‘ICCTASS’য়ে অংশগ্রহণকারীদের সঙ্গে এমইউ চেয়ারম্যানের তানভীরের সাক্ষাৎ
অনলাইন ডেস্ক
International Conference on Challenges and Trends in Arts and Social Sciences (ICCTASS 2025) সম্মেলন গেল ১১-১২ ডিসেম্বর অনুষ্ঠিত হয়। এই সম্মেলনে মেট্রোপলিটন ইউনিভার্সিটির শিক্ষার্থীরা অংশগ্রহণ এবং গবেষণাপত্র উপস্থাপন করেন।
সম্মেলনে অংশগ্রহণকারী মেট্রোপলিটন ইউনিভার্সিটির শিক্ষার্থীরা বিশ্ববিদ্যালয়ের বোর্ড অব ট্রাস্টিজের চেয়ারম্যান তানভীর রহমান চৌধুরীর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন।
সাক্ষাৎকালে শিক্ষার্থীরা আন্তর্জাতিক সম্মেলনে অংশগ্রহণের অভিজ্ঞতা, গবেষণাপত্র উপস্থাপনার প্রক্রিয়া এবং আন্তর্জাতিক একাডেমিক অঙ্গনে মেট্রোপলিটন ইউনিভার্সিটির প্রতিনিধিত্বের বিভিন্ন দিক তুলে ধরেন। চেয়ারম্যান তানভীর রহমান চৌধুরী শিক্ষার্থীদের এই সাফল্যে সন্তোষ প্রকাশ করেন এবং জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাবমূর্তি উজ্জ্বল করার জন্য তাঁদের অভিনন্দন জানান।
তানভীর চৌধুরী বলেন, “গবেষণাভিত্তিক শিক্ষা ও আন্তর্জাতিক মানের একাডেমিক চর্চাই একটি বিশ্ববিদ্যালয়কে বিশ্বমুখী করে তোলে। মেট্রোপলিটন ইউনিভার্সিটির শিক্ষার্থীরা যে আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে আন্তর্জাতিক সম্মেলনে গবেষণাপত্র উপস্থাপন করেছে, তা অত্যন্ত প্রশংসনীয়।” ভবিষ্যতে গবেষণাকে আরও শক্তিশালী করতে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ সব ধরনের সহযোগিতা অব্যাহত রাখবে বলে জানান তিনি।
উল্লেখ্য, ICCTASS 2025 সম্মেলনে মেট্রোপলিটন ইউনিভার্সিটির শিক্ষার্থীদের মোট ১০টি গবেষণাপত্র গৃহীত এবং সফলভাবে উপস্থাপিত হয়। এর মধ্যে ৪টি গবেষণাপত্র সরাসরি (অন-সাইট) এবং ৬টি গবেষণাপত্র অনলাইন প্ল্যাটফর্মে উপস্থাপিত হয়। সম্মেলনটি আয়োজন করে অ্যামেরিকান ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি (এআইইউবি), যেখানে বাংলাদেশসহ বিভিন্ন দেশের খ্যাতনামা গবেষক, একাডেমিক বিশেষজ্ঞ ও নীতিনির্ধারকেরা অংশ নেন।
শিক্ষার্থীদের এই আন্তর্জাতিক অংশগ্রহণের পেছনে মেট্রোপলিটন ইউনিভার্সিটি রিসার্চ সোসাইটি (এমইউআরএস)-এর গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকার কথাও সাক্ষাৎকালে উল্লেখ করা হয়। চেয়ারম্যান তানভীর রহমান চৌধুরী গবেষণা সোসাইটির কার্যক্রমের প্রশংসা করেন এবং গবেষণামুখী পরিবেশ গড়ে তোলার জন্য সংশ্লিষ্ট সকলকে ধন্যবাদ জানান।
এ সময় তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠাতা ও চেয়ারম্যান ইমেরিটাস ড. তৌফিক রহমান চৌধুরীর দূরদর্শী নেতৃত্বের কথাও স্মরণ করেন, যাঁর পরিকল্পনা ও দিকনির্দেশনায় মেট্রোপলিটন ইউনিভার্সিটি গবেষণা ও উচ্চশিক্ষায় একটি সুসংহত অবস্থান তৈরি করতে সক্ষম হয়েছে।
সৌজন্য সাক্ষাতে শিক্ষার্থীরা জানান, চেয়ারম্যানের উৎসাহব্যঞ্জক বক্তব্য ও দিকনির্দেশনা তাঁদের গবেষণার প্রতি আগ্রহ আরও বাড়িয়ে দিয়েছে। তারা ভবিষ্যতে আন্তর্জাতিক মানের গবেষণায় আরও সক্রিয়ভাবে যুক্ত হওয়ার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।
বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ মনে করে, এই ধরনের সৌজন্য সাক্ষাৎ শিক্ষার্থীদের মধ্যে আত্মবিশ্বাস ও দায়িত্ববোধ তৈরি করে এবং গবেষণাভিত্তিক একাডেমিক সংস্কৃতিকে আরও সুদৃঢ় করে। সংশ্লিষ্টরা আশা প্রকাশ করেন, শিক্ষার্থীদের এই আন্তর্জাতিক সাফল্য ভবিষ্যতে মেট্রোপলিটন ইউনিভার্সিটিকে বৈশ্বিক গবেষণা অঙ্গনে আরও দৃশ্যমান করবে। এই অর্জন কেবল, শিক্ষার্থীদের ব্যক্তিগত সাফল্য নয়, বরং পুরো মেট্রোপলিটন ইউনিভার্সিটি পরিবারের জন্য একটি সম্মিলিত গর্বের প্রতীক।