সাবেক মেয়র কামরানকে হারানোর ৪ বছর

প্রকাশিত: ১২:৫০ অপরাহ্ণ, জুন ১৫, ২০২৪

সাবেক মেয়র কামরানকে হারানোর ৪ বছর

সাবেক মেয়র কামরানকে হারানোর ৪ বছর

নিজস্ব প্রতিবেদক

১৫ জুন ২০২০। তখনও ভোর। তখনও সকলে ঘুমে। একটি দুঃসংবাদ শুনে ঘুম থেকে জেগে ওঠেন সবাই। ঢাকা থেকে খবর আসে আসে সিলেটের সাবেক মেয়র বদরউদ্দিন আহমদ কামরান আর নেই।

করোনায় সিলেটবাসীর জন্য সবচেয়ে বড় দুঃসংবাদ নিয়ে আসে আজ থেকে ৪ বছর আগে। সিলেটের সবচেয়ে জনপ্রিয় নেতা, গণমানুষের নেতা হিসেবে পরিচিত বদরউদ্দিন আহমদ কামরানকে এই দিনে কেড়ে নেয় করোনা।

আজ আরেক ১৫ জুন, বদরউদ্দিন আহমদ কামরানের মৃত্যুর ৪ বছর পূর্ণ হচ্ছে। মৃত্যুর ৪ বছর পেরিয়ে গেলেও এখনও সিলেটবাসীর হৃদয়ে রয়ে গেছেন কামরান।

২০২০ সালের ৫ জুন সিলেটের ওসমানী মেডিকেল কলেজের ল্যাবে নমুনা পরীক্ষায় ৬৯ বছর বয়সী কামরানের করোনাভাইরাসের সংক্রমণ ধরা পড়ে। তার আগে ২৭ মে তার স্ত্রী আসমা কামরান কোভিড-১৯ আক্রান্ত হন।

শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে ৭ জুন কামরানকে ঢাকায় নিয়ে গিয়ে সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে তাকে প্লাজমা থেরাপিও দেওয়া হয়েছিল। সেখানেই চিকিৎসাধীন অবস্থায় ১৫ জুন ভোরে মারা যান সিলেট সিটি করপোরেশনের প্রথম মেয়র কামরান। যিনি দীর্ঘদিন সিলেট পৌরসভার চেয়ারম্যানেরও দায়িত্বে ছিলেন।

বদর উদ্দিন আহমদ কামরান ১৯৫১ সালের ১ জানুয়ারি সিলেটে জন্মগ্রহণ করেন। উচ্চ মাধ্যমিকে পড়ার সময় ১৯৭৩ সালে তিনি প্রথমবার সিলেট পৌরসভার ওয়ার্ড কমিশনার নির্বাচিত হন। ১৯৯৫ সালে হন সিলেট পৌরসভার চেয়ারম্যান।

২০০২ সালে সিলেট পৌরসভা সিটি করপোরেশনে উন্নীত হওয়ার পর কামরান মেয়র মনোনীত হন। ২০০৩ সালে সিটি করপোরেশনের প্রথম নির্বাচনে জিতে মেয়র পদ ধরে রাখেন তিনি।

২০০৭-০৮ সালে সেনা নিয়ন্ত্রিত তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সময় আরও অনেক রাজনীতিবিদের মত কামরানকেও গ্রেপ্তার করা হয়েছিল। সে সময় জনপ্রিয়তার তুঙ্গে থাকা কামরান কারাগারে থেকে নির্বাচন করেও বিপুল ভোটে জয়ী হন।

২০১৩ সালের নির্বাচনে আরিফুল হক চৌধুরীর কাছে হেরে গিয়ে মেয়র পদ হারান কামরান। এরপর ২০১৮ সালের নির্বাচনেও তিনি লড়েছিলেন, কিন্তু জয়ী হতে পারেননি।

১৯৮৯ সাল থেকে সিলেট শহর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালনের পর ২০০২ সালে মহানগর আওয়ামী লীগের সভাপতি হন কামরান। সেই দায়িত্ব তিনি সামলেছেন প্রায় দেড় যুগ।

২০১৬ সালে আওয়ামী লীগের সম্মেলনে কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্য পদ পাওয়া কামরান মৃত্যুর পূর্ব পর্যন্ত একই পদে ছিলেন।

কর্মসূচি
বদর উদ্দিন আহমদ কামরানের চতুর্থ মৃত্যুবার্ষিকীতে পরিবারের পক্ষ থেকে ২ দিনব্যাপী কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়েছে।

গৃহীত কর্মসূচির মধ্যে রয়েছে- খতমে কোরআন, মিলাদ ও বিশেষ দোয়া মাহফিল এবং শিরনী বিতরণ। ওইদিন সকাল ১১টায় মরহুমের বাসভবনে বিশেষ দোয়া অনুষ্ঠিত হবে।

বদর উদ্দিন আহমদ কামরান পরিবারের পক্ষ থেকে মরহুম কামরানের জান্নাতুল ফেরদৌস কামনা করে সবার কাছে দোয়া কামনা এবং সকলকে কর্মসূচিতে অংশগ্রহণ করার জন্য অনুরোধ করা হয়েছে।

এ সংক্রান্ত আরও সংবাদ

সংবাদ অনুসন্ধান ক্যালেন্ডার

MonTueWedThuFriSatSun
1234567
15161718192021
22232425262728
293031    
       
22232425262728
2930     
       
  12345
2728     
       
28      
       
       
       
1234567
2930     
       

আমাদের ফেইসবুক পেইজ