ধর্ষকদের গডফাদার রঞ্জিত, জাহাঙ্গীর, নাজমুল

প্রকাশিত: ৯:২৬ অপরাহ্ণ, সেপ্টেম্বর ২৬, ২০২০

ধর্ষকদের গডফাদার রঞ্জিত, জাহাঙ্গীর, নাজমুল

নিজস্ব প্রতিবেদক :: সিলেট এমসি কলেজের হোস্টেলে ছাত্রলীগের নেতা-কর্মী কর্তৃক বিবাহিত তরুণীকে গণধর্ষণের ঘটনা ঘটেছে। এই ঘটনায় ৯ জনকে আসামী করে মামলা দায়ের করা হয়েছে। শনিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) রাত ৩টার দিকে এসএমপির শাহপরাণ থানায় এ মামলা দায়ের করা হয়। মামলা নং ২১। নির্যাতিত ওই তরুণীর স্বামী মাইদুল ইসলাম বাদী হয়ে ৬ জনের নাম উল্লেখপূর্বক আরও ২/৩ জনকে অজ্ঞাত আসামি করে শাহপরাণ থানায় মামলাটি দায়ের করেছেন। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন শাহপরাণ থানার ওসি আব্দুল কাইয়ুম। মামলার আসামীরা হলো এমসি কলেজ ছাত্রলীগ নেতা সাইফুর, শাহ রনি, অর্জুন, মাহফুজ, রবিউল ও তারেক। ফেইসবুকের বরাতে জানা গেছে তারা সবাই সিলেট জেলা আওয়ামী লীগের সাবেক যুব ও ক্রীড়া বিষয়ক সম্পাদক রণজিৎ সরকারের অনুসারী। গণধর্ষণের ঘটনায় অভিযুক্ত ৬ ছাত্রলীগ নেতার পরিচয় পাওয়া গেছে। তবে দীর্ঘদিন কলেজে কমিটি না থাকায় তাদের কোন পদ-পদবী নেই। কিন্তু কলেজের রাজনীতিতে এসব নেতারা সক্রিয় ছিলেন। এসব নেতা-কর্মীরা মূলত সিলেট জেলা আওয়ামী লীগের সাবেক যুব ও ক্রীড়া বিষয়ক সম্পাদক রণজিৎ সরকারের অনুসারী তাদের মদদদাতা ছিলেন সিলেট জেলা যুবলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক জাহাঙ্গীর আলম ও সিলেট জেলা ছাত্রলীগের সাবেক সদস্য নাজমুল ইসলাম। ফেইসবুকে সম্পৃত্ততা পাওয়া যায় ধর্ষণের দায়ে অভিযুক্ত নেতাকর্মীরা তাদের সাথে রাজনীতি করতেন। একাধিক প্রোগ্রামে নাজমুল ইসলামের সাথে ধর্ষণের দায়ে অভিযুক্ত নেতা-কর্মীদের ছবি রয়েছে। ফেইসবুকে সুশীলদের বক্তব্য ধর্ষণকারীদের সাথে সাথে তাদের গডফাদারদের যদি শাস্তির আওতায় না আনা হয় তাহলে এইসব মদদদাতারা ধরাছোঁয়ার বাইরে চলে যাব। সিলেট মহানগর আওয়ামী লীগের সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা মাসুক উদ্দিন আহমদ বলেন, আমাদের দাবি একটাই আসামিদের গ্রেফতার করা হোক। এ ঘটনায় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কাছে কেউ কোনো তদবির করলে তার বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা নেয়া হোক। পাশাপাশি তিনি আরো বলেন, শুধু ধর্ষকদের নয়। তাদের গডফাদারদেরও বিচারের আওতায় আনা হবে।

আসামীদের সাথে রঞ্জিত, জাহাঙ্গীর ও নাজমুলের ছবি

আসামীদের সাথে রঞ্জিত, জাহাঙ্গীর ও নাজমুলের ছবি

 

 

এ সংক্রান্ত আরও সংবাদ