• সিলেট, রাত ৪:৫৭, ৩১শে মে, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ

‘তিস্তা মহাপরিকল্পনা ও গঙ্গা পানিবণ্টন চুক্তি নিয়ে টেকনিক্যাল কমিটি কাজ করছে’

admin
প্রকাশিত এপ্রিল ১, ২০২৬
‘তিস্তা মহাপরিকল্পনা ও গঙ্গা পানিবণ্টন চুক্তি নিয়ে টেকনিক্যাল কমিটি কাজ করছে’

Manual6 Ad Code

কথা বলছেন পানিসম্পদ মন্ত্রী শহীদউদ্দীন চৌধুরী এ্যানী। ছবি: ভিডিও থেকে নেওয়া

Manual3 Ad Code

‘তিস্তা মহাপরিকল্পনা ও গঙ্গা পানিবণ্টন চুক্তি নিয়ে টেকনিক্যাল কমিটি কাজ করছে’

অনলাইন ডেস্ক

 

তিস্তা মহাপরিকল্পনা নিয়ে নিয়মিত কারিগরি পর্যায়ে কাজ চললেও এখনো তা সিদ্ধান্তমূলক পর্যায়ে পৌঁছেনি বলে জানিয়েছেন পানিসম্পদ মন্ত্রী মো. শহীদউদ্দীন চৌধুরী এ্যানী।

Manual4 Ad Code

বুধবার সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে অনুষ্ঠিত এক সভা শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘এটা আলোচনা তো আমরা প্রায় মিটিং করি। সেটা খুবই শর্ট মিটিং এবং এটা টেকনিক্যাল পর্যায়ে, কারিগরি এক্সপার্ট যারা আছেন তারা কীভাবে কাজ করবেন তারা তাদের কাজ করছে। এটাকে আমরা এখনও অ্যাড্রেস করার মতো পজিশন হয়নি। তবে আমরা এই কাজ অব্যাহত রেখেছি, এটা আমাদের নিয়মিত মিটিং চলছে, রুটিন ওয়ার্ক আমাদের কন্টিনিউ হচ্ছে।’

গঙ্গা পানি বণ্টন চুক্তির মেয়াদ আগামী ডিসেম্বরে শেষ হতে যাচ্ছে—এ বিষয়ে প্রশ্ন করা হলে মন্ত্রী বলেন, ‘আমাদের টেকনিক্যাল টিম কাজ করছে, এই ব্যাপারে আমাদের রুটিন ওয়ার্ক চলছে।’

এদিকে, খাল খনন কর্মসূচির অগ্রগতি সম্পর্কেও কথা বলেন তিনি। জানান, চলতি এপ্রিল মাসে ঝিনাইদহ ও ফেনীতে নতুন দুটি খাল খনন প্রকল্পের উদ্বোধন করা হবে, যেখানে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান উপস্থিত থাকবেন।

Manual3 Ad Code

মন্ত্রী বলেন, ‘দিনাজপুরের কাহারোল উপজেলার একটা খাল আমরা উদ্বোধনী কাজ সমাপ্ত করেছি এবং সেই খালের কার্যক্রম চলমান রয়েছে। পাশাপাশি এই এপ্রিল মাসে আমরা আরও দুটো খাল খননের কর্মসূচি হাতে নিচ্ছি, যেটি প্রধানমন্ত্রী উদ্বোধন করবেন। একটি হলো ঝিনাইদহ জেলার শৈলকূপা, আরেকটি সম্ভবত ফেনীতে হবে।’

তিনি আরও জানান, প্রধানমন্ত্রী সরাসরি এসব কর্মসূচিতে অংশ নেবেন এবং মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রীরাও মাঠপর্যায়ে তদারকি করছেন।

সরকারের বৃহৎ খাল খনন পরিকল্পনা নিয়েও আলোচনা হয়েছে বলে জানান মন্ত্রী। তিনি বলেন, ‘এই কার্যক্রমগুলোকে ত্বরান্বিত করা এবং প্রধানমন্ত্রীর খাল খনন কর্মসূচি কবে নাগাদ আমরা এটি উদ্বোধন করবো সেটি নিয়ে আমরা দীর্ঘ আলোচনা করেছি। মেইন কাজটা হলো যে ১৮০ দিনের কার্যক্রম, কার্যসূচি যেন আমরা নির্ধারিত সময়ে যেটি আমরা জনগণের সামনে তুলে ধরেছি সেটা যেন আমরা খুব দ্রুত সমাপ্ত করতে পারি। পাশাপাশি আমাদের যেটা টার্গেট ২০ হাজার কিলোমিটার খাল খনন কর্মসূচি, সেটি কবে নাগাদ আমরা চলমান বা দৃশ্যমান করবো, সেটি নিয়ে আমাদের আলোচনা হয়েছে।’

নদী দখল ও দূষণ প্রসঙ্গে কঠোর পদক্ষেপের কথাও জানান তিনি। মন্ত্রী বলেন, ‘এর সঙ্গেই সবকিছু জড়িত। কারণ ২০ হাজার কিলোমিটার খাল খনন কর্মসূচি যখন আমরা সমাপ্ত করতে যাবো, তাহলে বুঝতেই হবে যে এখানে অনেকগুলো প্রতিবন্ধকতা আছে, অনেকগুলো বাধা আছে। অনেক জায়গায় বিভিন্ন শিল্প কলকারখানার বর্জ্য-আবর্জনা এখানে স্তূপ হয়ে আছে। অনেক জায়গায় কেউ দোকান, কেউ বাড়িঘর অনেক জায়গায় নির্মাণ করেছেন। এগুলোকে আমাদের অবমুক্ত করতে হবে এবং সেজন্য আমরা কঠিন পদক্ষেপ হাতে নিয়েছি, যেন সবকিছু সুন্দরভাবে আমরা সমাধান করতে পারি। সেই টার্গেট আমরা ফুলফিল করার জন্যই আজকে আমাদের এই মিটিং এবং এই মিটিংয়ে আমরা মোটামুটি সবাই আশাবাদী যে আমরা এই কার্যক্রমকে এগিয়ে নেওয়ার ক্ষেত্রে যা যা করা দরকার সমন্বিতভাবে সেটাকে সমাপ্ত করবো ইনশাআল্লাহ।’

বিডি প্রতিদিন

Manual2 Ad Code

Latif Travels
Metropolitan University

আপনার প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞাপনের জন্য যোগাযোগ করুন

📞 মোবাইল: +8801712540420

✉️ ইমেইল: pavel.syl@gmail.com