“গোয়াইনঘাটে বন্যায় যোগাযোগ ব্যবস্থার বিশাল ক্ষয়ক্ষতি ঠিক নাই কৃষকের মতিগতি”

প্রকাশিত: ৫:১৬ অপরাহ্ণ, আগস্ট ৫, ২০২০

“গোয়াইনঘাটে বন্যায় যোগাযোগ ব্যবস্থার বিশাল ক্ষয়ক্ষতি ঠিক নাই কৃষকের মতিগতি”
সৈয়দ হেলাল আহমদ বাদশা গোয়াইনঘাট:: ভয়ঙ্কর বন্যার পানির কবল থেকে যদিও ফসলি জমি ও বীজ তলা উদ্ধার হয়েছে। প্রখর রৌদ্রের উত্তাপে বীজ তলা শুকিয়ে চাষের অনুপযোগী ও মরুভূমিতে পরিণত হয়েছে। পানির অভাবে এখন বীজতলায় বীজ বপন করা যাচ্ছে না। যাদের একান্ত প্রয়োজন তারা সেচ ও কলস দিয়ে পানি বহন করে বীজতলা সাজিয়ে নিচ্ছেন। এই বছর কোনভাবেই যেন আবহাওয়া মানুষের অনুকুলে আসছে না।
গোটা গোয়াইনঘাট যেন সমুদ্রে পরিনত হয়েছিল। যে দিকে চোখ যেত শুধু পানি আর পানি। দফায় দফায় বন্যায তিন লক্ষাধীক মাানষের নাভিশ্বাস উঠেছিল। করোনা আর বন্যার কারনে বিপর্যস্থ জনজীবন। মধ্যবিত্ত থেকে স্বল্প আায়ের মানুষ আর দিনমজুর পরিবারগুলোর অবস্হা দিন দিন শোচনীয় আকার ধরণ করেছে। সরকারের সহসয়তা অব্যাহত থাকলেও চাহিদার তুলনায় অনেক কম। কর্মহীন অসহায় মানুষের পরিবার পরিজন নিয়ে নিত্যদিনের ব্যায়ভার মেটাতে না পেরে দিশেহারা অবস্থায় রয়েছেন। ২৫ মে থেকে বানের পানিতে ডুবেছিল গোয়াইনঘাট। সেই থেকে বন্যার নাকানি চুবানিতে কাটছে তাদের দিন। ঘরে নেই খাবার, গো মহিষের তীব্র খাদ্য সঙ্কট, তার উপর বিভিন্ন রুগের প্রকূপ, ফসলের মাঠ পানির নীচে, বার বার ডুবছে বসত ভিটা এমন অবস্থায় মানুষ রয়েছেন কিংকর্তব্যবিমুঢ়। ঢলের পানি কমলেও জন দূর্ভোগ কমছে না। বারবার বন্যায় কোন রাস্তারই অস্তিত্ব নেই, আছে শুধু বন্যার হিংস্র তান্ডবের ক্ষতবিক্ষত চিহ্ন। পিরোজপুর, সোনারহাট, রাধানগর,দামারি পার,সাকের পেকেরখাল স্হানের বীভৎস চিত্র খুবই ভয়ানক।
কৃষকদের অবস্হা যেন জীবনমৃত। ফসলশূন্য মাঠ, বীজতলা বিনষ্ট, মরছে হালের বলদ ঘরে নেই খাবার, অনিশ্চিত আগামী ফসল তাদের বুকে শুধু চেপে আছে দীর্ঘ নিঃশ্বাস।
পরিবার পরিজনের চাহিদা মিঠাতে পারছেন না। বন্যা দু’মাস থেকে স্থায়ী রয়েছে গোয়াইনঘাটে। ফসলাদি রাস্থাঘাট ঘরবাড়ি করেছ ক্ষতবিক্ষত। ফসল বীজতলা আর রাস্থঘাটের অপূরনীয় ক্ষতি সাধিত হয়েছে। এখানে প্রতি সপ্তায়ই ঘুরেদাঁড়ায় বন্যা। ধ্বংশযজ্ঞের ক্ষতচিহ্ন এঁখে দেয় সর্বত্র। দূর্গত মানুষের আর্তনাদের হাহাকার বাড়েই চলছে।