• সিলেট, বিকাল ৫:৪৮, ২৭শে মে, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ

রাজনীতিতে দেশপ্রেম ও সাহসিকতার অনন্য প্রতীক খালেদা জিয়া

admin
প্রকাশিত মার্চ ১৩, ২০২৬
রাজনীতিতে দেশপ্রেম ও সাহসিকতার অনন্য প্রতীক খালেদা জিয়া

Manual7 Ad Code

রাজনীতিতে দেশপ্রেম ও সাহসিকতার অনন্য প্রতীক খালেদা জিয়া

Manual4 Ad Code

অনলাইন ডেস্ক

 

Manual4 Ad Code

বিএনপি চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে বাংলাদেশের রাজনীতিতে দেশপ্রেম ও সাহসিকতার এক অনন্য প্রতীক হিসেবে অভিহিত করেছেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি বলেন, দীর্ঘ ৪৩ বছরের রাজনৈতিক জীবনে তিনি গণতন্ত্র ও স্বাধীনতার প্রশ্নে কখনোই কারও সঙ্গে আপস করেননি। স্বৈরাচার ও ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে আপসহীন লড়াই করেছেন। গতকাল জাতীয় সংসদ অধিবেশনে শোক প্রস্তাবের আলোচনায় অংশ নিয়ে তিনি এ কথা বলেন। স্পিকার মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমদের সভাপতিত্বে অধিবেশনে তিনি বেগম জিয়ার শাসনামলে গৃহীত বিভিন্ন যুগান্তকারী পদক্ষেপের কথা তুলে ধরেন। তিনি ২০২৪ সালের ছাত্র-জনতার বিপ্লবে জীবন উৎসর্গকারী তরুণদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করে বলেন, আমাদের ছেলেরা একটি সত্যিকারের গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র নির্মাণের জন্য প্রাণ দিয়েছে। তাদের আত্মত্যাগ বৃথা যেতে দেওয়া হবে না। বেগম খালেদা জিয়ার শাসনকালের স্মৃতিচারণা করে মির্জা ফখরুল বলেন, তিনি বাংলাদেশের নারীদের উন্নয়নে বিপ্লব ঘটিয়েছেন। মেয়েদের অবৈতনিক শিক্ষা ও নারী ক্ষমতায়নের ভিত্তি তিনিই গড়েছিলেন। প্রাথমিক শিক্ষাকে বাধ্যতামূলক করা, উন্মুক্ত ও জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় এবং বেসরকারি খাতে বিশ্ববিদ্যালয় ও মেডিকেল কলেজের অনুমতি ছিল তার দূরদর্শী সিদ্ধান্ত। তিনি বলেন, কৃষকদের ৫ হাজার টাকা পর্যন্ত ঋণ মওকুফ এবং ২৫ বিঘা পর্যন্ত জমির খাজনা মাফ করে তিনি গ্রামবাংলার মানুষের ভাগ্য বদলে দিয়েছিলেন। তার হাত ধরেই মুক্তবাজার অর্থনীতি ও স্বনির্ভর অর্থনীতির যাত্রা শুরু হয়েছিল। বক্তব্যের একপর্যায়ে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর কবি আল মাহমুদের লেখা একটি কবিতার পঙ্ক্তি উদ্ধৃত করে বেগম জিয়ার ব্যক্তিত্ব বর্ণনা করেন। তিনি আবৃত্তি করেন, ‘জনতাই প্রতিশ্রুতি হেঁটে যায় আমাদের গন্তব্যের আহ্বানে, মাটি জন্ম দিল এক প্রশস্ত বন্ধু…কখনো ভুলো না কেন তোমার কুণ্ঠায় আছে মানুষের আশার মানুষ।’

Manual8 Ad Code

খালেদা জিয়াসহ যাদেরকে স্মরণ করা হলো : ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনে সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াসহ দেশিবিদেশি বিশিষ্ট ব্যক্তিদের মৃত্যুতে শোকপ্রস্তাব গ্রহণ করা হয়েছে। গতকাল দিনের কার্যসূচি অনুযায়ী অধিবেশনে নবনির্বাচিত স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীরবিক্রম শোকপ্রস্তাবটি উত্থাপন করেন। অধিবেশনে সভাপতিত্বও করেন তিনি। শোকপ্রস্তাবের আলোচনা শেষে ১ মিনিট নীরবতা পালন ও দোয়া করা হয়। পরে সর্বসম্মিতিতে শোকপ্রস্তাব গৃহীত হয়। এতে বলা হয়, ২০২৫ সালের ৩০ ডিসেম্বর দেশ হারিয়েছে তিনবারের সাবেক প্রধানমন্ত্রী এবং গণতন্ত্রের আপসহীন নেত্রী খালেদা জিয়াকে। মুসলিম বিশ্বের দ্বিতীয় নারী প্রধানমন্ত্রী এবং জাতীয় সংসদের সাবেক বিরোধীদলীয় নেতা হিসেবে দেশের গণতন্ত্র রক্ষায় তাঁর অবদান চিরস্মরণীয়। জাতীয় সংসদ তাঁর মৃত্যুতে গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেছে। বাংলাদেশি নেতাদের পাশাপাশি আন্তর্জাতিক অঙ্গনের কয়েকজন প্রভাবশালী নেতার মৃত্যুতে শোকপ্রস্তাব গ্রহণ করা হয়। এ তালিকায় আছেন ভারতের সাবেক প্রধানমন্ত্রী মনমোহন সিং, ক্যাথলিক খ্রিস্টানদের প্রধান ধর্মগুরু পোপ ফ্রান্সিস এবং ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি। এ ছাড়া পরে চিফ হুইপ জামায়াতে ইসলামীর মতিউর রহমান নিজামী, সেক্রেটারি জেনারেল আলী আহসান মুজাহিদ ও দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদীর নাম শোকপ্রস্তাবে যুক্ত করার প্রস্তাব করেন। যা স্পিকার গ্রহণ করেন। এ ছাড়া অধিবেশনে সাবেক রাষ্ট্রপতি ও বিকল্পধারা বাংলাদেশের সাবেক সভাপতি এ কিউ এম বদরুদ্দোজা চৌধুরীসহ মোট ৩১ জন সাবেক সংসদ সদস্যের মৃত্যুতে শোকপ্রস্তাব আনা হয়। উল্লেখযোগ্য ব্যক্তিদের মধ্যে আছেন সাবেক সংসদ উপনেতা মতিয়া চৌধুরী, সাবেক সেনাপ্রধান কে এম সফিউল্লাহ, সাবেক মন্ত্রী আবদুল্লাহ আল নোমান, গণফোরাম নেতা মোস্তফা মোহসীন মন্টু, বীর মুক্তিযোদ্ধা এ কে খন্দকার এবং রমেশ চন্দ্র সেনসহ মোট ৩১ জন রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব। পরে সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান মাইক নিয়ে বলেন, শোক প্রস্তাবে কিছু নাম বাদ পড়েছে। সেগুলো বলার জন্য বিরোধীদলীয় উপনেতা সৈয়দ আবদুল্লাহ মোহাম্মদ তাহেরকে অনুরোধ করেন তিনি।

বিডি-প্রতিদিন

Manual2 Ad Code

Latif Travels
Metropolitan University

আপনার প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞাপনের জন্য যোগাযোগ করুন

📞 মোবাইল: +8801712540420

✉️ ইমেইল: pavel.syl@gmail.com