প্রকাশিত: ২:২৪ অপরাহ্ণ, অক্টোবর ২৯, ২০১৯

নিজস্ব প্রতিনিধি ঃঃ

শতবর্ষ স্মরণোৎসব’ কমিটি থেকে সিলেট সিটি মেয়র আরিফুল হক চৌধুরীসহ রবীন্দ্র সংস্কৃতি বিরোধীদের অপসারণ দাবিতে সোমবার (২৮ অক্টোবর) নগরীতে বিক্ষোভ মিছিল করা হয়েছে। ‘সংক্ষুব্ধ সচেতন সিলেটবাসী’-এর ব্যানারে বিকেল ৩টায় নগরীর রেজিস্ট্রারি মাঠ থেকে মিছিলটি শুরু হয়।

মিছিল পরবর্তী সমাবেশে যোগ দেয় সম্মিলিত সাংস্কৃতিক জোট, জয়বাংলা সাংস্কৃতিক ঐক্যজোট, জয় বাংলা সাহিত্য ও সংস্কৃতি পরিষদ, সুরমা সাহিত্য পরিষদ, ছড়ামঞ্চ, গীতিকবি ফাউন্ডেশনসহ একাধিক প্রতিনিধিত্বশীল সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক সংগঠন। এতে সাবেক সিটি মেয়র ও মহানগর আওয়ামী লীগের সভাপতি বদরউদ্দিন আহমদ কামরানের ছেলে আরমান আহমদ শিপলুসহ আওয়ামী লীগ ও অঙ্গ সহযোগী সংগঠনের বেশ কয়েকজন নেতাও অংশ নেন।

মিছিল শেষে সিলেট কেন্দ্রীয় শহিদমিনারে অনুষ্ঠিত সমাবেশে সম্মিলিত সাংস্কৃতিক জোটের যুগ্ম সম্পাদক বাদশাহ গাজীর সঞ্চালনায় সভাপতিত্ব করেন, সম্মিলিত সাংস্কৃতিক জোটের সিনিয়র সহ-সভাপতি বাউল শিল্পী বিরহী কালা মিয়া। সভায় বক্তব্য রাখেন, জয়বাংলা সাহিত্য সংস্কৃতি পরিষদের সভাপতি গীতিকবি হরিপদ চন্দ, সম্মিলিত সাংস্কৃতিক জোটের প্রচার সম্পাদক শিল্পী এনএইচ নিজাম, সাংগঠনিক সম্পাদক শিল্পী ডিকে জয়ন্ত, সংস্কৃতি ও সংবাদকর্মী দেবব্রত রায় দিপন, সম্মিলিত সাংস্কৃতিক জোটের সাবেক সাধারণ সম্পাদক এনামুল মুনির প্রমুখ।

সমাবেশ থেকে বক্তারা বলেন, সিলেটে স্মরণকালের একটি বৃহৎ সাংস্কৃতিক মহাযজ্ঞের আয়োজনে সিলেটের সংস্কৃতিকর্মীদের মধ্যে যখন আনন্দ বিরাজ করছিলো, ঠিক সেই মুহূর্তে সিলেটের সর্বজন শ্রদ্ধেয় সাবেক অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিতকে ভুল বুঝিয়ে একটি চক্র বিতর্কিত ব্যক্তিদের স্থান দিয়ে এই বৃহৎ আয়োজনে একটি কমিটি গঠন করে। সেই কমিটিতে বিতর্কিত ব্যক্তিদের বাদ দেয়ার দাবিতে সিলেটের সর্বস্তরের সংস্কৃতিকর্মীদের মধ্যে ক্ষোভের সঞ্চার ঘটে। অবশেষে বিক্ষুব্ধ সংস্কৃতিকর্মীদের আন্দোলনের মুখে জাসাস নেতা আমিনুল ইসলাম লিটন পদত্যাগ করতে বাধ্য হন। কিন্তু দুঃখজনক হলেও সত্য সাবেক মন্ত্রীকে ভুল বুঝিয়ে কমিটিতে থাকা সুবিধাভোগী নেতাদের প্রত্যক্ষ মদদে হত্যা মামলার আসামি এবং রবীন্দ্রসংস্কৃতি বিরোধী আন্দোলনের অনুসারী বিএনপি নেতা আরিফুল হক চৌধুরীকে কমিটি থেকে বাদ দেওয়া হয়নি। এরই অংশ হিসেবে সিলেটের প্রতিনিধিত্বশীল সংস্কৃতিকর্মীদের পক্ষ থেকে এক বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশের ডাক দেওয়া হয়।

সমাবেশে বক্তারা রবীন্দ্র স্মরণোৎসবে দলীয় ব্যক্তিদের আধিক্য নয়, রবীন্দ্র অনুরাগী সংস্কৃতি কর্মীদের যুক্ত করার জন্য পরিষদের আহবায়ক বরাবরে দাবি জানান। সমাবেশ থেকে এই লক্ষ্যে স্মারকলিপিসহ আরও একাধিক কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়

 

  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

সর্বশেষ খবর

আমাদের ফেইসবুক পেইজ