৩১ বছরে পা রাখলো শাবি

প্রকাশিত: ৫:২৪ অপরাহ্ণ, ফেব্রুয়ারি ১৪, ২০২১

৩১ বছরে পা রাখলো শাবি

শাবি প্রতিনিধি :: আজ পহেলা ফাল্গুন। শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (শাবিপ্রবি) দিবস। ৩০টি বসন্ত পেরিয়ে ৩১তম বসন্তে পা দিয়েছে দেশের প্রথম বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি নির্ভর বিশ্ববিদ্যালয় শাবিপ্রবি।

১৯৯১ সালের ১লা ফাল্গুন (১৩ ফেব্রুয়ারি) মাত্র ৩টি বিভাগ, ১৩ জন শিক্ষক ও ২০৫ জন শিক্ষার্থী নিয়ে যাত্রা শুরু করে বিশ্ববিদ্যালয়টি। বিগত বছরগুলোতে ইংরেজি দিনপঞ্জি অনুযায়ী ১৩ ফেব্রæয়ারি তারিখে ধারাবাহিকভাবে বিশ্ববিদ্যালয় দিবস পালন করা হলেও গত বছর থেকে বাংলা দিনপঞ্জির সাথে মিল রেখে পহেলা ফাল্গুন (১৪ ফেব্রুয়ারি) দিনটিকে বিশ্ববিদ্যালয় দিবস উদযাপন করা হচ্ছে।

প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে রবিবার সকাল ১০টায় প্রশাসনিক ভবনের সামনে জাতীয় পতাকা, বিশ্ববিদ্যালয়ের পতাকা উত্তোলন ও বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানানো হয়। পরে বেলুন উড়িয়ে দিনের কর্মসূচির উদ্বোধন করেন বিশ্ববিদ্যালয় উপাচার্য অধ্যাপক ফরিদ উদ্দিন আহমেদ। এ উপলক্ষে উপাচার্য অধ্যাপক ফরিদ উদ্দিন আহমেদ শিক্ষক-শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা-কর্মচারীসহ সংশ্লিষ্ট সকলকে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন। তিনি বলেন, প্রতিষ্ঠার শুরু থেকেই শিক্ষা ও গবেষণায় অনন্য অবদান রেখে চলছে আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়। বর্তমানে সুশাসন, অবকাঠামো উন্নয়ন, সাংস্কৃতিক কর্মকান্ড, মানবিকতার ক্ষেত্রে দৃশ্যমান উন্নতি সাধন করছে বিশ্ববিদ্যালয়টি।

শাবিপ্রবিই দেশের প্রথম বিশ্ববিদ্যালয় হিসেবে ডিজিটাল পদ্ধতিতে ভর্তি কার্যক্রম ও পুরো ক্যাম্পাসে ওয়াইফাই নেটওয়ার্কসহ আরও বেশ কিছু ক্ষেত্রে সফলতা দেখিয়েছে।

প্রথমবারের মতো বাংলাদেশের পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের সেমিস্টার পদ্ধতি চালু করা, এসএমএসের মাধ্যমে ভর্তি পরীক্ষার জন্য রেজিস্ট্রেশন পদ্ধতি চালু, দেশের প্রথম বাংলা সার্চ ইঞ্জিন পিপিলিকা তৈরি, নিজস্ব ডোমেইনে ই-মেইল চালু, দেশীয় প্রযুক্তির ট্র্যাকিং ডিভাইস তৈরি, দৃষ্টিপ্রতিবন্ধীদের জন্য বাংলা ভাষার প্রথম সফটওয়্যার ‘মঙ্গল দ্বীপ’ উদ্ভাবন, প্রথমবারের মতো দেশে চালকবিহীন বিমান ড্রোন তৈরি, যানবাহন ট্র্যাকিং ডিভাইস উদ্ভাবন, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার সম্পন্ন একুশে বাংলা কি- বোর্ড, প্রথম কথা বলা রোবট (রিবো), হাঁটতে চলতে সক্ষম রোবট ‘লি’ তৈরি, অনলাইনে টান্সক্রিপ্ট উত্তোলনের সুবিধা চালু, ক্যানসার নির্ণয়ের নতুন পদ্ধতি উদ্ভাবন হয় এই বিশ্ববিদ্যালয়টিতে।

বর্তমানে বিশ্ববিদ্যালয়টিতে ৭টি অনুষদের অধীনে ২৮টি বিভাগ ও ২টি ইনস্টিটিউট রয়েছে যেখানে ১০ হাজারের অধিক শিক্ষার্থী অধ্যয়নরত। বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিভুক্ত ১১টি কলেজ রয়েছে। এ ছাড়াও বিশ্ববিদ্যালয়টিতে দুটি প্রশাসনিক ভবন, ছয়টি অ্যাকাডেমিক ভবন, তিনটি ছাত্র হল, দুটি ছাত্রী হল, কেন্দ্রীয় গ্রন্থাগার, ইউনিভার্সিটি ক্লাব, ইউনিভার্সিটি সেন্টারসহ কয়েকটি ভবন রয়েছে।

এ সংক্রান্ত আরও সংবাদ

সংবাদ অনুসন্ধান ক্যালেন্ডার

আমাদের ফেইসবুক পেইজ