বাঁচতে হলে দরকার সচেতনতা

প্রকাশিত: ১০:৪৬ অপরাহ্ণ, মার্চ ২৫, ২০২০

বাঁচতে হলে দরকার সচেতনতা

জুনেদ আহমদ :: প্রাণঘাতী করোনাভাইরাস কোডিভ -১৯ থমকে দিয়েছে সিলেটের জনজীবন। শুধু সিলেট বললে ভুল হবে এই ভাইরাসের প্রভাব পড়েছে প্রায় পুরো বিশ্বে। দেশে দেশে সরকার মানুষের জীবন বাঁচাতে ঘরের বাহিরে না যাওয়ার পরামর্শ দিয়েছে । কিছু এলাকায় লক ডাউন,জরুরী আইন ,এমনকি পুলিশ এবং সেনাবাহিনী নামিয়ে জনগনকে ঘরে আবদ্ধ রাখতে বাধ্য করা হচ্ছে। স্কুল কলেজ , কাজ-কর্ম ,ব্যবসা-বানিজ্য বন্ধ এবং স্থবির।

এই সবকিছুর মধ্যে সচেতনতাই হবে নিজে সুরক্ষা রাখার একমাত্র পন্তা। নিজে সচেতন হওয়া অন্যকে সচেতন হতে উৎসাহিত করা হবে আমাদের সকলের কাজ। নিজের পরিবার, এলাকা ও দেশের কথা চিন্তা করে সবাইকে নিজ নিজ অবস্থান থেকে সচেতন হতে হবে। লিফলেট বিতরণ,মাইকিং, গণমাধ্যমকর্মীদের মাধ্যমে সাধারণকে সচেতন করা বা করোনা সম্পর্কে জানানোর আহ্বান জানিয়েছে সরকার।

করোনা ভাইরাস রুখতে সাহায্য করবে মাস্ক। আক্রান্তদের থেকে সংক্রমণ এড়াতে তাই মাস্ক ব্যবহার খুবই প্রয়োজন।

বুধবার (২৫ মার্চ) রাতে সরেজমিনে দেখা গেল সিলেটের দক্ষিণ সুরমা উপজেলার লালাবাজারে কয়েকজন চালকদের ব্যতিক্রমী উদ্যোগ ।তারা মুখে মাস্ক ও হাতে গ্লাভস পরে গাড়ি চালাচ্ছেন।

চালকরা জানান, আমাদের বাড়িতে বসে থাকার সুযোগ নেই। গাড়ির চাকা না ঘুরলে, বাড়িতে চুলা জ্বলে না। পরিবারের সদস্যদের মুখের দিকে তাকিয়ে তাই রাস্তায় বের হতে হয়েছে।আমরা যতটুকু সম্ভব হাতে গ্লাভস ও মুখে মাস্ক পরে গাড়ি চালাচ্ছি যাতে পেটও বাঁচে ভাইরাস থেকে রক্ষা পাওয়া যায়।

উল্লেখ্য, আমাদের সকলের উচিৎ এ সংক্রমণ থেকে বাঁচতে আত্মসচেতন হতে হবে। ভাইরাসটি নতুন হওয়ায় সরাসরি কোনো চিকিৎসা না থাকলেও নিয়মতান্ত্রিকভাবে চললে খুব সহজেই এড়িয়ে যাওয়া সম্ভব হবে এই ভাইরাসকে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা ইতোমধ্যে মানুষকে নিয়মিত হাত ভালোভাবে ধোয়া নিশ্চিত করার পরামর্শ দিয়েছে। হাঁচি-কাশির সময় নাক-মুখ ঢেকে রাখা এবং ঠাণ্ডা ও ফ্লু আক্রান্ত মানুষ থেকে দূরে থাকারও পরামর্শ দিয়েছেন তারা।

 

 

 

এ সংক্রান্ত আরও সংবাদ

আমাদের ফেইসবুক পেইজ