কোভিড মোকবেলায় ভার্চয়াল সভায় বক্তরা করোনা মোকাবেলায় কমিউনিটিতে সচেতনতা বৃদ্ধির প্রয়োজন

প্রকাশিত: ১২:১২ পূর্বাহ্ণ, অক্টোবর ২৯, ২০২০

কোভিড মোকবেলায় ভার্চয়াল সভায় বক্তরা করোনা মোকাবেলায় কমিউনিটিতে সচেতনতা বৃদ্ধির প্রয়োজন

 সংবাদ বিজ্ঞপ্তি : কোভিড নাইনটিন মোকাবেলায় করনীয় শীর্ষক সেন্টার ফর ব্রিটিশ বাংলাদেশী ও রেডব্রিজ কাউন্সিল যৌথভাবে একটি ভার্চুয়াল সেমিনার করেছে। ২৬ অক্টোবর সোমবার সন্ধ্যায় এই সভায় করোনার দ্বিতীয় ছোবল থেকে এথনিক কমিউনিটি তথা বাংলাদেশী কমিউনিটি কিভাবে রক্ষা পেতে পারে সে বিষয়ে সচেতনতামূলক আলোচনা করা হয়। রেডব্রিজ কাউন্সিলের কাউন্সিলার ও সিএফবিবি‘র সভাপতি ড. জামাল উদ্দিনের সভাপতিত্বে ভার্চুয়াল সভায় করোনা মোকাবেলায় করনীয় কি শীর্ষক মূল বক্তব্য রাখেন রেডব্রিজ কাউন্সিলের হেলথ ও ওয়েলবিয়িং কেবিনেট মেম্বার কাউন্সিলার মার্ক সান্টোস, রেডিব্রিজ কাউন্সিলের করোনা বিশেষজ্ঞ টিম সদস্য লুইস ডিবসডাল, আবি ইমাকাম্বলি, ইকানা ওবিয়ানা। শুরুতে সেন্টার ফর ব্রিটিশ বাংলাদেশী (সিএফবিবি) এর সহ সভাপতি দিলওয়ার হোসাইন খান বক্তব্যে বলেন, কিভাবে সেন্টার ফর ব্রিটিশ বাংলাদেশী কমিউনিটিতে করোনা মোকবেলার বার্তা পৌছে দিতে পারে এবং করোনার দ্বিতীয় ছোবল থেকে রক্ষা পেতে পারে সে বিষয়ে ধারনা দেন। সিএফবিবি মূলত স্থানীয় ও কেন্দ্রীয় সরকার পর্যায়ে লবিংয়ের কাজ করে থাকে। এছাড়া ব্রিটিশ বাংলাদেশী কমিউনিটির কালচারাল ও সামাজিক উন্নয়ন বিষয়ে গবেষনা ও রিসার্চ মূলক কাজ করে থাকে। ভার্চূয়াল মিটিংয়ে রেডব্রিজ কাউন্সিলের বাসিন্দা ও কমিউনিটির শীর্ষ নেতৃবৃন্দরা যোগ দেন। বক্তারা রেডব্রিজ কাউন্সিলের করোনা মোকাবেলায় বিভিন্ন কার্যক্রম যেমন তিনটি করোনা টেষ্ট সেন্টারে কিভাবে যোগাযোগ করতে হয়, সেচ্ছাসেবী কার্যক্রম, বয়স্কদের ও ঝুঁকিপূর্ন মানুষদের সাপোর্টে কাউন্সিল কিভাবে কাজ করছে, শীতের ফ্লু থেকে বাঁচার উপায় সম্পর্কে ধারনা দেয়া হয়। সভায় অংশ নেয়া বাসিন্দারাও টায়ার ২ এবং টায়ার ৩ এর আইন কানুন সম্পর্কে নানা ধরনের প্রশ্ন করেন। তারা জানতে চান কিভাবে সামাজিক মেলামেশা করা যাবে, নামাজ বা খেলাধূলা ইত্যাদির জন্য রেডব্রিজ কাউন্সিলের নিয়ম কানুন। সভার স্পিকাররা বাসিন্দাদের করোনা টায়ার দুই এর নিয়ম কানুন, বিধি নিষেধ সম্পর্কে অবহিত করেন। সামাজিক যোগাযোগ বন্ধ, অন্য বাড়ীতে যাওয়া বন্ধ করতে হবে। তেমনি অন্যকে আপনার বাড়ীতে আসতেও নিষেধ করতে হবে। এমন কি বাড়ীর বাগানেও কারো সাথে যোগাযোগ নিষেধ। কেয়ার হোমে ও যাদের আত্বীয় বা পরিবারের কেউ থাকলে কম যাতায়াত করতে হবে। রাত ১০টার পর রেষ্টুরেন্ট বন্ধ। প্রতি ১৪ দিন পর পর এই নিয়ম পর্যালোচনা করা হবে বলে সভায় জানানো হয়। ব্রিটিশ বাংলাদেশী (সিএফবিবি) এর সাধারন সম্পাদক নবাব উদ্দিনের সমাপনী বক্তব্যের মধ্যে দিয়ে সভার সমাপ্তি ঘোষনা করা হয়।