দোয়ারাবাজারে প্রশাসনের নাম ভাঙ্গিয়ে যুবলীগ নেতার অবৈধভাবে বালু উত্তোলন!

প্রকাশিত: ৫:৪৬ অপরাহ্ণ, ডিসেম্বর ৪, ২০২০

দোয়ারাবাজারে প্রশাসনের নাম ভাঙ্গিয়ে যুবলীগ নেতার অবৈধভাবে বালু উত্তোলন!

দোয়ারাবাজার প্রতিনিধি :
চলতি বছরে দোয়ারাবাজার উপজেলার সবকটি বালু মহালের ইজারা বন্ধ রয়েছে।ইজারা ছাড়া বালুমহাল থেকে বালু উত্তোলনে প্রশাসনিক নিষেধাজ্ঞা জারি থাকলেও থামছেনা অবৈধভাবে বালু উত্তোলন। এতে একদিকে বালু মহাল এলাকার প্রাকৃতিক পরিবেশ মারাত্মকভাবে হুমকির মুখে পরেছে অন্যদিকে সরকার বঞ্চিত হচ্ছে মোটা অঙ্কের রাজস্ব থেকে। অভিযোগ রয়েছে উপজেলার বাংলাবাজার ইউনিয়নের বাসিন্দা তোফায়েল আহমেদ দীর্ঘদিন ধরে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন করে আসছেন। তিনি ইউনিয়নের রামসার গ্রামের বাসিন্দা তোতা মিয়ার ছেলে। অভিযোগ রয়েছে, নিজেকে যুবলীগ নেতার পরিচয় দিয়ে প্রভাব খাটিয়ে দীর্ঘদিন ধরে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন ও বিক্রি করে আসছেন তিনি।
সরজমিনে গিয়ে রামসার গ্রামে তোফায়েল আহমেদের বাড়ির সামনে ড্রেজার মেশিন লাগিয়ে উত্তোলন ও মজুদ করতে দেখা গেছে। এসময় সাংবাদিকদের উপস্থিতি টের পেয়ে বাড়ি থেকে ছুটে আসেন একই গ্রামের মাহমদ আলীর ছেলে জসিম। সম্পর্কে তিনি তোফায়েলের চাচা বলে পরিচয় দেন। এসময় বালু উত্তোলনের ছবি তুলায় সাংবাদিকদের ওপর ক্ষিপ্ত হন এবং মোবাইল থেকে ছবি ডিলিট করতে অনুরোধ করেন তিনি।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক স্থানীয় বাসিন্দা প্রতিবেদককে জানান, তোফায়েল ও তার চাচা জসীম প্রায় তিনমাস ধরে ড্রেজার লাগিয়ে বালু উত্তোলন করে আসছে। এসব বালু প্রতিদিন রাতে ট্রাকে করে সিলেটে পাচার করা হয়। বালু উত্তোলনে প্রশাসনের নিষেধাজ্ঞা থাকলেও উল্টো প্রশাসনের নাম ব্যবহার করে বানিজ্যিক উদ্দেশ্যে দীর্ঘদিন ধরে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন করে আসছেন তারা। এসবের প্রতিবাদ করলেই হামলা-মামলা এবং প্রশাসন দিয়ে হয়রানি করার ভয়ভীতি দেখানো হয় বলেও অভিযোগ করেছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।

তোফায়েল আহমেদের সাথে মোবাইলে যোগাযোগ করা হলে তিনি তার উপর আনিত অভিযোগ অস্বীকার করেন। এবিষয়ে তিনি পরে কথা বলবেন বলেও জানান।

মোবাইলে যোগাযোগ করা হলে দোয়ারাবাজার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সোনিয়া সুলতানা জানান, তোফায়েল নামের কাউকে চিনিনা। এখনো পর্যন্ত কোনো অভিযোগ পাইনি। বিষয়টি দেখবো।

সংবাদ অনুসন্ধান ক্যালেন্ডার

আমাদের ফেইসবুক পেইজ