• সিলেট, রাত ৮:০২, ৮ই মার্চ, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ

দাঁড়িপাল্লার গণজোয়ার দেখে প্র তি প ক্ষ অ প প্র চা রে মেতে উঠেছেন

admin
প্রকাশিত ফেব্রুয়ারি ৯, ২০২৬
দাঁড়িপাল্লার গণজোয়ার দেখে প্র তি প ক্ষ অ প প্র চা রে মেতে উঠেছেন

Manual7 Ad Code

দাঁড়িপাল্লার গণজোয়ার দেখে প্র তি প ক্ষ অ প প্র চা রে মেতে উঠেছেন

Manual4 Ad Code

অনলাইন ডেস্ক

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় নির্বাচনে সিলেট-১ আসনে দাঁড়িপাল্লার গণজোয়ার দেখে প্রতিদ্বন্দ্বি পক্ষ অপপ্রচার চালাচ্ছে বলে অভিযোগ তুলেছে জামায়াত। নিজেদের প্রার্থীর ৮৪০ কোটি টাকা ঋণের তথ্য আড়াল করতেই ১১ দলীয় জোট প্রার্থী মাওলানা হাবিবুর রহমানের বিরুদ্ধে ঋণের অপপ্রচারে মেতে উঠেছেন তারা। প্রতিপক্ষ ভোটের মাঠে প্রভাব বিস্তার করতে একের পর এক আচরণবিধি লংঘন করে সিলেটের রাজনৈতিক সম্প্রীতি বিনষ্টে মেতে উঠেছে। সোমবার (৯ ফেব্রুয়ারি) বেলা ১২টায় নগরীর ধোপাদিঘীরপারস্থ ইউনাইটেড কমিউনিটি সেন্টারে সিলেট-১ (মহানগর ও সদর) আসনে জামায়াত ও ১১ দলীয় জোট মনোনীত সংসদ সদস্য পদপ্রার্থী মাওলানা হাবিবুর রহমানের দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের প্রধান নির্বাচনী কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত প্রেস ব্রিফিংয়ে সিলেট মহানগর জামায়াত আমীর মো. ফখরুল ইসলাম উপরোক্ত কথা বলেন।

Manual7 Ad Code

এসময় জামায়াত নেতৃবৃন্দ ছাড়াও ১১ দলীয় জোটের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। প্রেস ব্রিফিংয়ে সিলেটে কর্মরত বিভিন্ন প্রিন্ট, ইলেকট্রনিক ও অনলাইন মিডিয়ার সাংবাদিকবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। প্রেস ব্রিফিংয়ে বক্তব্য রাখেন ও সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দেন জামায়াতের কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য, সিলেট মহানগরী আমীর ও মহানগর ১১ দলীয় জোটের সমন্বয়কারী মুহাম্মদ ফখরুল ইসলাম।

তিনি বলেন, যদি ভোটাররা নির্বিঘ্নে ভোট দিতে পারে তাহলে ১১ দলীয় জোটের বিজয় হবে। এজন্য প্রতিপক্ষ বন্ধুগণ আবোলতাবোল বকছেন। সাবেক সিটি মেয়র মরহুম বদর উদ্দিন আহমদ কামরান ও এডভোকেট মিসবাহ উদ্দিন সিরাজের সাথে মাওলানা হাবিবুর রহমানের কোন পার্টনারশীপ ব্যবসা কোনদিন ছিলনা। এটি নিয়েও তারা অপপ্রচার করছে। সিলেট-৩ আসনে জোটের প্রার্থী মাওলানা মুসলেহ উদ্দিন রাজুর রিক্সা প্রতীকের ব্যানার ফেস্টুন ছিড়ে ফেলা হয়েছে। সিলেট-৪ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীর স্ত্রীর ঔদ্ধত্যপূর্ণ আচরণ সিলেটবাসীকে হতবাক করেছে। যা কোনভাবে কাম্য নয়। সিলেট-১ আসনের প্রতিদ্বন্দ্বি প্রার্থী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির নির্বাচনী আচরণবিধি লংঘন করে স্কলার্সহোমের টিচার্স সম্মেলনে বক্তব্য রেখেছেন। দক্ষিণ সুরমার লতিফা শফি কলেজের শিক্ষক সম্মেলনেও এক প্রার্থী আচরণবিধি লংঘন করে বক্তব্য রেখেছেন।

