বিজিরি হাতে ২৭টি গরু-মহিষ, বিএসএফ’র হাতে ৬ বাংলাদেশি আটক চোরাকারবারীদের ধরা ছোয়ার বাহিরে, আটককের নামে আইওয়াস

প্রকাশিত: ৫:১৭ অপরাহ্ণ, অক্টোবর ১৬, ২০২০

বিজিরি হাতে ২৭টি গরু-মহিষ, বিএসএফ’র হাতে ৬ বাংলাদেশি আটক চোরাকারবারীদের ধরা ছোয়ার বাহিরে, আটককের নামে আইওয়াস

 জৈন্তাপুর সিলেট প্রতিনিধি- সিলেটের জৈন্তাপুর সীমান্তে বিজিবির অভিযানে ২৭টি গরু মহিষ আটক। অপরদিকে লালখাল সীমান্তে হতে বিএসএফ’র হাতে ৬ বাংলাদেশী আটক। অপরদিকে সীমান্তে অতিক্রম করে ভারত হতে গরু আনতে গিয়ে বিএসএফ’র হাতে ২বাংলাদেশী আটক। জৈন্তাপুর সীমান্তের বিভিন্ন পথ দিয়ে প্রতিদিন হাজার হাজার গরু মহিষ বাংলাদেশে প্রবেশ করলেও হাতে গুনা কয়েকটি গরম্ন মহিষ আটক করে বিজিবি’র আইওয়াস দাবী করে সচেতন মহল। বিজিবি ও এলাকাবাসী সূত্রে জানাযায়, ১৫ অক্টোবর বৃহস্পতিবার ভোর রাতে বিজিবি গোপন সংবাদের ভিত্তিত্বে জৈন্তাপুর উপজেলা ঘিলাতৈল ফুলবাড়ী এলাকায় ১২৮৭ নং আর্ন্ত্মজার্তিক পিলার এলাকায় ভোর রাত ৫টায় অভিযান পরিচালনা করে হরিপুর এলাকার চোরাকারবারীদের ১৪টি ভারতীয় মহিষ এবং সকাল ৮টায় অভিযান পরিচালনা করে ভারতীয় ১৩ টি গরম্ন, ৭ বস্ত্মা মটরশুটি আটক করে ১৯ বিজিবির জৈন্তাপুর ক্যাম্পের জোয়ানরা। অপরদিকে গত ১৪ অক্টোবর বুধবার জৈন্তাপুর উপজেলা লালাখাল বড়ঘাট এলাকাদিয়ে অবৈধ ভাবে গরু-মহিষ আনতে গিয়ে কোয়াতরবস্তী এলাকা হতে ২বাংলাদেশীকে আটক করে ভারতের কেলেরিয়া ক্যাম্পের বিএসএফ সদস্যরা। এসময় আরও শতাধিক মানুষ দৌড়ে পালিয়ে আসে বলে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুকরা জানান। আটককৃতরা হল জৈন্তাপুর উপজেলার কামরাঙ্গী দক্ষিণ গ্রামের আব্দুস শুক্কুর এর ছেলে বতাই মিয়া(৩০) এবং গৌরীপ্রকাশ খেড়িগোল গ্রামের তৈয়ব আলীর ছেলে রম্নহুল মিয়া(২৮)। অবৈধ অনুপ্রবেশের দায় ভারতীয় বিএসএফ আটকৃতদের লাটমবাই থানার মাধ্যমে জোয়াই হাজতে প্রেরণ করে বলে তারা জানান। অপরদিকে হরিপুর ইউনিয়নের বালিপাড়া কুমারছটি গ্রামের নাজিম উদ্দিন(৩৫) ৪নং বাংলাবাজারা এলাকার সুজন মিয়া, কদমখাল এলাকার ২জনকে ভারতীয় পুলিশ ও বিএসএফ আটক করে নিয়েছে। এলাকার সচেতন মহল জানান, সীমান্তে এলাকায় দিয়ে প্রতিদিন হাজার হাজার বস্তা মটরসুটি, মটর ডাল ভারতে পাচার করছে চোরাকারবারী দলের সদস্যরা যাহা আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর ধরা ছোয়ার বাহিরে থেকে যায়। এলাকাবাসী আর বলেন মাঝে মধ্যে সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিজিবি হাতে গুনা গরু মহিষ এবং ভারতে পাচার করা কয়েক বস্তা মটরসুটি আটক করে আই ওয়াস করে মাত্র। এদিকে গত ১৩অক্টোবর উপজেলা আইন শৃঙ্খলা বৈঠকে উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান সহ বিভিন্ন ব্যক্তিরা প্রতিবাদ জানান এবং দ্রুত আইনগত ব্যবস্থা গ্রহনের দাবী জানান। কিন্তু বৈঠকের বিজিবি ও পুলিশ উপস্থিতি থাকার পরেও চোরাচালান আরও বেপরোয়া হয়ে উঠেছে। অবৈধ ভাবে সীমান্তে এলাকা দিয়ে জীবনের ঝুকি নিয়ে ভারততে গরু মহিষ ও অন্যান্য সামগ্রী বাংলাদেশে নিয়ে আসছে। তাই উপজেলা নির্বাহী অফিসারের কাছে জোর দাবী জানান চোরাচালান বন্ধে যৌথ টিম গঠন করে সীমান্তে এলাকায় অভিযান পরিচালনা করার দাবী জানান। গরু মহিষ আটপকের বিষয় জৈন্তাপুর ক্যাম্প কমান্ডার রফিক আহমদ স্বীকার করেন। মানুষ আটকের বিষয় তিনি কিছু জানেন না বলে জানান। অপরদিকে লালাখাল বিজিবি ক্যাম্প কমান্ডার ২ জন লোক ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী আটকের বিষয় স্বীকার করেন। অন্য প্রশ্নের জবাব না দিয়ে তিনি বলেন উর্দ্বতন কর্তৃপক্ষর সাথে যোগাযোগ করুন। ডিবির হাওর ক্যাম্প কমান্ডার জানান আমার এলাকায় লোক মুখে শুনা কথা দুইজন নাগরিক ভারতীয় পুলিশ আটক করছে কিন্তু এখান পর্যন্ত এলাকার কেউ আমাদের কিছু জানায়নি। এছাড়া মিনাটিলা বিজিবি ক্যাম্প ও শ্রীপুর ক্যাম্পের সাথে যোগাযোগ করা হলে তাদের সীমান্তে এলাকায় এরকম কোন লোক ভারতে বিএসএফ কিংবা পুলিশের হাতে আটকের কোন সংবাদ পাওয়া যায়নি বলে জানান।

এ সংক্রান্ত আরও সংবাদ

সংবাদ অনুসন্ধান ক্যালেন্ডার

MonTueWedThuFriSatSun
     12
24252627282930
       
22232425262728
2930     
       
  12345
2728     
       
28      
       
       
       
1234567
2930     
       

আমাদের ফেইসবুক পেইজ