তিন মাস পর দোকান খুলছে ইংল্যান্ডের খুচরা বিক্রেতারা

প্রকাশিত: ৬:১৭ অপরাহ্ণ, জুন ১৬, ২০২০

তিন মাস পর দোকান খুলছে ইংল্যান্ডের খুচরা বিক্রেতারা

সিল-নিউজ-বিডি ডেস্ক :: প্রায় তিন মাস পর ফের সব ধরনের পণ্যের দোকান খুলতে যাচ্ছে ইংল্যান্ডের খুচরা বিক্রেতারা। স্থানীয় সময় সোমবার (গতকাল) থেকে দেশটিতে অপরিহার্য নয়, এমন পণ্যের বিক্রয়কেন্দ্র খোলার অনুমতি দেয়া হয়েছে। তবে এক্ষেত্রে খুচরা বিক্রেতাদের ভাইরাস সংক্রমণ থেকে সুরক্ষায় কঠোর নিয়ম অনুসরণ করতে হবে। একই সঙ্গে বহুদিন পর কেনাকাটার এ অভিজ্ঞতা নিশ্চিতভাবেই আর আগের মতো থাকছে না বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। খবর বিবিসি।
তবে খুচরা বিক্রি বিশেষজ্ঞরা বলছেন, দোকান খুললেও খুব শিগগিরই আগের মতো ক্রেতাদের ঢল নামবে না। এজন্য আরো বেশ কিছু সময় অপেক্ষা করতে হবে। এদিকে ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসন দেশের নাগরিকদের আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে কেনাকাটার জন্য আহ্বান জানিয়েছেন। তিনি পুনরায় দোকান খোলা নিয়ে খুবই আশাবাদী। তবে তিনি একই সঙ্গে একথাও স্বীকার করেছেন যে এখনই ক্রেতাদের ঢল নামবে কিনা, সে বিষয়ে বিক্রেতারা ঠিক নিশ্চিত নন।
মূলত গত ২৩ মার্চ থেকে ইংল্যান্ডে খাবার ও ওষুধসহ অপরিহার্য পণ্যের দোকান খোলা ছিল। তবে এ সময় বন্ধ ছিল বই থেকে শুরু করে পোশাকের মতো বিভিন্ন পণ্যের দোকান। এ অবস্থায় নতুন করে বন্ধ থাকা বিক্রয়কেন্দ্রে কার্যক্রম শুরুর জন্য বেশকিছু পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়েছে। ভাইরাসের সংক্রমণ ঝুঁকি এড়াতে ক্রেতাদের পরস্পরের মধ্যে প্রায় সাড়ে ছয় ফুট দূরত্ব নিশ্চিত করতে হবে। এজন্য দোকানের মেঝেতে নির্দিষ্ট দূরত্বের দাগ টেনে দিতে হবে। এছাড়া ক্রেতাদের কিনবেন না, এমন পণ্য স্পর্শ করা থেকে বিরত থাকতে হবে। একই সঙ্গে সুপারমার্কেটে শপিংয়ের ঝুড়ি প্রতিবার ব্যবহারের পরই জীবাণুমুক্ত করতে হবে। ক্রেতাদের জন্য রাখা হবে পর্যাপ্ত পরিমাণে হ্যান্ড স্যানিটাইজার। এদিকে অধিকাংশ পোশাকের দোকানের ফিটিং রুম বন্ধ রাখা হবে। স্পর্শ করা হয়েছে এমন বই নির্দিষ্ট সময়ের জন্য আলাদা করে রাখবে ওয়াটারস্টোনসের মতো বইয়ের দোকান। অন্যদিকে কিছু অলংকারের দোকানে দ্রুত জীবাণুমুক্ত করা যায় এমন ‘অতিবেগুনি বাক্সের’ ব্যবস্থা করা হবে।