মুহাম্মদ ফখরুল ইসলাম বলেন, প্রতিদ্বন্দ্বী বন্ধুদের সাথে আমরা দীর্ঘদিন শুধু আন্দোলন সংগ্রামই করিনি, একসাথে জেল খেটেছি, এক বেডে ঘুমিয়েছি, এমনকি এক কাপ চা দুজনে ভাগ করে খেয়েছি। তাই আমরা রাজনৈতিক সহমর্মিতায় বিশ্বাসী। কিন্তু প্রতিপক্ষ বন্ধুগণ পরিকল্পিতভাবে আগামী নির্বাচনকে প্রশ্নবিদ্ধ করতে এবং ভোটের মাঠে প্রভাব বিস্তারের ষড়যন্ত্র করছেন। আমাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ তুলছেন আমরা নাকি কেন্দ্র দখলের ও টাকা দিয়ে ভোট কেনার প্রস্তুতি নিচ্ছি। দখল বাণিজ্য ও টাকা দিয়ে ভোট কারা কিনেন সিলেটের মানুষ জানে। কেন্দ্র দখল ও টাকা দিয়ে ভোট কেনা আমাদের আদর্শ ও নৈতিকতার সাথে যায়না। তাদের নগদ লেনদেনের তথ্য আড়াল করতেই মিথ্যাচারে নেমেছেন। সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড ও দখলের সাথে কারা জড়িত সিলেটবাসীর জানা রয়েছে।

 

Manual2 Ad Code

 

তিনি আরো বলেন, ৫ আগস্টের গণঅভ্যুত্থানের পর আমরাই প্রথম সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি রক্ষায় উদ্যোগ নিয়েছিলাম। ভিন্ন ধর্মাবলম্বীদের বাসা-বাড়ী, ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ও মন্দির পাহারা দিয়েছিলাম। গণঅভ্যুত্থানের পর সিলেটের সবচেয়ে বেশী বাসা-বাড়ী ও মন্ডপ-আশ্রমে পুজা অনুষ্ঠান উদযাপিত হয়েছে। আমাদের ভাইয়েরা সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিতে মাঠে ছিলেন। যা সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির উজ্জল দৃষ্টান্ত। কিন্তু প্রতিপক্ষ বন্ধুগণ পতিত ফ্যাসিস্ট সরকারের ন্যায় ভিন্ন ধর্মাবলম্বীদের ভোট টানতে মিথ্যার আশ্রয় নিচ্ছেন। আমরা নাকি তাদেরকে ভোটকেন্দ্রে যেতে হুমকী ধামকী দিচ্ছি। আমরা ক্ষমতায় গেলে নাকি অন্য ধর্মের মানুষ ধর্মীয় অনুষ্ঠানাদি পালন করতে পারবেন না। এসব অভিযোগ শুধু মিথ্যা বানোয়াটই নয় বরং হাস্যকর। সিলেটের সাংবাদিক সমাজই এর বাস্তব স্বাক্ষী। সিলেট উইমেন্স মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান জামায়াত আমীর। সেই প্রতিষ্ঠানের সাথে সকল দলের, সকল মতের মানুষ সম্পৃক্ত রয়েছেন। এমনকি সেই প্রতিষ্ঠানে বিপুল সংখ্যক ভিন্ন ধর্মাবলম্বী অত্যন্ত সুনামের সাথে কাজ করছেন। এই প্রতিষ্ঠানের প্রায় ৪০ শতাংশ শিক্ষার্থী বিদেশী এবং তারা পার্শ্ববর্তী প্রতিবেশী দেশ গুলো। বিগত পুজা অনুষ্ঠানে শিক্ষার্থীরা সেই প্রতিষ্ঠানে নির্বিঘ্নে পুজা উদযাপন করেছেন। এর মাধ্যমে আমরা যে অন্যধর্মের প্রতি কতটা শ্রদ্ধাশীল সেটা প্রমাণিত হয়।

