• সিলেট, ভোর ৫:১০, ১৯শে অক্টোবর, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ

দেশেই প্রতিরক্ষা শিল্প গড়তে চায় সরকার: প্রধানমন্ত্রী

admin
প্রকাশিত অক্টোবর ১৮, ২০২৬
দেশেই প্রতিরক্ষা শিল্প গড়তে চায় সরকার: প্রধানমন্ত্রী

Manual1 Ad Code

রবিবার সকালে সাভার সেনানিবাসে কয়েকটি ব্যাটালিয়ন ও রেজিমেন্টকে ন্যাশনাল স্ট্যান্ডার্ড (জাতীয় পতাকা) প্রদান অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বক্তব্য দেন। ছবি: পিএমও

 

দেশেই প্রতিরক্ষা শিল্প গড়তে চায় সরকার: প্রধানমন্ত্রী

Manual5 Ad Code

অনলাইন ডেস্ক

Manual5 Ad Code

 

Manual6 Ad Code

 

পরিবর্তিত বিশ্ব পরিস্থিতির সঙ্গে তাল মিলিয়ে সশস্ত্র বাহিনীকে আরও প্রযুক্তিনির্ভর, দক্ষ ও আধুনিক করে গড়ে তোলার পাশাপাশি দেশীয় প্রতিরক্ষা শিল্প প্রতিষ্ঠায় সরকার গুরুত্ব দিচ্ছে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

একই সঙ্গে সেনাসদস্যদের জীবনযাত্রার মান উন্নয়নে ‘ওয়ান র‍্যাংক, ওয়ান পেনশন’ ব্যবস্থা বাস্তবায়নের বিষয়টি প্রক্রিয়াধীন রয়েছে বলেও জানান তিনি।

রবিবার সকালে সেনাবাহিনীর কয়েকটি ব্যাটালিয়ন ও রেজিমেন্টকে ন্যাশনাল স্ট্যান্ডার্ড বা জাতীয় পতাকা প্রদান অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে প্রধানমন্ত্রী এসব কথা বলেন।

নবম পদাতিক ডিভিশনের আয়োজনে অনুষ্ঠিত এ অনুষ্ঠানে মন্ত্রিসভার সদস্য, উপদেষ্টা, সেনাবাহিনী প্রধান, বিদেশি কূটনীতিক এবং সশস্ত্র বাহিনীর সাবেক ও বর্তমান কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

পেশাগত সাফল্যের স্বীকৃতিস্বরূপ এদিন ৭ ও ৩২ ফিল্ড রেজিমেন্ট আর্টিলারি, ২৫ এয়ার ডিফেন্স রেজিমেন্ট, ৯ ইঞ্জিনিয়ার ব্যাটালিয়ন, ৫৬ ও ৫৭ ইস্ট বেঙ্গল এবং প্রেসিডেন্ট গার্ড রেজিমেন্ট (পিজিআর) জাতীয় পতাকা অর্জন করে।

সেনাবাহিনীর এই অর্জনে অভিনন্দন জানিয়ে তারেক রহমান বলেন, ন্যাশনাল স্ট্যান্ডার্ড শুধু একটি পতাকা নয়; এটি একটি ইউনিটের ইতিহাস, ঐতিহ্য, শৃঙ্খলা, আত্মত্যাগ, পেশাদারত্ব ও দেশের প্রতি অঙ্গীকারের প্রতীক। জাতীয় পতাকা অর্জনের মধ্য দিয়ে অর্পিত দায়িত্ব আরও নিষ্ঠার সঙ্গে পালনের নতুন শপথ নিতে হয়।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, বর্তমান বিশ্বে জাতীয় নিরাপত্তার ধারণা দ্রুত বদলে যাচ্ছে। স্থল, সমুদ্র ও আকাশের পাশাপাশি সাইবার স্পেস, মহাকাশ, ড্রোন, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই), ইলেকট্রনিক যুদ্ধ এবং তথ্যভিত্তিক সক্ষমতা এখন জাতীয় নিরাপত্তার গুরুত্বপূর্ণ অংশ। এ বাস্তবতায় সময়ের সঙ্গে তাল মিলিয়ে দেশের প্রতিরক্ষা প্রস্তুতি এগিয়ে নেওয়া হচ্ছে।

