করোনার দ্বিতীয় ঢেউ সামলাতে মিতব্যয়ী হওয়ার পরামর্শ প্রধানমন্ত্রীর

প্রকাশিত: ৪:৫০ অপরাহ্ণ, অক্টোবর ১১, ২০২০

করোনার দ্বিতীয় ঢেউ সামলাতে মিতব্যয়ী হওয়ার পরামর্শ প্রধানমন্ত্রীর

অনলাইন ডেস্ক :::
করোনাভাইরাসের দ্বিতীয় ঢেউ সামলাতে এখন থেকেই সবাইকে মিতব্যয়ী হওয়ার পরামর্শ দিয়ে খাদ্য উৎপাদন অব্যাহত রাখার আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

রোববার গণভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সে সাভার সেনানিবাসে অনুষ্ঠিত সেনাবাহিনীর ১০টি ইউনিট ও সংস্থাকে জাতীয় পতাকা প্রদান অনুষ্ঠানে বক্তৃতায় এ আহ্বান জানান তিনি।

শীতে করোনার প্রাদুর্ভাব বাড়তে পারে এমন আশঙ্কা করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, কোভিড ১৯-এর প্রাদুর্ভাব আবার বাড়লে প্রচুর অর্থের দরকার হবে। তাই অর্থ সাশ্রয়ে বাজেটের অর্থ ব্যয়ে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সর্বোচ্চ মিতব্যয়ী হতে হবে। আমাদের মিতব্যয়ী হতে হবে। ঠিক যেটুকু এখন আমাদের নেহাত প্রয়োজন, তার বেশি কোনো পয়সা খরচ করা চলবে না।

সরকারি অর্থ ব্যয়ের ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্টদের মিতব্যয়ী হওয়ার নির্দেশ দিয়ে সরকারপ্রধান আরও বলেন, করোনাভাইরাস সংকটময় সময়েও মানুষের কল্যাণে আমরা নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছি। এবার ৫ লাখ ৬৮ হাজার কোটি টাকার বাজেট দিয়েছি। যেটি দেয়া খুবই কঠিন ছিল। তবু আমরা দিয়েছি, তার পরও বলেছি যে, অর্থ খরচের ব্যাপারে সবাইকে একটু সচেতন থাকতে হবে। কারণ করোনাভাইরাস যদি আবার ব্যাপকহারে দেখা দেয় তা হলে আমাদের প্রচুর অর্থের প্রয়োজন হবে।
এ প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, করোনা বাড়লে মানুষকে আবার আমাদের সহযোগিতা করতে হবে, চিকিৎসার ব্যবস্থা করতে হবে, ওষুধ কিনতে হবে, হয়তো আরও ডাক্তার-নার্স লাগবে।
দেশে খাদ্য উৎপাদন আরও বাড়ানোর তাগিদ দিয়ে সরকারপ্রধান বলেন, করোনার কারণে বিশ্বব্যাপী একটা খাদ্য মন্দা দেখা দিচ্ছে। অনেক উন্নত দেশও হিমশিম খাচ্ছে। বাংলাদেশে আমরা সঠিক সময়ে যথাযথ পদক্ষেপ নিয়েছিলাম বলেই আজকে সেই সমস্যাটা আমাদের দেখা দিচ্ছে না। কিন্তু ভবিষ্যতের জন্য খাদ্য উৎপাদন বাড়ানোর বিকল্প নেই।
খাদ্য সংকট দূর করতে সরকার বদ্ধপরিকর এমন তথ্য জানিয়ে তিনি বলেন, যেভাবে হোক মানুষের কাছে অর্থ পৌঁছাতে হবে, আর্থিক সচ্ছলতা দিতে হবে এবং অর্থনীতি সচল রাখতে হবে। আমার একটাই লক্ষ্য যেন কোনো মানুষ কষ্টে না থাকে। আর কৃষিতে আমার নির্দেশই ছিল আমাদের প্রচুর পরিমাণে খাদ্য উৎপাদন করতে হবে। যে যেখানে আছে যার যার সামর্থ্য আছে সব উৎপাদন অব্যাহত রাখতে হবে। কোনোমতে খাদ্য সংকট যেন দেখা না দেয়।
‘করোনা চিকিৎসার জন্য আমরা তাৎক্ষণিকভাবে ২ হাজার ডাক্তার নিয়োগ দিয়েছি। ৬ হাজার নার্স নিয়োগ দিয়েছি এবং টেকনিশিয়ান নিয়োগ দিয়েছি। এত দ্রুত সময় এতসংখ্যক লোক নিয়োগ দেয়া একটা কঠিন চ্যালেঞ্জ ছিল। কিন্তু আমরা এটি করেছি, যেন তাদের ট্রেনিং দিয়ে করোনা রোগীদের চিকিৎসা দিতে পারে। সেই ব্যবস্থা আমরা নিয়েছি।’

প্রধানমন্ত্রী বলেন, করোনাভাইরাস যদি আবার ব্যাপকভাবে দেখা দেয়, তা হলে আমাদের প্রচুর অর্থের প্রয়োজন হবে। মানুষকে আবার আমাদের সহযোগিতা করতে হবে, চিকিৎসা করতে হবে, ওষুধ কিনতে হবে হয়তো আরও ডাক্তার-নার্স আমাদের লাগবে। সেদিকে লক্ষ্য রেখেই আমাদের মিতব্যয়ী হতে হবে। ঠিক যেটুকু আমাদের নেহাৎ প্রয়োজন তার বেশি কোনো পয়সা খরচ করা এখন চলবে না। ভবিষ্যতের দিকে লক্ষ্য রেখেই সে ব্যবস্থা নিতে হবে। যদিও আমরা বাজেট ঠিক রেখেছি।

সংবাদ অনুসন্ধান ক্যালেন্ডার

MonTueWedThuFriSatSun
     12
17181920212223
24252627282930
       
22232425262728
2930     
       
  12345
2728     
       
28      
       
       
       
1234567
2930     
       

আমাদের ফেইসবুক পেইজ