নি*হ*ত যুবদল নেতা বদরুল আলমের স্বজনদের পাশে আব্দুল হাকিম চৌধুরী
নিজস্ব প্রতিবেদক
সিলেটের গোয়াইনঘাট উপজেলার রুস্তুমপুর ইউনিয়নের গুরাগ্রামে দূর্বৃত্তদের হামলায় নিহত যুবদল নেতা বদরুল আলমের স্বজনদের পাশে থেকে সার্বিক সহযোগিতার আশ্বাস দিয়েছেন গোয়াইনঘাট উপজেলা পরিষদের সাবেক একাধিক বারের চেয়ারম্যান ও সিলেট জেলা বিএনপির সাবেক সহসভাপতি আব্দুল হাকিম চৌধুরী।
বুধবার (২১ অক্টোবর) বিকেলে গোয়াইনঘাট উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আব্দুল হাকিম চৌধুরীর নেতৃত্বে উপজেলা বিএনপির সভাপতি মাহবুব আলম, সাধারণ সম্পাদক জসিম উদ্দিন ও সাংগঠনিক সম্পাদক জয়নাল আবেদীনসহ গোয়াইনঘাট উপজেলা বিএনপির একটি প্রতিনিধি দল রুস্তুমপুর ইউনিয়নের হাদারপার গ্রামে নিহত বদরুল আলমের বাড়িতে উপস্থিত হয়ে তার স্বজনদের সাথে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন।
এসময় বদরুল আলমের অবুঝ দুই শিশুর খোঁজ খবর নেন।
সাক্ষাৎকালে নিহত বদরুল আলমের বড় ভাই মাওলানা আখলাকুল আম্বিয়া বিএনপির প্রতিনিধি দলকে জানান, এ হত্যাকাণ্ডের মামলার এজাহার নামীয় একজন আসামি গ্রেপ্তার হলেও প্রধান আসামিসহ অন্যান্য আসামিদের এখনো গ্রেপ্তার করতে পারেনি গোয়াইনঘাট থানা পুলিশ। তিনি সুষ্ঠু তদন্ত করে দ্রুত আসামিদের গ্রেপ্তার এবং দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান।
এসময় গোয়াইনঘাট উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান আব্দুল হাকিম চৌধুরী ও উপজেলা বিএনপির নেতৃবৃন্দ বদরুল আলমের স্বজনদের শান্তনা দিয়ে তাদের পাশে থেকে সার্বিক সহযোগিতা করার আশ্বাস দেন।
অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন- গোয়াইনঘাট উপজেলা বিএনপির সহ সভাপতি ওসমান গনি, ১ম যুগ্ম সম্পাদক মাহবুব আহমেদ, রুস্তম পুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান সাহাব উদ্দিন শিহাব, রুস্তম পুর ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি ইউনুস আলী, ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক ইমাম উদ্দিন সহ উপজেলা বিএনপি এবং ইউনিয়ন বিএনপি ও অঙ্গ সহযোগী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ।
এসময় নিহত বদরুল আলমের বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা করে মোনাজাত অনুষ্ঠিত হয়।
উল্লেখ্য, গত ১১ অক্টোবর ভোরে গোয়াইনঘাটের রুস্তমপুর ইউনিয়নের গোরাগ্রাম মসজিদসংলগ্ন সড়কে দুর্বৃত্তদের হামলায় বদরুল আলম নিহত হন। এ ঘটনায় তাঁর বড় ভাই আখলাকুল আম্বিয়া বাদী হয়ে ১১ জনকে আসামি করে গোয়াইনঘাট থানায় মামলা করেন। নিহত বদরুল আলম হাদারপার গ্রামের মৃত তজম্মুল আলীর ছেলে এবং রুস্তমপুর ইউনিয়ন ছাত্রদলের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক ছিলেন।