• সিলেট, রাত ১০:৩৩, ৩রা অক্টোবর, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ

আমরা মাথা উঁচু করে বিশ্বের সাথে সহযোগিতা-অংশীদারিত্বে প্রস্তুত: শামা ওবায়েদ

admin
প্রকাশিত অক্টোবর ৩, ২০২৬
আমরা মাথা উঁচু করে বিশ্বের সাথে সহযোগিতা-অংশীদারিত্বে প্রস্তুত: শামা ওবায়েদ

Manual4 Ad Code

‘আমরা অন্য খেলোয়াড়দের খেলার দাবার বোর্ড হতে চাই না’
আমরা মাথা উঁচু করে বিশ্বের সাথে সহযোগিতা-অংশীদারিত্বে প্রস্তুত: শামা ওবায়েদ
অনলাইন ডেস্ক

Manual2 Ad Code

 

পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম বলেছেন, ‘বাংলাদেশ এখন এমন একটি অবস্থানে রয়েছে, যেখানে আমরা মাথা উঁচু করে দাঁড়িয়ে আছি। আমরা অন্য খেলোয়াড়দের খেলার জন্য দাবার বোর্ড হতে চাই না। আমরা আমাদের নিজস্ব শর্তে খেলতে চাই। আমরা মাথা উঁচু করে বাকি বিশ্বের সাথে আলোচনা, সহযোগিতা এবং অংশীদারিত্ব করতে প্রস্তুত। তবে অবশ্যই এটা মনে রাখতে হবে যে, আমাদের পররাষ্ট্রনীতির সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়টি হলো আমাদের জনগণের স্বার্থ।’

শনিবার রাজধানীতে পঞ্চম বে অব বেঙ্গল কনভারসেশনের ‘নতুন করে লেখা এক বিশ্ব’ শীর্ষক এক সেশনে তিনি এসব কথা বলেন।

‘নতুন করে গড়ে ওঠা এক বিশ্বে ক্ষমতা, প্রযুক্তি ও আস্থার পথচলা’ স্লোগানে রাজধানীর প্যান প্যাসিফিক সোনারগাঁও হোটেলে এই সম্মেলনের আয়োজন করে সেন্টার ফর গভর্ন্যান্স স্টাডিজ (সিজিএস)। অনুষ্ঠানে উদ্বোধনী বক্তব্য রাখেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

Manual8 Ad Code

আলোচনায় শামা ওবায়েদ জ্বালানি খাতের বহুমুখীকরণ এবং দেশের অর্থনৈতিক কূটনীতির ওপর বিশেষ জোর দেন।

Manual5 Ad Code

তিনি বলেন, ‘আমাদের পররাষ্ট্রনীতি সবসময় যেমনটা ছিল— প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের আমল থেকে এবং বর্তমানে আরও বেশি করে তা হলো ‘সবার আগে বাংলাদেশ’ (বাংলাদেশ ফার্স্ট) নীতি। আমরা মূলত বহুমুখীকরণ, নতুন উৎস এবং এমন নতুন ক্ষেত্রগুলোর দিকে নজর দিচ্ছি যেখান থেকে আমরা জ্বালানি সংগ্রহ করতে পারি। এর পাশাপাশি আমাদের নিজস্ব গ্যাস, জ্বালানি এবং এলএনজি-এর উৎস রয়েছে যা গত সরকারের আমলে বা গত বছরগুলোতে কখনোই সেভাবে অনুসন্ধান করা হয়নি। তাই প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে সরকার ইতোমধ্যে সেগুলো অনুসন্ধান করা শুরু করেছে।

অর্থনৈতিক কূটনীতির প্রসঙ্গ টেনে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী বলেন, অর্থনৈতিক কূটনীতির ক্ষেত্রে আমরা দক্ষিণ এশিয়া, এশিয়া এবং অন্যান্য সমস্ত দেশের সাথে কাজ করা এবং সহযোগিতায় বিশ্বাস করি। আমরা সবার সাথে কাজ করতে চাই। আমরা চাই বাংলাদেশ একটি কেন্দ্র (হাব) হয়ে উঠুক, কারণ আমাদের জনমিতিক লভ্যাংশ (ডেমোগ্রাফিক ডিভিডেন্ড) রয়েছে। আমাদের মানুষ আছে, এবং যখন আমরা শক্তির (পাওয়ার) কথা বলি, আমি বিশ্বাস করি আমাদের জনগণই আমাদের সবচেয়ে বড় শক্তি। আমাদের রেমিট্যান্স, আমাদের তৈরি পোশাক খাত (আরএমজি) এবং বস্ত্র শিল্পের মাধ্যমে আমরা তা প্রমাণ করেছি। তাই বাণিজ্যের বিভিন্ন ক্ষেত্রে বহুমুখীকরণের বিশাল সম্ভাবনা আমাদের রয়েছে— সেটা হতে পারে ওষুধ শিল্প, চামড়া, জ্বালানি, খাদ্য, পাট এবং আরও অনেক কিছু।

Manual2 Ad Code

দীর্ঘ ১০ বছরেরও বেশি সময় ধরে রোহিঙ্গাদের আশ্রয় দেওয়াটা বাংলাদেশের অর্থনীতির ওপর বড় ধরনের বোঝা সৃষ্টি করেছে উল্লেখ করে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী বলেন, আপনাদের এটাও অনুধাবন করতে হবে যে, বাংলাদেশ ১০ বছরেরও বেশি সময় ধরে রোহিঙ্গা শরণার্থীদের আশ্রয় দিয়ে আসছে, যা ইতোমধ্যে আমাদের অর্থনীতির ওপর একটি বোঝা হয়ে দাঁড়িয়েছে। কিন্তু মানবিক দৃষ্টিকোণ থেকে বাংলাদেশ সবসময়ই অত্যন্ত সহযোগিতাপূর্ণ এবং এই সমস্যার প্রতি খুবই সংবেদনশীল। তবে একই সাথে, আমরা আমাদের অংশীদার, বন্ধু, উন্নয়ন সহযোগী এবং সকল অংশীজনের সাথে কথা বলছি, যাতে রোহিঙ্গা শরণার্থীদের সম্মানজনক, নিরাপদ এবং সুশৃঙ্খল প্রত্যাবাসন সম্ভব করার জন্য বাস্তবসম্মত ও কার্যকর কিছু করা যায়। এই বিষয়গুলো নিয়েই আমরা কাজ করছি।

বিডি প্রতিদিন

Latif Travels
Metropolitan University

আপনার প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞাপনের জন্য যোগাযোগ করুন

📞 মোবাইল: +8801712540420

✉️ ইমেইল: pavel.syl@gmail.com