বন ও পরিবেশ মন্ত্রীর সাথে এমপি’র স্বাক্ষাৎ : নিলাম প্রক্রিয়া স্থগিতের দাবী

প্রকাশিত: ১:১৯ পূর্বাহ্ণ, জুলাই ২৯, ২০২০

বন ও পরিবেশ মন্ত্রীর সাথে এমপি’র স্বাক্ষাৎ : নিলাম প্রক্রিয়া স্থগিতের দাবী

জয়নাল আজাদ ::
সিলেটের কানাইঘাট উপজেলার লোভাছড়া পাথর কোয়ারীর বৈধপন্থায় উত্তোলিত পাথরের নিলাম প্রক্রিয়া স্থগিতের দাবী জানিয়েছেন সিলেট-৫ আসনের সংসদ সদস্য আলহাজ্ব হাফিজ আহমদ মজুমদার। এ বিষয়ে সোমবার দুপুরে বন ও পরিবেশ মন্ত্রণালয়ের মাননীয় মন্ত্রী মোঃ শাহাব উদ্দিনের সাথে তিনি স্বাক্ষাত করেছেন। এ সময় উপস্থিত ছিলেন সিলেট জেলা আওয়ামীলীগের সাবেক উপ-প্রচার ও প্রকাশনা বিষয়ক সম্পাদক আলহাজ্ব মস্তাক আহমদ পলাশ। মন্ত্রীর সাথে স্বাক্ষাতকালে আলহাজ্ব হাফিজ আহমদ মজুমদার কানাইঘাটের পাথর ব্যবসায়ীদের নির্ধারিত মেয়াধকালীন সময়ে সম্পুর্ণ বৈধভাবে পাথর উত্তোলন সহ লোভাছড়ার বিভিন্ন দিক তুলে ধরেন। জানা যায় গত ২২জুলাই লোভাছড়া আর্দশ পাথর ব্যবসায়ী সমবায় সমিতি, মুলাগুল পাথর ব্যবসায়ী সমিতি ও খেয়াঘাট পাথর ব্যবসায়ী সমিতি মিলে এমপি’র বরাবরে একটি লিখিত আবেদন করেন। তাদের অাবেদনের প্রেক্ষিতে এমপি হাফিজ আহমদ মজুমদার মাননীয় বন ও পরিবেশ মন্ত্রী বরাবরে জনস্বার্থে নিলাম প্রক্রিয়া স্থগিত করে তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহন করার জন্য একটি ডিও লেটার প্রেরন করেন। উল্লেখ্য লোভাছড়া পাথর কোয়ারীর দুই পাশে মজুদকৃত লক্ষ লক্ষ ঘনফুট পাথরের নিলাম নিয়ে সিলেট পরিবেশ অধিদপ্তর ও জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের উর্ধ্বতন কর্মকর্তারা বার বার নাটকীয় ঘটনার জন্ম দেয়ায় জনমনে নানা প্রশ্ন দেখা দিয়েছে। পূর্বের দুই দফা নিলাম প্রক্রিয়া বাতিল করে কোয়ারী এলাকায় জব্দকৃত ১ কোটি পাথর পুণরায় তৃতীয় দফায় আজ মঙ্গলবার (২৮ জুলাই) নিলামের আহ্বান করেছে পরিবেশ অধিদপ্তর। অপরদিকে গত শুকনো মৌসুমে কোয়ারীর সাবেক ইজারাদার মস্তাক আহমদ পলাশের কাছ থেকে বৈধ রশিদ মূলে পাথর ব্যবসায়ীদের ক্রয়কৃত পাথর পরিবেশ অধিদপ্তর নিলামে তুলায় তা বাতিল করার জন্য বেশ কয়েকজন পাথর ব্যবসায়ী উচ্চ আদালতে রীট পিটিশন মামলা দায়ের করেছেন। জানা যায়, আজ মঙ্গলবার হাইকোর্টের সুপ্রিমকোর্ট ডিভিশনের একটি ব্রাঞ্চে লোভাছড়া কোয়ারীর পাথর ব্যবসায়ী নুরুল আমিন, মুদরিছ আলী, সাবেল আহমদ নামে তিন ব্যক্তি তাদের ক্রয়কৃত পাথর জব্দ করে পরিবেশ অধিদপ্তর নিলাম ডাকায় সেই নিলাম বাতিল করে তাদের বৈধ পাথর বিক্রির সুযোগ করে দেওয়ার জন্য রীট পিটিশন মামলা দায়ের করেন। শুনানীকালে বিজ্ঞ বিচারপতিগণ রীট পিটিশনকারী এ তিন ব্যবসায়ীর পাথর নিলাম প্রক্রিয়া থেকে বাদ দেওয়ার জন্য নির্দেশনা দেন। তবে পাথর ব্যবসায়ীরা বলেছেন ব্যবসায়ীদের রীট পিটিশন মামলার প্রেক্ষিতে নিলাম প্রক্রিয়া ১ মাসের জন্য স্থগিত করেছেন বিজ্ঞ আদালত। এ ব্যাপারে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বারিউল করিম খানের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, আমি শুনেছি উচ্চ আদালতে কয়েকজন ব্যক্তির রীটের প্রেক্ষিতে নিলাম প্রক্রিয়া স্থগিত করা হয়েছে, কিন্তু এ ধরনের কোন আদেশের কপি আমি পাইনি। তবে নিলাম প্রক্রিয়া স্থগিত করা হলেও বর্তমানে কোয়ারী এলাকায় জব্দকৃত পাথর কেউ সরাতে পারবে না সে ধরনের নির্দেশনা রয়েছে উচ্চ আদালতের সিলেটের কানাইঘাট উপজেলার লোভাছড়া