Manual8 Ad Code

মুহাম্মদ ফখরুল ইসলাম বলেন, আমরা বার বার তাগিদ দেয়ার পরও সন্ত্রাসীদের গ্রেফতার ও অস্ত্র উদ্ধারের কোন অগ্রগতি হয়নি। ফলে জনমনে শঙ্কা বিরাজ করছে। এখন পর্যন্ত প্রশাসন নিরপেক্ষ ভুমিকা পালন করছে। কিন্তু প্রতিদ্বন্দ্বি প্রার্থীর জোর জবরদস্তিমূলক কার্যক্রম প্রশাসনকে প্রভাবিত করার আশঙ্কা সৃষ্টি করেছে। এক চিহ্নিত ছিনতাইকারীকে গ্রেফতার করায় প্রতিপক্ষ দলের একটি ওয়ার্ডের সাবেক সাধারণ সম্পাদকের নেতৃত্বে প্রকাশ্যে পুলিশ ফাঁড়িতে হামলা চালানো হয়েছে। পুলিশ সদস্যগণ হেনস্থার শিকার হয়েছেন। এজন্য প্রতিপক্ষ দল কর্তৃক ওসির অপসারণের দাবি জানিয়েছেন। সেটা আমাদের জন্য দুর্ভাগ্য। এতে প্রশাসন অপরাধীদের গ্রেফতারে নিরুৎসাহিত হবে। ভোটের মাঠে নিরাপত্ত বিঘ্নিত হবে। আমরা দেখেছি ২ জন তালিকাভুক্ত দাগী সন্ত্রাসীকে অস্ত্রসহ যৌথবাহিনী গ্রেফতার করেছিল। কিন্তু প্রতিপক্ষের চাপে তাদেরকে ৫৪ ধারায় গ্রেফতার দেখিয়ে আবার মুক্ত করে ফুলের মালা পরিয়ে বরণ করেছেন। এর মাধ্যমে সন্ত্রাসী, দখলবাজ ও চাঁদাবাজদের উৎসাহিত করা হচ্ছে। যা অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচনের জন্য হুমকী স্বরুপ।

 

 

প্রেস ব্রিফিংয়ে উপস্থিত ছিলেন- সিলেট-১ আসনের নির্বাচন পরিচালনা কমিটির সদস্য সচিব ও সিলেট মহানগর নায়েবে আমীর ড. নূরুল ইসলাম বাবুল, জাতীয় নাগরিক পার্টি-এনসিপির কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক এহতেশামুল হক, সিলেট মহানগর আহ্বায়ক এডভোকেট আব্দুর রহমান আফজল, জেলা আহ্বায়ক জুনেদ আহমদ, খেলাফত মজলিসের সিলেট মহানগর সভাপতি হাফিজ মাওলানা তাজুল ইসলাম হাসান, এলডিপির সিলেট মহানগর সভাপতি মোজাম্মেল হোসেন লিটন, এবি পার্টির সিলেট মহানগর আহ্বায়ক মো. ওমর ফারুক, জাগপা সিলেট মহানগর সভাপতি শাহজাহান আহমদ লিটন, বিডিপি সিলেট মহানগর আহ্বায়ক কবির আহমদ, মহানগর জামায়াতের সেক্রেটারী মোহাম্মদ শাহজাহান আলী, সহকারী সেক্রেটারী জাহেদুর রহমান চৌধুরী ও মাওলানা ইসলাম উদ্দিন প্রমূখ।

Latif Travels
Metropolitan University

আপনার প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞাপনের জন্য যোগাযোগ করুন

📞 মোবাইল: +8801712540420

✉️ ইমেইল: pavel.syl@gmail.com