মানুষ ঘরে না থাকলে করোনা নিয়ন্ত্রণ সম্ভব নয়

প্রকাশিত: ১২:২১ পূর্বাহ্ণ, এপ্রিল ৭, ২০২০

মানুষ ঘরে না থাকলে করোনা নিয়ন্ত্রণ সম্ভব নয়

অনলাইন ডেস্ক :; করোনাভাইরাসের বিস্তার রোধে সামাজিক দূরত্ব নিশ্চিত করে সবাইকে ঘরে থাকার আহ্বান জানিয়ে মন্ত্রিসভা বলছে, মানুষ ঘরে না থাকলে করোনা নিয়ন্ত্রণ সম্ভব নয়।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে সোমবার গণভবনের বৈঠকে মন্ত্রিসভা জনগণের প্রতি এই আহ্বান জানায় বলে মন্ত্রিপরিষদ সচিব খন্দকার আনোয়ারুল ইসলাম জানিয়েছেন।

করোনা প্রসঙ্গে পরে সচিবালয়ে সংবাদ সম্মেলনে মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে মন্ত্রিসভা বারবার অনুরোধ জানিয়েছে জনগণের প্রতি, করোনা পরিস্থিতি ইতিমধ্যে আগের থেকে বেড়েছে। সেজন্য সামাজিক দূরত্ব বা কোয়ারেন্টিন বজায় রাখতে মন্ত্রিসভার পক্ষ থেকে অনুরোধ জানানো হয়েছে। অন্যথায় কোনোভাবেই এটাকে নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব হবে না।’

তিনি বলেন, করোনাভাইরাসের সংক্রমণরোধে সামাজিক দূরত্ব বা কোয়ারেন্টিন নিশ্চিত করে ঘরে থাকার আহ্বান জানিয়েছে মন্ত্রিসভা। নইলে করোনা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে সম্ভব হবে না।

আনোয়ারুল ইসলাম বলেন, ‘আমরা দেখছি আজকে থেকে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে আরও একটু সতর্ক এবং স্ট্রিক্ট ভিউতে সবকিছু দেখছে। প্রশাসনকেও নির্দেশ দেয়া হয়েছে আরেকটু স্ট্রিক্ট ভিউতে সোশ্যাল আইসোলেশন বাস্তবায়ন করার জন্য। সেই সঙ্গে ব্যাপক প্রচারণাও চালাবে গ্রাম এলাকায়, যাতে মানুষ আরও বেশি সতর্ক হতে পারে। আমরা নিজেরা যদি নিজেদের রক্ষা না করি তাহলে এটা আমাদের পক্ষে দুরুহ হবে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করা। বিশেষ করে আমাদের চিকিৎসকরা বারবার অনুরোধ জানাচ্ছেন- আমরা চিকিৎসা কার্যক্রম দেয়ার জন্য বাইরে আছি। আপনারা অনুগ্রহ করে ঘরে থাকবেন।’

পহেলা বৈশাখ বাইরের সব অনুষ্ঠান বাতিল করা হয়েছে জানিয়ে তিনি বলেন, ‘যা করবেন ডিজিটালি।’

নামাজের বিষয়টি উল্লেখ করে মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, ‘মুসল্লিদের বিশেষ অনুরোধ জানানো হচ্ছে মসজিদের আঙ্গিনার বাইরে থেকে কেউ এসে নামাজ পড়বেন না। মক্কা-মদিনায়ও দেখবেন যারা মসজিদের ভেতরে কর্মী তাদের নিয়ে তারা জামাত করছেন। মসজিদের আঙ্গিনায় ইমাম আছেন, মুয়াজ্জিন আছেন আশপাশের এক-দুজন আছেন তারা হয়ত আসতে পারেন। যদি আমরা গুরুত্ব না দিই তবে কিন্তু এটা কন্ট্রোল করা যাবে না।’

তিনি আরও বলেন, ‘বিশেষ করে লাইলাতুল বরাতের বিষয়ে ইসলামিক ফাউন্ডেশনও বলে দিয়েছে। মন্ত্রিসভায়ও এটা আলোচনা হয়েছে। এটা সম্পূর্ণ রূপে নফল ও একাকি করার ইবাদত। এটা কোনো জামাত বা দলবদ্ধ ইবাদত নয়। এটা আমাদের সবাইকে খেয়াল রাখতে হবে। বিশেষ করে আমরা সবাই আল্লাহর কাছে ক্ষমা চাইব, যাতে এই করোনা থেকে মুক্ত থাকতে পারি।

আমাদের ফেইসবুক পেইজ