করোনার মধ্যেই চীনের কুকুরের মাংস খাওয়ার উৎসব

প্রকাশিত: ১১:১৭ অপরাহ্ণ, জুন ২২, ২০২০

করোনার মধ্যেই চীনের কুকুরের মাংস খাওয়ার উৎসব

অনলাইন ডেস্ক :; করোনা মহামারীর মধ্যেই চীনে ১০ দিন ব্যাপী কুকুরের মাংস খাওয়ার বার্ষিক উৎসব শুরু হয়েছে। রোববার থেকে এ উৎসবটি শুরু হয়েছে চলবে ৩০ জুন পর্যন্ত। উৎসবে রান্না করা কুকুরের মাংস ও জ্যান্ত কুকুর বিক্রি ছাড়াও কাঁচা মাংস পাওয়া যাচ্ছে।

যদিও দেশটির পশুপ্রেমিরা দাবি করছেন, এ বছরই হয়ত শেষ বারের মতো এই উৎসব চলতে পারে।

বিবিসি জানিয়েছে, ১০ হাজারের বেশি কুকুর ও বিড়াল এই উৎসবে নিধন হবে। পশুপ্রেমিরা জানিয়েছেন, এ উৎসবটি বন্ধ করতে তারা ১ কোটি ১০ লাখের বেশি স্বাক্ষর সংগ্রহ করেছেন। চীন ও দক্ষিণ কোরিয়াসহ কয়েকটি দেশ ৫০০ বছর ধরে ঐতিহ্যগতভাবে কুকুরের মাংস খেয়ে আসছে।

চীনের একটি আইনি প্রতিষ্ঠানের অনুমান, বছরে মানুষের ব্যবহারের জন্য অন্তত ১ কোটি কুকুর মারা হয়ে থাকে।

চীনের দক্ষিণপশ্চিম শানঝি প্রদেশের ইউলিন শহরে এ উৎসবে সাধারণত হাজার হাজার দর্শনার্থীর সমাগম ঘটে। তবে করোনা সংকটের কারণে খুব বেশি লোকসমাগম ঘটছে না।

চীন সরকারের নতুন আইনানুযায় দেশটিতে বণ্যপ্রাণীর সুরক্ষার জন্য বিক্রি নিষিদ্ধ করা হয়েছে।তার মধ্যে রয়েছে কুকুর ও বাদুড়।কিন্তু সেই নিষেধাজ্ঞার তোয়াক্কা না করেই শুরু হয়েছে কুকুর নিধনের মহাযজ্ঞ।

গত কয়েক বছর ধরে ইউলিনের এই উৎসবের তীব্র বিরোধিতা করে আসছেন পশুপ্রেমীরা। চীনের হিউম্যান সোসাইটি ইন্টারন্যাশনাল নামে এক পশুপ্রেমী সংগঠনের বিশেষজ্ঞ পিটার লি জানিয়েছেন, ‘উৎসবের নামে ভিড়েঠাসা বাজার ও রেস্তোরাঁয় কুকুরের মাংস বিক্রির এই আয়োজন জনস্বাস্থ্য নিরাপত্তায় বড়সড় বিপদ ডেকে আনতে পারে।’

চীনের মাংসপ্রীতির জেরে করোনাভাইরাস সংক্রমণের উৎপত্তি হয়েছে, এই মতবাদে বিশ্বাসীরা আন্তর্জাতিক স্তরে প্রবল আপত্তি আগেই তুলেছেন। তার জেরে খাদ্যের প্রয়োজনে বন্যপ্রাণী কেনাবেচার উপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করে বেইজিং। কিন্তু তা যে জনসাধারণের ওপর বিশেষ প্রভাব বিস্তার করতে পারেনি, তা বার বার প্রমাণিত হচ্ছে।

বিবিসি ও এনডিটিভি অবলম্বনে

এ সংক্রান্ত আরও সংবাদ

সংবাদ অনুসন্ধান ক্যালেন্ডার

MonTueWedThuFriSatSun
    123
252627282930 
       
  12345
2728     
       
28      
       
       
       
1234567
2930     
       

আমাদের ফেইসবুক পেইজ