং শিক্ষার্থীরা মেসে থাকছে ভাড়া নিয়ে, তাদের মালপত্র ফেলে দেয়া হচ্ছে এমন অভিযোগ প্রসঙ্গে মন্ত্রী বলেন, ‘সংকটে অনেকের আয় কমেছে, হারিয়েছে চাকরি, আবার কেউ কেউ পরিবার নিয়ে কষ্টে জীবন যাপন করছেন, এমন পরিস্থিতিতে একে অপরের প্রতি সমব্যথী হতে হবে।’

ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘ক্ষুদ্র ও মাঝারি ঋণখাতের অধিকাংশ ঋণগ্রহীতা, প্রান্তিক ও নিম্ন আয়ের জনগোষ্ঠী করোনার আকস্মিক অভিঘাত এ জনগোষ্ঠীর আয় ও জীবনযাপনে ফেলেছে নেতিবাচক প্রভাব, অনেকেই সঞ্চয় ভেঙে চলছে, অন্যদিকে ঋণগ্রহীতাদের অনেকে ঋণের কিস্তি দিতে হিমশিম খাচ্ছে। এমতাবস্থায় তাদের ওপর কিস্তি শোধের বাড়তি চাপ- জীবনযুদ্ধ থেকে তাদের ছিটকে দিতে পারে, ভেঙে দিতে পারে মনোবল।’

শেখ হাসিনা সরকার অর্থনীতির প্রতিটি খাতকে চাঙা রাখতে বাজেটে প্রণোদনাসহ নানামুখী উদ্যোগ নিয়েছে বলে জানান তিনি।

এ সংক্রান্ত আরও সংবাদ

সংবাদ অনুসন্ধান ক্যালেন্ডার

MonTueWedThuFriSatSun

আমাদের ফেইসবুক পেইজ