সিলেটে আ*ত্ম*হ*ত্যা প্রতিরোধে দায়িত্বশীল মিডিয়া রিপোরটিং বিষয়ে কর্মশালা
নিজস্ব প্রতিবেদক
সিলেট ব্যুরোআত্মহত্যা প্রতিরোধে দায়িত্বশীল মিডিয়া রিপোরটিং বিষয়ে সিলেটে দিনব্যাপী কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
বুধবার (২১ এপ্রিল) সকাল ১০টায় টেলিসাইকিয়াট্রি রিসার্চ অ্যান্ড ইনোভেশন নেটওয়ার্ক লিমিটেড এবং জাতীয় মানসিক স্বাস্থ্য হাসপাতাল ও ইন্সটিটিউট এবং ডাব্লিউ এইচ ও এর লাইভ লাইফের উদ্যোগে কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়।
কর্মশালায় সিলেটের ২৩ জন সাংবাদিক অংশগ্রহণ করেন।
সিলেট সিভিল সার্জন অফিসে কর্মশালা উদ্বোধন করেন সিলেটের সিভিল সার্জন ডা. মো. নাসির উদ্দিন।
কর্মশালায় বিশেষ অতিথি ছিলেন- ডেপুটি সিভিল সার্জন ডা. জন্মেজয় দত্ত, ডাব্লিউ এইচ ও সিলেট ডিভিশনাল কো অর্ডিনেটর সুফি মো. খালিদ বিন লুৎফর, ডাব্লিউ এইচ ও সিলেট জেলার প্রোগ্রাম অফিসার ডা. মো. আমানত উল্লাহ।
কর্মশালা পরিচালনা করেন মানসিক রোগ বিশেষজ্ঞ ওটেলিসাইকিয়াট্রি রিসার্চ অ্যান্ড ইনোভেশন নেটওয়ার্ক লিমিটেডের ব্যবস্থপনা পরিচালক ডা. তানজির রশিদ সরণ, সিলেট জেলা প্রেসক্লাবের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও বাংলাদেশ প্রতিদিনের সিলেট ব্যুরো প্রধান শাহ দিদার আলম নোবেল, কালের কন্ঠের সিলেট ব্যুরো প্রধান ইয়াহিয়া ফজল।
কর্মশালা অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন টেলিসাইকিয়াট্রি রিসার্চ এন্ড ইনোভেশন নেটওয়ার্ক লিমিটেডের প্রোগ্রাম ম্যানেজার ডা. কাজী শামীন আজমিরি।
কর্মশালায় জানানো হয়, দেশের প্রায় ২০ ভাগ মানুষ মানসিক সমস্যায় ভোগে। ১০ শতাংশের কম মানুষ মানসিক সমস্যার চিকিৎসা পায় না। দেশের ৬.৭ শতাংশ মানুষ ডিপ্রেশনে ভোগেন। এবং প্রতি বছর বাংলাদেশে ১০ থেকে ১২ হাজার মানুষ আত্মহত্যা করেন। তাই এধরনের স্পর্শকাতর রিপোর্টিংয়ে দায়িত্বশীল হওয়া প্রয়োজন। আত্মহত্যা প্রতিরোধে মানসিক স্বাস্থ্যের যত্ন নেওয়ার পাশাপাশি ব্যক্তিগত, পারিবারিক, সামাজিক, অর্থনৈতিক, শারীরিক বিষয়গুলোকে প্রাধান্য দেওয়া উচিত। এবং চিকিৎসকের স্মরানাপন্ন হওয়া প্রয়োজন।
কর্মশালায় প্রধান অতিথি সিলেটের সিভিল সার্জন ডা. মো. নাসির উদ্দিন বলেন, মানসিক স্বাস্থ্য দেখা যায় না। তাই এর ছড়াছড়ি বাড়ছে। সাংবাদিকদের এ বিষয়টা সিরিয়াসলি নেওয়া দরকার এবং এ বিষয় সংবাদ পরিবেশন করা প্রয়োজন। এছাড়া প্রাথমিক পর্যায়ে যদি চিকিৎসা সেবা নেওয়া যায় তাহলে আত্মহত্যা প্রবনতা রোধ করা যাবে।