বিএনপির বিরুদ্ধে কথা বলতে না চাইলেও তারা বাধ্য করে: ওবায়দুল কাদের

প্রকাশিত: ৭:৪৫ অপরাহ্ণ, নভেম্বর ৮, ২০২০

বিএনপির বিরুদ্ধে কথা বলতে না চাইলেও তারা বাধ্য করে: ওবায়দুল কাদের

অনলাইন ডেস্ক :::
আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, বিএনপির বিরুদ্ধে কথা বলতে না চাইলেও তারা বাধ্য করে কথা বলতে। তারা (বিএনপি) কল্পিত, বানানো অভিযোগ করলে দলের (আওয়ামী লীগ) সাধারণ সম্পাদক হিসেবে জবাব তো দিতেই হবে। রাজপথ আর আন্দোলন বিএনপির এখন অজানা।

রোববার রাজধানীর সংসদ ভবন এলাকার সরকারি বাসভবনে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন।

তিনি বলেন, বিএনপির বহুদলীয় গণতন্ত্রের আরেক রূপ ছিল হ্যাঁ-না ভোট। স্বাধীনতার ইতিহাস বিকৃতিই হচ্ছে বিএনপির গণতন্ত্র। রাজপথ আর আন্দোলন বিএনপির এখন অজানা। বিএনপির বহুদলীয় গণতন্ত্র ছিল রাতের বেলায় কারফিউ গণতন্ত্র।

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন, বিএনপি মহাসচিব বলেছেন- তথাকথিত বিপ্লব ও সংহতির মাধ্যমে ৭ নভেম্বর নাকি দেশ দ্বিতীয়বারের মতো স্বাধীন হয়েছিল! তিনি ঠিকই বলেছেন, ৩ থেকে ৭ নভেম্বরের মধ্যে জাতীয় চার নেতাসহ দেশপ্রেমিক মুক্তিযোদ্ধা সেনা কর্মকর্তা ও সিপাহি হত্যার মাধ্যমে একজন জেনারেলের ক্ষমতা দখলের স্বপ্ন বাস্তবায়ন তাদের কাছে দ্বিতীয়বারের মতো স্বাধীনতা মনে হওয়াই স্বাভাবিক। এর আগে একাত্তরের পরাজিত শক্তি পরাজয়ের প্রতিশোধ নিতে ঘটিয়েছিল ৭৫’র ১৫ আগস্টের হত্যাকাণ্ড, সেই দিনকে বিএনপি মনে করেন প্রথমবারের স্বাধীনতা।

তিনি আরও বলেন, ২০০৪ সালের ২১ আগস্ট শেখ হাসিনাকে হত্যা করা সম্ভব হলে বিএনপি নেতারা বলতো তৃতীয়বারের মতো স্বাধীন হয়েছে দেশ। কিন্তু দেশের জনগণ বিশ্বাস করে এবং মনে করে প্রকৃতপক্ষে ৭ নভেম্বর হচ্ছে মুক্তিযোদ্ধা ও গণতন্ত্র হত্যা দিবস।

‘জিয়াউর রহমান বহুদলীয় গণতন্ত্রের প্রবর্তক’- বিএনপি নেতাদের এমন বক্তব্যের জবাবে ওবায়দুল কাদের বলেন, কোন সে গণতন্ত্র? বিএনপির বহুদলীয় গণতন্ত্র ছিল রাতের বেলায় কারফিউ গণতন্ত্র!

খালেদা জিয়ার মামলার বিষয়ে সেতুমন্ত্রী বলেন, তার বিরুদ্ধে আওয়ামী লীগ কোনো মামলা দেয়নি, তার বিরুদ্ধে সব মামলা তত্ত্বাবধায়ক সরকারের করা। বিএনপির গণতন্ত্র উদ্ধার আর বেগম জিয়াকে মুক্ত করার শপথ নেয়া প্রসঙ্গে তিনি বলেন, এরকম শপথ প্রায়শ তারা নেন। তারপর জনগণ আর তাদের দেখে না, কর্মীরা রাজপথে খুঁজে পায় না। তাদের শপথের ওপরই এখন নির্ভরতা, রাজপথ আর আন্দোলন এখন বিএনপির অচেনা।

আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সরকার অসাম্প্রদায়িক চেতনায় বিশ্বাসী, সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের ওপর সাম্প্রদায়িক শক্তির যে কোনো হামলায় সরকার দ্রুত ব্যবস্থা নিয়েছে। অতীতের যে কোনো ঘটনাকেই সরকার প্রশ্রয় দেয়নি।

সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের কোনো কোনো নেতার সরকারের বিরুদ্ধে নিষ্কিয়তার অভিযোগ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, তা সত্যি নয়। আওয়ামী লীগের আমলে হিন্দু সম্প্রদায়ের প্রতিটি পূজা শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন হয়েছে এবং সরকার কখনও নীরব দর্শক হিসেবে থাকেনি।

এ সংক্রান্ত আরও সংবাদ

সংবাদ অনুসন্ধান ক্যালেন্ডার

আমাদের ফেইসবুক পেইজ