পাথর কোয়ারীর বৈধপন্থায় উত্তোলিত পাথরের নিলাম প্রক্রিয়া বাতিলের দাবী জানিয়েছেন সিলেট-৫আসনের সংসদ সদস্য আলহাজ্ব হাফিজ আহমদ মজুমদার। এ বিষয়ে সোমবার দুপুরে বন ও পরিবেশ মন্ত্রণালয়ের মাননীয় মন্ত্রী মোঃ শাহাব উদ্দিনের সাথে তিনি স্বাক্ষাত করেছেন। এ সময় উপস্থিত ছিলেন সিলেট জেলা আওয়ামীলীগের সাবেক উপ-প্রচার ও প্রকাশনা বিষয়ক সম্পাদক আলহাজ্ব মস্তাক আহমদ পলাশ। মন্ত্রীর সাথে স্বাক্ষাতকালে আলহাজ্ব হাফিজ আহমদ মজুমদার কানাইঘাটের পাথর ব্যবসায়ীদের নির্ধারিত মেয়াধকালীন সময়ে সম্পুর্ণ বৈধভাবে পাথর উত্তোলন সহ লোভাছড়ার বিভিন্ন দিক তুলে ধরেন। জানা যায় গত ২২জুলাই লোভাছড়া আর্দশ পাথর ব্যবসায়ী সমবায় সমিতি, মুলাগুল পাথর ব্যবসায়ী সমিতি ও খেয়াঘাট পাথর ব্যবসায়ী সমিতি মিলে এমপি’র বরাবরে একটি লিখিত আবেদন করেন। তাদের অাবেদনের প্রেক্ষিতে এমপি হাফিজ আহমদ মজুমদার মাননীয় বন ও পরিবেশ মন্ত্রী বরাবরে জনস্বার্থে নিলাম প্রক্রিয়া স্থগিত করে তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহন করার জন্য একটি ডিও লেটার প্রেরন করেন। উল্লেখ্য লোভাছড়া পাথর কোয়ারীর দুই পাশে মজুদকৃত লক্ষ লক্ষ ঘনফুট পাথরের নিলাম নিয়ে সিলেট পরিবেশ অধিদপ্তর ও জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের উর্ধ্বতন কর্মকর্তারা বার বার নাটকীয় ঘটনার জন্ম দেয়ায় জনমনে নানা প্রশ্ন দেখা দিয়েছে। পূর্বের দুই দফা নিলাম প্রক্রিয়া বাতিল করে কোয়ারী এলাকায় জব্দকৃত ১ কোটি পাথর পুণরায় তৃতীয় দফায় আজ মঙ্গলবার (২৮ জুলাই) নিলামের আহ্বান করেছে পরিবেশ অধিদপ্তর। অপরদিকে গত শুকনো মৌসুমে কোয়ারীর সাবেক ইজারাদার মস্তাক আহমদ পলাশের কাছ থেকে বৈধ রশিদ মূলে পাথর ব্যবসায়ীদের ক্রয়কৃত পাথর পরিবেশ অধিদপ্তর নিলামে তুলায় তা বাতিল করার জন্য বেশ কয়েকজন পাথর ব্যবসায়ী উচ্চ আদালতে রীট পিটিশন মামলা দায়ের করেছেন। জানা যায়, আজ মঙ্গলবার হাইকোর্টের সুপ্রিমকোর্ট ডিভিশনের একটি ব্রাঞ্চে লোভাছড়া কোয়ারীর পাথর ব্যবসায়ী নুরুল আমিন, মুদরিছ আলী, সাবেল আহমদ নামে তিন ব্যক্তি তাদের ক্রয়কৃত পাথর জব্দ করে পরিবেশ অধিদপ্তর নিলাম ডাকায় সেই নিলাম বাতিল করে তাদের বৈধ পাথর বিক্রির সুযোগ করে দেওয়ার জন্য রীট পিটিশন মামলা দায়ের করেন। শুনানীকালে বিজ্ঞ বিচারপতিগণ রীট পিটিশনকারী এ তিন ব্যবসায়ীর পাথর নিলাম প্রক্রিয়া থেকে বাদ দেওয়ার জন্য নির্দেশনা দেন। তবে পাথর ব্যবসায়ীরা বলেছেন ব্যবসায়ীদের রীট পিটিশন মামলার প্রেক্ষিতে নিলাম প্রক্রিয়া ১ মাসের জন্য স্থগিত করেছেন বিজ্ঞ আদালত। এ ব্যাপারে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বারিউল করিম খানের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, আমি শুনেছি উচ্চ আদালতে কয়েকজন ব্যক্তির রীটের প্রেক্ষিতে নিলাম প্রক্রিয়া স্থগিত করা হয়েছে, কিন্তু এ ধরনের কোন আদেশের কপি আমি পাইনি। তবে নিলাম প্রক্রিয়া স্থগিত করা হলেও বর্তমানে কোয়ারী এলাকায় জব্দকৃত পাথর কেউ সরাতে পারবে না সে ধরনের নির্দেশনা রয়েছে উচ্চ আদালতের শুনেছি।
জানা যায়, লোভাছড়া পাথর কোয়ারীর ইজারার মেয়াদ ১৩এপ্রিল

এ সংক্রান্ত আরও সংবাদ

সংবাদ অনুসন্ধান ক্যালেন্ডার

MonTueWedThuFriSatSun
   1234
26272829   
       
  12345
2728     
       
28      
       
       
       
1234567
2930     
       

আমাদের ফেইসবুক পেইজ