জগন্নাথপুরে সাংবাদিকদের দায়িত্ব পালনে বাঁধা

প্রকাশিত: ৬:৪৩ অপরাহ্ণ, মার্চ ২৫, ২০২০

জগন্নাথপুরে সাংবাদিকদের দায়িত্ব পালনে বাঁধা

জগন্নাথপুর প্রতিনিধি :: সুনামগঞ্জের জগন্নাথপুরে মোবাইল কোর্টের অভিযান পরিচালনার সময় পেশাগত দায়িত্ব পালনকালে সাংবাদিকদের বাঁধা প্রদানের খবর পাওয়া গেছে।

মঙ্গলবার (২৪ মার্চ) দুপুরে সুনামগঞ্জের জগন্নাথপুর উপজেলা সদরসহ বিভিন্ন বাজারে করোনা ভাইরাসকে কেন্দ্র করে বাজার ব্যবসায়ীরা পেঁয়াজসহ বিভিন্ন নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম বৃদ্ধির পর উপজেলা প্রশাসনে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালিত হয়।

উপজেলার রানীগঞ্জ বাজারে উপজেলা সহকারী কর্মকর্তা (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের সাথে বাংলা টিভির জগন্নাথপুর প্রতিনিধি গোবিন্দ দেব, দৈনিক শ্যামল সিলেট পত্রিকার জগন্নাথপুর প্রতিনিধি গোলাম সারোয়ার, সাংবাদিক সুজাত আলী ও দুলন মিয়া ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযানের তথ্য সংগ্রহ করছিলেন।

এ সময় রাফি এন্টারপ্রাইজে ৩০ হাজার টাকা, বিমল স্টোরে ৩০ হাজার টাকা ও কলিম স্টোরে ৩০ হাজার টাকা জরিমানা প্রদান করেন। অভিযানে জগন্নাথপুর থানার এসআই দিপংকর সরকার, পাইলগাঁও ও রানীগঞ্জ ইউনিয়নের সহকারী ভূমি কর্মকর্তা নিখিল চন্দ্র পুরকায়স্থ, উপ-সহকারী কর্মকর্তা মো, জহুর আহমদসহ প্রশাসনের অন্যান্য কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

তিনটি দোকান অভিযান পরিচালনা করে মধ্য বাজারের মেসার্স পলাশ ট্রেডার্সে উপজেলা সহকারী কর্মকর্তা (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ইয়াসির আরাফাতের সাথে উপজেলার কর্মরত সাংবাদিকরা প্রবেশ করলে দোকানের মালিক ধনেশ চন্দ্র রায় সাংবাদিকদের ভিতরে প্রবেশে বাঁধা প্রদান করেন। এ সময় এ দোকানে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মালামাল সঠিক মেয়াদ, পরিষ্কার পরিছন্ন ভাবে রাখতে বলেন।

বাজারের ক্রেতারা জানান, বিভিন্ন সময় সরকারী মাল সাধারণ জনতা না পেয়ে রাতের আধারে বিভিন্ন বাজারে বিক্রয় করছেন এ ব্যবসায়ী। সার, বীজ, কীটনাশকসহ বিভিন্ন পণ্য বেশি দামে বিক্রয় করে থাকে। বড় সিন্ডিকেটে থাকায় সাধারণ ক্রেতা ভয়ে কিছু বলতে পারেনা।

বাজারের ব্যবসায়ীরা জানান, আমরা সব সময় ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনায় সময় সাংবাদিকদের প্রশাসনিক কর্মকর্তার সাথে দেখি। আজ এমন কি হল দোকানে প্রবেশ করতে বাঁধা দিচ্ছেন। আসলে ঘটনা কি তলের বিড়াল বাহির হওয়ার সম্ভনা আছে নাকি? তারা অতীতের কর্মকাণ্ড বাহির করে দেখার জন্য প্রশাসনের প্রতি অনুরোধ জানান। এ নিয়ে আলোচনা সমালোচনা ঝড় বইছে।

এ সময় জেলা সহকারী ভূমি কর্মকর্তা ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ইয়াসির আরাফাতকে ভ্রাম্যমাণ আদালতের সাথে সাংবাদিকরা থাকতে পারবে কিনা প্রশ্ন করলে তিনি জানান, অভিযান পরিচালনায় সময় সব সাংবাদিক থাকবে। এটা কারও সমস্যা হওয়ার কথা নয়।

এ সংক্রান্ত আরও সংবাদ

আমাদের ফেইসবুক পেইজ