তিনি বলেন, সশস্ত্র বাহিনীর আধুনিকায়নের পাশাপাশি প্রয়োজনীয় অস্ত্র, গোলাবারুদ ও অন্যান্য প্রতিরক্ষা সরঞ্জাম দেশেই উৎপাদনের লক্ষ্যে দেশীয় প্রতিরক্ষা শিল্প প্রতিষ্ঠায় সরকার গুরুত্ব দিচ্ছে। সেনা, নৌ ও বিমানবাহিনী যেন প্রয়োজনের মুহূর্তে সমন্বিতভাবে কাজ করতে পারে, সেজন্য আধুনিক প্রযুক্তি ও প্রশিক্ষণের ওপরও জোর দেওয়া হচ্ছে।

সশস্ত্র বাহিনীর সদস্যদের কল্যাণে সরকারের বিভিন্ন উদ্যোগ তুলে ধরে তারেক রহমান বলেন, জাতীয় পে-স্কেলে সশস্ত্র বাহিনীর সদস্যদের বেতন-ভাতা ১০০ থেকে ১৩৮ শতাংশ পর্যন্ত বাড়ানো হয়েছে।

সেনাসদস্যদের জীবনযাত্রার মান আরও উন্নত করতে ‘ওয়ান র‍্যাংক, ওয়ান পেনশন’ ব্যবস্থা বাস্তবায়নের বিষয়টি প্রক্রিয়াধীন রয়েছে বলেও জানান তিনি। সেনাসদস্যদের আবাসন, চিকিৎসা, শিক্ষা, প্রশিক্ষণ এবং অবসর-পরবর্তী সামাজিক নিরাপত্তার বিষয়গুলো সরকার গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করছে।

দেশের অভ্যন্তরে প্রাকৃতিক দুর্যোগ ও জরুরি পরিস্থিতি মোকাবিলা এবং বিদেশে জাতিসংঘের শান্তিরক্ষা মিশনে সশস্ত্র বাহিনীর সদস্যদের ভূমিকারও প্রশংসা করেন প্রধানমন্ত্রী।

Manual3 Ad Code

প্রধানমন্ত্রী বলেন, স্বাধীনতা ও মুক্তিযুদ্ধের মধ্য দিয়েই বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর জন্ম। শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ভূমিকা স্মরণ করে তিনি বলেন, ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ রাতে পাকিস্তানি বাহিনী নিরস্ত্র বাঙালিদের ওপর হামলা শুরু করলে অষ্টম ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টের তৎকালীন উপ-অধিনায়ক মেজর জিয়াউর রহমান বিদ্রোহের ঘোষণা দেন। পরে ২৬ মার্চ সশস্ত্র প্রতিরোধের নির্দেশ দেন এবং ২৭ মার্চ কালুরঘাট বেতার কেন্দ্র থেকে স্বাধীনতার ঘোষণা দেন, যা দেশে-বিদেশে ছড়িয়ে পড়ে।

জিয়াউর রহমানের লেখা ‘একটি জাতির জন্ম’ নিবন্ধের উদ্ধৃতি দিয়ে তারেক রহমান বলেন, বাংলাদেশের স্বাধীনতাযুদ্ধের সঙ্গে সেনাবাহিনীর জন্মের ইতিহাস অঙ্গাঙ্গিভাবে জড়িত। এ কারণে দেশপ্রেমিক জনগণ সেনাবাহিনীর সাফল্যকে বাংলাদেশের সাফল্য হিসেবে বিবেচনা করে।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, জাতীয় স্বার্থ, সার্বভৌমত্ব ও আত্মমর্যাদা রক্ষা হবে আগামীর বাংলাদেশের মূল অঙ্গীকার। পারস্পরিক শ্রদ্ধা ও সমতার ভিত্তিতে বিশ্বের সব দেশের সঙ্গে বন্ধুত্ব ও সহযোগিতা আরও সুদৃঢ় করতে চায় বাংলাদেশ।

বিডি প্রতিদিন

Latif Travels
Metropolitan University

আপনার প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞাপনের জন্য যোগাযোগ করুন

📞 মোবাইল: +8801712540420

✉️ ইমেইল: pavel.syl@gmail.com