রায়হান হত্যা : জামিন চাইলেন কনস্টেবল হারুন

প্রকাশিত: ৩:৫৫ অপরাহ্ণ, জানুয়ারি ১২, ২০২১

রায়হান হত্যা : জামিন চাইলেন কনস্টেবল হারুন

নিজস্ব প্রতিবেদক ::
সিলেটের বন্দরবাজার পুলিশ ফাঁড়িতে নির্যাতনে নিহত যুবক রায়হান হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার কনস্টেবল হারুনুর রশিদের জামিন নামঞ্জুর করেছেন আদালত।

মঙ্গলবার (১২ জানুয়ারি) সকাল ১১ টায় সিলেট মহানগর দায়রা জজ আদালতে তার পক্ষে জামিন আবেদন করেন এডভোকেট মো. খালিদ তৌফিক ইমাম।

এসময় আসামির অনুপস্থিতিতে মো. আব্দুর রহিম’র আদালতে জামিন আবেদন করা হয়।

বিষয়টি  নিশ্চিত করেছেন মহানগর দায়রা জজ আদালতের পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) এডভোকেট নওসাদ আমহদ চৌধুরী।

এর আগে রায়হান হত্যার ঘটনায় কনস্টেবল হারুন রশিদ, প্রধান অভিযুক্ত এসআই আকবর হোসেন ভূঁইয়া, এএসআই আশেক এলাহী ও কনস্টেবল তৌহিদ মিয়াকে গ্রেপ্তার করা হয়। একই সাথে রায়হানের বিরুদ্ধে ছিমতাইর অভিযোগ আনা এক ব্যক্তিকেও গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তারা সকলেই এখন জেল হাজতে আছেন।

প্রসঙ্গত গত ১১ অক্টোবর রাতে রায়হানকে পুলিশ ফাঁড়িতে নির্যাতন করা হয়। পরে ওসমানী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নেওয়ার পর সকাল ৭টা ৫০মিনিটের দিকে তার মৃত্যু হয়।

রায়হান ছিনতাইকালে গণপিটুনিতে মারা গেছেন বলে পুলিশের পক্ষ থেকে দাবি করা হলেও নিহতের পরিবার ও স্বজনদের অভিযোগ ছিল পুলিশ ধরে নিয়ে ফাঁড়িতে নির্যাতন করে তাকে হত্যা করেছে।

এ ঘটনায় নিহতের স্ত্রী বাদী হয়ে কোতোয়ালি থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন। পরিবারের অভিযোগ ও মামলার প্রেক্ষিতে সিলেট মেট্রোপলিটন পুলিশের তদন্ত দল ফাঁড়িতে নির্যাতনে রায়হানের মৃত্যুর সত্যতা পেয়ে জড়িত থাকায় ইনচার্জ আকবরসহ চার পুলিশকে বরখাস্ত ও তিনজনকে প্রত্যাহার করেন।

বরখাস্তকৃত পুলিশ সদস্যরা হলেন- বন্দরবাজার ফাঁড়ির কনস্টেবল হারুনুর রশিদ, তৌহিদ মিয়া ও টিটু চন্দ্র দাস। প্রত্যাহার হওয়া পুলিশ সদস্যরা হলেন- সহকারী উপ-পরিদর্শক (এএসআই) আশেক এলাহী, এএসআই কুতুব আলী ও কনস্টেবল সজিব হোসেন। ঘটনার পর অন্য ছয়জন পুলিশ হেফাজতে থাকলেও আকবর পলাতক ছিলেন।

এরপর গত ১০ নভেম্বর সকালে বরখাস্তকৃত এসআই আকবর হোসেনকে কানাইঘাটের ডোনা সীমান্ত দিয়ে বাংলাদেশিদের হাতে তুলে দেয় ভারতীয় খাসিয়ারা। খবর পেয়ে পোশাকে-সাদা পোশাকে পুলিশ ঘটনাস্থল ডোনা সীমান্ত এলাকা পৌঁছলে জনতা তাকে পুলিশের কাছে সোপর্দ করেন।

এ সংক্রান্ত আরও সংবাদ

সংবাদ অনুসন্ধান ক্যালেন্ডার

আমাদের ফেইসবুক পেইজ