৭৫ পরবর্তী মাইনরিটি বান্ধব সরকার হলো শেখ হাসিনার সরকার : কাদের

প্রকাশিত: ২:৪০ অপরাহ্ণ, ডিসেম্বর ১১, ২০১৯

৭৫ পরবর্তী মাইনরিটি বান্ধব সরকার হলো শেখ হাসিনার সরকার : কাদের

সিলনিউজ ডেস্ক :: আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক, সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রী ওবায়দুল কাদের এমপি বলেছেন, ‘বিএনপি মহাসচিব মীর্জা ফখরুলের বক্তব্য শুনে এটাই মনে হয় বানরে সঙ্গীত গায়, শীলা পাথরে ভাসে। আমি হাসব কি কাঁদব ভেবে পাইনা। বিএনপি নাকি মাইনরিটি (সংখ্যালঘু) বান্ধব সরকার ছিল। এটি বললেও কি কেউ বিশ্বাস করে। ২০০১ সালে বিএনপি যখন ক্ষমতায় ছিল তখন যেভাবে মাইনরিটি নির্যাতন, ধর্ষণ ও লুণ্ঠন করেছে তা শুধুমাত্র ৭১-এর বর্বরতার সাথে তুলনীয়। সেই সময় নিষ্ঠুরতা ও বর্বরতায় বিএনপি নতুন রেকর্ড স্থাপন করে। ৭৫ পরবর্তী মাইনরিটি বান্ধব সরকার হলো শেখ হাসিনার সরকার। এই সরকারের আমলে সংখ্যালঘুরা সুখে ও শান্তিতে আছে। কিছু বিচ্ছিন্ন ঘটনা ঘটতেই পারে। সবচেয়ে বড় কথা হলো শেখ হাসিনা মাইনরিটিদের (সংখ্যালঘুদের) সবচেয়ে আপনজন।’

ওবায়দুল কাদের বাঙালির হাজার বছরের শোষণ ও আন্দোলন ইতিহাসের মহানায়কদের স্মরণ করে বলেন, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নেতৃত্বে বাঙালিরা সত্যিকারের স্বাধীনতা পেয়েছিল। কিন্তু বঙ্গবন্ধুকে স্বপরিবারে হত্যার মধ্য দিয়ে আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের মাঝে সৃষ্টি হয়েছিল হতাশা। পরে বঙ্গবন্ধুর রক্তে ভেজা মাটিতে ঐক্যের পতাকা নিয়ে আসেন শেখ হাসিনা।

সেতুমন্ত্রী বলেন, শেখ হাসিনা দূরদর্শী নেতৃত্বের জন্য পলিটিশিয়ানের সীমানা পেরিয়ে গেছেন। তাঁর নেতৃত্বে সারাদেশে চলমান শুদ্ধি অভিযান সফল করব। এখন দরকার ক্লিন ইমেজের পার্টি। আমরা দূষিত রক্ত রাখব না। বিশুদ্ধ রক্ত সঞ্চালনা করব।

বুধবার দুপুরে হবিগঞ্জ জেলা আওয়ামী লীগের ত্রি বার্ষিক সম্মেলনের উদ্বোধনী বক্তৃতায় তিনি একথাগুলো বলেন। হবিগঞ্জের জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সামনে নিমতলায় এর আগে তিনি জাতীয় পতাকা উত্তোলন ,শান্তির প্রতীক পায়রা ও বেলুন উড়িয়ে সম্মেলনের উদ্বোধন করেন। জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি এডভোকেট মো. আবু জাহির এমপির সভাপতিত্বে এবং সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট আব্দুল মজিদ খান এমপির সঞ্চালনায় সম্মেলনে প্রধান বক্তা হিসাবে উপস্থিত ছিলেন আ’লীগের যুগ্মসাধারন সম্পাদক মাহবুবুল আলম হানিফ এমপি। বিশেষ অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন প্রেসিডিয়াম সদস্য নুরুল ইসলাম নাহিদ এমপি, সাংগঠনিক সম্পাদক আহমদ হোসেন, এডভোকেট মিসবা উদ্দিন সিরাজ, কে›ন্দ্রীয় সদস্য আধ্যাপক রফিকুর রহমান, বেসরকারী বিমান চলাচল ও পর্যটন প্রতিমন্ত্রী এডভোকেট মাহবুব আলী এমপি, শাহনেওয়াজ মিলাদ গাজী এমপি, শেখ নেছার আহমেদ এমপি।

সম্মেলনে নেতৃবৃন্দের বক্তৃতার পর ওবায়দুল কাদের প্রধান অতিথির বক্তৃতা করবেন। পরে জেলা পরিষদ অডিটরিয়ামে কাউন্সিল অধিবেশন অনুষ্ঠিত হবে। সেখানে ৮টি পদে ২৯জন প্রার্থী নির্বাচন করবেন বলে মনোনয়ন জমা দিয়েছেন।

প্রসঙ্গত, সর্বশেষ জেলা আওয়ামী লীগের কাউন্সিল ও সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছিল ২০১৩ সালের ১৩ জুন। কাউন্সিলে গোপন ভোটে এডভোকেট মো. আবু জাহির এমপি সভাপতি এবং এডভোকেট মো. আব্দুল মজিদ খান এমপি সাধারন সম্পাদক নির্বাচিত হয়েছিলেন। এর আগে ২০০৩, ১৯৯৭ ও ১৯৯৩ সালেও ভোটের মাধ্যমে কমিটি গঠন করা হয়েছিল।

  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

এ সংক্রান্ত আরও সংবাদ

সর্বশেষ খবর

আমাদের ফেইসবুক পেইজ