• সিলেট, রাত ১:১২, ৪ঠা নভেম্বর, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ

জিবরাইলের বয়ানে জান্নাত-জাহান্নাম

admin
প্রকাশিত নভেম্বর ২, ২০২৬
জিবরাইলের বয়ানে জান্নাত-জাহান্নাম

Manual3 Ad Code

জিবরাইলের বয়ানে জান্নাত-জাহান্নাম

Manual5 Ad Code

মাওলানা সেলিম হোসাইন আজাদী

Manual5 Ad Code

 

শান্তির খোঁজে হয়রান মানুষ। মানুষ কি জানে শান্তি কোথায় পাওয়া যায়? শান্তি পাওয়া যায় আল্লাহর আশ্রয়ে। যে ব্যক্তি আল্লাহর আশ্রয়ে জীবন পার করেছে তার দুনিয়াও শান্তি আখেরাতও শান্তি। আর যে আল্লাহর আশ্রয় ছেড়ে লোভ হিংসা আর গুনাহের জীবন বেছে নিয়েছে, তার আখেরাত ও দুনিয়া দুটোই অশান্তিতে ভরপুর। আল্লাহতায়ালা বান্দার শান্তির জন্য দুনিয়ায় যেমন প্রেম-ভালোবাসা, মায়ামমতা সৃষ্টি করেছেন। একইভাবে আখেরাতের শান্তির জন্যও সৃষ্টি করেছেন জান্নাত। আবার দুনিয়ায় অশান্তিও সৃষ্টি করেছেন আল্লাহতায়ালা। যেখানে প্রেম নেই লোভ আছে, যেখানে মমতা নেই হিংস্রতা আছে, সেটাই দুনিয়ার জাহান্নাম।

একইভাবে আখেরাতেও বান্দার জন্য সৃষ্টি করা হয়েছে অনন্ত অশান্তি জাহান্নামের জায়গা। জান্নাত-জাহান্নাম নিয়ে কুরআনে এবং হাদিসে অনেক বর্ণনা এসেছে। কিছু বর্ণনা স্বয়ং আল্লাহ করেছেন, আর কিছু বর্ণনা করেছেন নবীজি (সা.)। আর কিছু বর্ণনা করেছেন ফেরেশতাদের নেতা জিবরাইল (আ.)। জান্নাত-জাহান্নাম নিয়ে জিবরাইল ফেরেশতার দুটি বর্ণনা তুলে ধরছি আজকের লেখায়।

হযরত আবু হুরায়রা (রা.) পথকে বর্ণিত, রসুলুল্লাহ (সা.) ইরশাদ করেছেন, মহান আল্লাহ জিবরাইল (আ.)কে ডেকে বললেন, ‘জান্নাত এবং জান্নাতবাসীদের জন্য যা প্রস্তুত করে রেখেছি, তা একবার দেখে এসো। জিবরাইল (আ.) সেখানে গিয়ে ভালো করে ঘুরে ঘুরে দেখলেন। তিনি জান্নাতের নেয়ামত দেখে খুবই খুশি হলেন এবং আল্লাহকে বললেন, ‘আপনার ইজ্জতের কসম! জান্নাতের বর্ণনা যে ব্যক্তি শুনবে, সে অবশ্যই জান্নাতে প্রবেশ করতে চাইবে। এরপর জান্নাতে যাওয়ার পথ নানা কষ্ট, যন্ত্রণা ও অপছন্দনীয় বিষয় দিয়ে ঢেকে দেওয়া হলো।

Manual7 Ad Code

তারপর আল্লাহতায়ালা তাকে বললেন, ‘এবার গিয়ে দেখে এসো।’ জিবরাইল (আ.) ফিরে এসে বলতে শুরু করলেন, ‘আপনার ইজ্জতের কসম! আমার আশঙ্কা হচ্ছে, এত কষ্ট, যন্ত্রণা ও সবর সহ্য করে কেউ জান্নাতে প্রবেশ করতে পারবে না।’ জান্নাতের পর্ব শেষ হলে আল্লাহ জিবরাইলকে জাহান্নাম এবং জাহান্নামবাসীদের জন্য যা প্রস্তুত রাখা হয়েছে, তা দেখে আসতে বললেন। জিবরাইল (আ.) জাহান্নামের অলিগলি দেখে এসে বললেন, ‘আপনার ইজ্জতের কসম! জাহান্নামের কথা যে ব্যক্তি শুনবে, সে কখনোই জাহান্নামে প্রবশে করতে চাইবে না।’ এরপর জাহান্নামের পথে নানা প্রবৃত্তি, আকাঙ্ক্ষা ও কামনার মোহনীয় উপকরণ দিয়ে ঢেকে দেওয়া হলো। তখন আল্লাহতাআলা তাকে বললেন, ‘আবার গিয়ে দেখে এসো।’ জিবরাইল (আ.) এবার জাহান্নাম দেখে এসে বিস্ময়ের সঙ্গে বললেন, ‘আপনার ইজ্জতের ও জালালের কসম! আমার তো প্রবল ভয় হচ্ছে যে এর থেকে কেউ আর রক্ষা পাবে না।’ (সুনানে আবু দাউদ, হাদিস ৪৭৪৪।) হযরত আনাস বিন মালেক (রা.) পথকে বর্ণিত, একবার জিবরাইল (আ.) এমন এক সময়ে রসুলুল্লাহ (সা.)-এর কাছে এলেন, সাধারণত যে সময়ে তিনি আসেন না। তাঁর মুখমণ্ডল ছিল বিবর্ণ।

Manual5 Ad Code

লেখক : প্রিন্সিপাল, সেইফ এডুকেশন ইনস্টিটিউট

বিডি প্রতিদিন

Latif Travels
Metropolitan University

আপনার প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞাপনের জন্য যোগাযোগ করুন

📞 মোবাইল: +8801712540420

✉️ ইমেইল: pavel.syl@gmail.com