সিলেটের মনোমুগ্ধকর প্রাকৃতিক সৌন্দর্য, পাহাড়ি পথ ও চা-বাগানের সবুজ পরিবেশকে সঙ্গী করে সিলেট ৭.৫ কিলোমিটার ম্যারাথন ২০২৫-এ সফলভাবে ফিনিশিং লাইন অতিক্রম করে সম্মানজনক ফিনিশিং মেডেল অর্জন করেছেন জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ের ক্রীড়াবিদ মো. আরিফ উদ্দিন ওলি।
শুক্রবার (১৯ ডিসেম্বর) ভোরের আলো ফোটার সঙ্গে সঙ্গে সকাল ৬টা ৩০ মিনিটে সিলেট কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার থেকে শুরু হয় এই ম্যারাথন। সুপ্রিম রানার্স-এর আয়োজনে অনুষ্ঠিত এ প্রতিযোগিতায় দৌড়ের নির্ধারিত রুটটি আম্বরখানা হয়ে লাক্কাতুরা চা-বাগান, মালনীছড়া ও সবুজে ঘেরা চা-বাগান এলাকা অতিক্রম করে ইউ-টার্ন নিয়ে পুনরায় কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে এসে শেষ হয়।
দীর্ঘ পথ, পাহাড়ি ট্র্যাক ও শারীরিক চ্যালেঞ্জের মধ্যেও দৃঢ় মানসিকতা, আত্মবিশ্বাস ও নিয়মিত অনুশীলনের ফল হিসেবে সফলভাবে দৌড় সম্পন্ন করেন মো. আরিফ উদ্দিন ওলি।
ফিনিশিং মেডেল অর্জনের পর প্রতিক্রিয়া জানিয়ে মো. আরিফ উদ্দিন ওলি বলেন, এই ফিনিশিং লাইন কেবল একটি দৌড়ের শেষ নয়, এটি আমার আত্মবিশ্বাস, অধ্যবসায় ও সাহসিকতার প্রতিচ্ছবি। এই পদক শুধু সাফল্যের প্রতীক নয়, বরং প্রতিদিনের পরিশ্রম, আত্মত্যাগ ও নিষ্ঠার জীবন্ত সাক্ষ্য। প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের মাঝে নিজেকে নতুন করে চ্যালেঞ্জ করেছি। শরীর ও মন, দুটোকেই সীমার বাইরে ঠেলে দিয়েছি। কারণ দৌড় শুধু পা দিয়ে নয়, দৌড় ইতিহাস ছুঁয়ে যায়। এই পথচলা এখানেই থেমে থাকবে না— আরও দূর পর্যন্ত যাবে।
মো. আরিফ উদ্দিন ওলি আরও জানান — কেবল ম্যারাথনেই নয়—জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ের বিভিন্ন ক্রীড়া ইভেন্টে একাধিক পদক অর্জনকারী একজন সফল ক্রীড়াবিদ। সিলেট ৭.৫ কিলোমিটার ম্যারাথন ২০২৫ ক্রীড়া জীবনের আরও একটি শক্তিশালী ও গর্বের অধ্যায় হিসেবে যুক্ত হলো। এই অর্জন শুধুমাত্র ব্যক্তিগত সাফল্য নয়, বরং দেশের তরুণ প্রজন্মের জন্য একটি অনুপ্রেরণামূলক বার্তা, স্বপ্ন দেখো, নিয়মিত পরিশ্রম করো এবং নিজের সীমাবদ্ধতাকে জয় করো।
মো. আরিফ উদ্দিন ওলি বিশ্বাস করেন প্রতিটি যোদ্ধার সবচেয়ে বড় শক্তি হলো তার দৃঢ়তা, শারীরিক সক্ষমতা ও মানসিক সাহস। আমি জয় করেছি নিজের সীমাবদ্ধতাকে। এই পথচলা অব্যাহত থাকবে। এই দৌড় প্রমাণ করে, সাফল্য কোনো হঠাৎ ঘটনা নয়; এটি প্রতিদিনের সংগ্রাম, শৃঙ্খলা ও অটুট বিশ্বাসের ফল। বিজ্ঞপ্তি