• সিলেট, রাত ৩:১৯, ২৭শে জুন, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ

বাংলাদেশ-তুরস্ক সাংস্কৃতিক সম্পর্কের নতুন অধ্যায়, সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর

admin
প্রকাশিত জুন ৫, ২০২৬
বাংলাদেশ-তুরস্ক সাংস্কৃতিক সম্পর্কের নতুন অধ্যায়, সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর

Manual2 Ad Code

বাংলাদেশ-তুরস্ক সাংস্কৃতিক সম্পর্কের নতুন অধ্যায়, সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর
অনলাইন ডেস্ক

Manual5 Ad Code

 

বাংলাদেশ ও তুরস্কের মধ্যকার বিদ্যমান ঐতিহাসিক ও সাংস্কৃতিক সম্পর্ককে আরও সুদৃঢ় করতে সাংস্কৃতিক সম্পদ সুরক্ষাবিষয়ক একটি যুগান্তকারী সমঝোতা স্মারক (MoU) স্বাক্ষরিত হয়েছে। আজ শুক্রবার (৫ জুন) রাজধানীর হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালের প্রিমিয়াম লাউঞ্জে আয়োজিত এক জাঁকজমকপূর্ণ অনুষ্ঠানে এই চুক্তি সম্পন্ন হয়। বাংলাদেশের পক্ষে সংস্কৃতিবিষয়ক মন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরী এবং তুরস্কের পক্ষে দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী হাকান ফিদান নিজ নিজ সরকারের পক্ষে এই সমঝোতা স্মারকে স্বাক্ষর করেন।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান এবং পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম। এ ছাড়া উভয় দেশের সংস্কৃতি ও পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ এবং তুরস্কের উচ্চপর্যায়ের একটি প্রতিনিধিদল এই ঐতিহাসিক মুহূর্তে উপস্থিত ছিলেন।

এই সমঝোতা স্মারকের মাধ্যমে সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য সংরক্ষণ, প্রত্নসম্পদ রক্ষা, আধুনিক জাদুঘর ব্যবস্থাপনা, মহাফেজখানার ঐতিহাসিক নথি ও গ্রন্থাগার সামগ্রী সংরক্ষণ, ডিজিটাইজেশন এবং পুনরুদ্ধার কার্যক্রমে বাংলাদেশ ও তুরস্কের মধ্যে দীর্ঘমেয়াদি সহযোগিতার এক নতুন দিগন্ত উন্মুক্ত হলো। এর আগে দুই দেশের মধ্যে স্বাক্ষরিত ১৯৮১ সালের সাংস্কৃতিক চুক্তি এবং ২০১২ সালের শিক্ষা, বিজ্ঞান, সংস্কৃতি, শিল্প, প্রেস ও তথ্য, যুব ও ক্রীড়াবিষয়ক সহযোগিতা কর্মসূচির ধারাবাহিকতা বজায় রেখেই নতুন এই দ্বিপাক্ষিক চুক্তিটি সম্পাদিত হয়েছে।

Manual1 Ad Code

নতুন এই চুক্তির আওতায় উভয় দেশ ইউনেস্কোর ১৯৭০ সালের কনভেনশনের আলোকে সাংস্কৃতিক সম্পদের অবৈধ আমদানি, রফতানি ও মালিকানা হস্তান্তর প্রতিরোধে যৌথভাবে কাজ করার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেছে। একইসঙ্গে দুই দেশের প্রত্নতাত্ত্বিক অনুসন্ধান, আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার, সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের দুর্যোগঝুঁকি হ্রাস এবং প্রাচীন সম্পদের সঠিক তালিকাভুক্তি ও নথিবদ্ধকরণে পারস্পরিক সহযোগিতা বহুগুণ বৃদ্ধি করা হবে।

Manual3 Ad Code

চুক্তি স্বাক্ষর শেষে সংস্কৃতিমন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরী বলেন, এই সমঝোতা স্মারক বাংলাদেশ ও তুরস্কের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ককে আরও গভীর ও বিস্তৃত করবে। বিশেষ করে তুরস্কের আধুনিক প্রত্নতাত্ত্বিক প্রযুক্তি ও দীর্ঘ অভিজ্ঞতা বাংলাদেশের সমৃদ্ধ সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য সংরক্ষণে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন। অন্যদিকে, তুরস্কের পররাষ্ট্রমন্ত্রী হাকান ফিদান বাংলাদেশের সমৃদ্ধ ইতিহাস ও অনন্য সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের ভূয়সী প্রশংসা করেন এবং এই সমঝোতা স্মারকের প্রতিটি শর্ত বাস্তবায়নে তুরস্ক সরকারের পক্ষ থেকে পূর্ণ সহযোগিতার দৃঢ় আশ্বাস দেন। সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, এই চুক্তি দুই বন্ধুপ্রতীম দেশের সাংস্কৃতিক সহযোগিতার ক্ষেত্রে একটি ঐতিহাসিক মাইলফলক হিসেবে অবদান রাখবে।

বিডি প্রতিদিন

Manual1 Ad Code

Latif Travels
Metropolitan University

আপনার প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞাপনের জন্য যোগাযোগ করুন

📞 মোবাইল: +8801712540420

✉️ ইমেইল: pavel.syl@gmail.com