• সিলেট, রাত ১০:০৫, ২২শে অক্টোবর, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ

বাণিজ্যিক ব্যাংকে মজুত ৪২৯ কোটি ডলার

admin
প্রকাশিত অক্টোবর ২২, ২০২৬
বাণিজ্যিক ব্যাংকে মজুত ৪২৯ কোটি ডলার

Manual8 Ad Code

বাণিজ্যিক ব্যাংকে মজুত ৪২৯ কোটি ডলার
রপ্তানি ও প্রবাসী আয় বাড়লেও আমদানি ব্যয়ে চাপ

অনলাইন ডেস্ক

 

Manual6 Ad Code

বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোর হাতে বৈদেশিক মুদ্রার মজুত বেড়ে সেপ্টেম্বরে ৪২৯ কোটি ডলারে দাঁড়িয়েছে, যা আগস্টে ছিল ৪১৩ কোটি ডলার। রপ্তানি আয় ও প্রবাসী আয়ের প্রবাহ বাড়ায় ডলারের সরবরাহে উন্নতি হয়েছে। বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, গত বছরের সেপ্টেম্বরের তুলনায় মজুত বেড়েছে ৪৩ কোটি ডলার।

চলতি বছরের জানুয়ারিতে ব্যাংকগুলোর বৈদেশিক মুদ্রার মজুত ৩৫৭ কোটি ডলারে নেমেছিল, যা ২০১৮ সালের জুলাইয়ের পর সর্বনিম্ন। পরে এপ্রিলে তা বেড়ে ৪৬৫ কোটি ডলারে উঠলেও জুনে কমে ৩৮৭ কোটি ডলারে দাঁড়ায়।

Manual2 Ad Code

চলতি ২০২৬-২৭ অর্থবছরের জুলাই-আগস্টে রপ্তানি আয় বেড়ে ১ হাজার ৩০৫ কোটি ডলার হয়েছে, যা আগের অর্থবছরের একই সময়ে ছিল ১ হাজার ২২৭ কোটি ডলার। জুলাই-সেপ্টেম্বর সময়ে প্রবাসী আয়ও বেড়ে ৮৬০ কোটি ডলারে দাঁড়িয়েছে, আগের বছর একই সময়ে যা ছিল ৭৫০ কোটি ডলার।

আনুষ্ঠানিক ব্যাংকিং চ্যানেলে রেমিট্যান্স বৃদ্ধি, বৈধ ও অনানুষ্ঠানিক বাজারের বিনিময় হারের ব্যবধান কমে আসা এবং বাজারভিত্তিক বিনিময় হার ব্যবস্থা প্রবাসী আয় বাড়াতে ভূমিকা রেখেছে। এতে টাকার ওপর চাপও কমেছে।

Manual3 Ad Code

তবে বাড়তি আমদানি ব্যয় ডলারের সরবরাহে চাপ তৈরি করছে। জুলাই-আগস্টে আমদানি ব্যয় বেড়ে ১ হাজার ২২০ কোটি ডলারে দাঁড়িয়েছে, আগের অর্থবছরের একই সময়ে যা ছিল ১ হাজার ৮৮ কোটি ডলার। পুরো ২০২৫-২৬ অর্থবছরে আমদানি ব্যয় ছিল ৭ হাজার ১১৪ কোটি ডলার, আগের অর্থবছরে ৬ হাজার ৪৩৬ কোটি ডলার।

এদিকে রিজার্ভ বাড়াতে ২০২৫ সালের জুলাই থেকে ডলার নিলামের মাধ্যমে বাজার থেকে ৬০০ কোটি ডলারের বেশি কিনেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। প্রতি ডলার কেনা হয়েছে ১২১ থেকে ১২২ টাকা ৭৫ পয়সা দরে। তবে প্রয়োজনে বাজারে ডলার সরবরাহও করছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। সেপ্টেম্বরে ১ কোটি ১০ লাখ এবং অক্টোবরে ২ কোটি ডলার বিক্রি করেছে।

এর আগে ২০২০-২১ থেকে ২০২৪-২৫ অর্থবছরের মধ্যে আমদানি ব্যয় মেটানো ও বৈদেশিক মুদ্রাবাজারের চাপ সামলাতে রিজার্ভ থেকে ২ হাজার ৫০০ কোটি ডলারের বেশি বিক্রি করেছিল বাংলাদেশ ব্যাংক। পরে ডলারের সরবরাহ বাড়ায় রিজার্ভ পুনর্গঠনে বাজার থেকে ডলার কেনার নীতি নেয় কেন্দ্রীয় ব্যাংক। ব্যাংকারদের মতে, বেসরকারি বিনিয়োগে স্থবিরতার কারণে বৈদেশিক মুদ্রায় ঋণের চাহিদা কম। ফলে অনেক ব্যাংক উদ্বৃত্ত ডলার বাংলাদেশ ব্যাংকের কাছে বিক্রি করছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, বিনিয়োগ বাড়লে রপ্তানি সক্ষমতা বাড়বে এবং বৈদেশিক অর্থায়নের ওপর নির্ভরশীলতা কমবে। ১৭ অক্টোবর পর্যন্ত আইএমএফের বিপিএম৬ পদ্ধতিতে বাংলাদেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ ছিল ৩১৫৭ কোটি ডলার। প্রচলিত হিসাবে রিজার্ভের পরিমাণ ছিল ৩৬৩৮ কোটি ডলার।

 

Manual1 Ad Code

বিডি প্রতিদিন

Latif Travels
Metropolitan University

আপনার প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞাপনের জন্য যোগাযোগ করুন

📞 মোবাইল: +8801712540420

✉️ ইমেইল: pavel.syl@gmail.com