এসআই হাবিবুর রহমানের চমক

প্রকাশিত: ৯:২৭ অপরাহ্ণ, জুলাই ৯, ২০২০

এসআই হাবিবুর রহমানের চমক

ছাতক প্রতিনিধি :: সুনামগঞ্জ ছাতকের চাঞ্চল্যকর রেলওয়ের নিরাপত্তা প্রহরী ফখরুল আলম হত্যা (ক্লু-লেস) মামলার রহস্য উদঘাটন,আসামী গ্রেফতার,মালামাল উদ্ধার করে ছাতক থানা পুলিশ ।

চলতি বছরের গত ২৯জুন রাত ১০টার সময় ছাতক রেলওয়ের নিরাপত্তা প্রহরী ফখরুল আলম প্রতিদিনের ন্যায় রেলওয়ের বিআর গোডাউনের মূল গেইটে তালাবদ্ধ করে গোডাউনের ভিতরে ডিউটিতে নিয়োজিত থাকেন। ভোর ৬টায় ডিউটি শেষে নিজ বাসায় ফেরার কথাছিল তার। কিন্ত কিছু অজ্ঞাত নামা দুষ্কৃতিকারী রাত্রী বেলা গোডাউনের তালা ভেঙ্গে ভিতরে প্রবেশ করে নৈশ প্রহরী ফখরুল আলমকে নির্মম ভাবে হত্যা করে গোডাউন থেকে রেলওয়ের লৌহ জাতীয় বিভিন্ন মালামাল নিয়ে যায়।

পরদিন সকাল বেলা ডিউটি শেষে ফখরুল আলম বাসায় ফেরত না আসায় তার সপ্তম শ্রেনীতে পড়ুয়া ছোট ছেলে বাবার খোঁজে গোডাউনে এসে বাবার রক্তাক্ত লাশ দেখতে পায়। যথারীতি সংবাদ পেয়ে সুনামগঞ্জ জেলার পুলিশ সুপার,অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ক্রাইম,ছাতক সার্কেল এএসপি, ছাতক থানার অফিসার ইনচার্জ সহ ছাতক থানা পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন।

সুনামগঞ্জ জেলার সুযোগ্য পুলিশ সুপার মিজানুর রহমান বিপিএম দিক নির্দেশনায় এই চাঞ্চল্যকর ক্লু-লেস হত্যা মামলার দায়িত্ব পান ছাতক থানার এসআই হাবিবুর রহমান পিপিএম।

তিনি উক্ত হত্যা মামলার রহস্য উদঘাটন সহ ঘটনায় জড়িত আসামীদের গ্রেফতার করার লক্ষে অভিযান শুরু করেন। ছাতক সার্কেল এএসপি বিল্লাল হোসেন এর নেতুত্বে মামলার তদন্তকারী অফিসার এসআই হাবিবুর রহমান পিপিএম ছাতক থানার অফিসার ফোর্সের সহায়তায় চাঞ্চল্যকর হত্যার ঘটনায় জড়িত ডাকাতি ছিনতাই চুরি সহ ৯টি মামলার কুখ্যাত আসামী নুর আলী (৪০) মঙ্গলবার গ্রেফতার করা হয়।

গ্রেফতারকৃত নুর আলী সুনামগঞ্জ জেলার ছাতক থানাধীন জয়নগর গ্রামের মৃত রহমত আলীর ছেলে ।

নুর আলীর স্বীকারোক্তি ও দেওয়া তথ্য মতে সিলেট চাঁদনীঘাট এলাকা হইতে রেলওয়ের মালামাল ক্রয় বিক্রয়সহ হেফাজতে রাখার দায়ে মিল্লাদ হোসেন ও মো. পরান মিয়াকে গ্রেফতার করেন এবং রেলওয়ের চোরাই মালামাল উদ্ধার করেন।

গ্রেফতারকৃত তিনজন আসামী মামলার ঘটনায় জড়িত মর্মে বিজ্ঞ আদালতে সেচ্ছায় স্বীকারোক্তি মূলক জবানবন্দি প্রদান করেন।