মুক্তিযুদ্ধ ও শহীদ জিয়া একই সূত্রে গাঁথা : মুক্তাদির
অনলাইন ডেস্ক
বিএনপি চেয়ারপার্সনের উপদেষ্টা ও সিলেট–১ আসনের সংসদ সদস্য প্রার্থী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির বলেছেন, ১৯৭১ সালের ২৫শে মার্চ পাক হনাদার বাহিনী ও তাদের এদেশীয় দোসররা ঘুমিয়ে থাকা নিরীহ জাতির উপর গণহত্যা চালানোর পর তৎক্ষালিন মেজর জিয়ার রহমান দীপ্ত কণ্ঠে মহান স্বাধীনতার ঘোষনা দিয়েছিলেন। মুক্তিযুদ্ধের রণাঙ্গনে একজন বীর সেনানায়ক হিসেবে শহীদ জিয়াউর রহমান যে সাহস, নেতৃত্ব ও দেশপ্রেমের পরিচয় দিয়েছেন, তা ছাড়া স্বাধীনতার ইতিহাস পূর্ণতা পায় না।
কালুরঘাট বেতার কেন্দ্র থেকে তার স্বাধীনতার ঘোষণা মুক্তিযুদ্ধকে সংগঠিত ও বেগবান করেছিল। মহান মুক্তিযুদ্ধে জাতির শ্রেষ্ঠ সেনানায়ক জেনারেল এম. এ. জি. ওসমানীর নেতৃত্বে মুক্তিবাহিনী যে সশস্ত্র সংগ্রাম গড়ে তুলেছিল, তার কৌশলগত দিকনির্দেশনা ও সামরিক শৃঙ্খলাই বিজয়কে ত্বরান্বিত করে। এই দুই মহান নেতার অবদান ইতিহাসের পাতায় চির অম্লান হয়ে থাকবে। তাই শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ও মুক্তিযুদ্ধ একই সূত্রে গাঁথা।
মঙ্গলবার (১৬ ডিসেম্বর) সকালে সিলেট কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে মহান বিজয় দিবস উপলক্ষে সিলেট মহানগর বিএনপির পক্ষ থেকে শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে সাংবাদিকদের সাথে আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেন।
তিনি আরও বলেন, স্বাধীনতা শুধু অর্জন করলেই শেষ নয়—তা রক্ষা করাও এক বিরাট চ্যালেঞ্জ। সেই চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া গণতন্ত্র, জাতীয় সার্বভৌমত্ব ও জনগণের অধিকার রক্ষায় আপসহীন ভূমিকা পালন করেছেন। তার নেতৃত্বেই স্বাধীনতার চেতনা বারবার পুনরুজ্জীবিত হয়েছে।মুক্তিযুদ্ধের যে স্বপ্ন—একটি গণতান্ত্রিক, ন্যায়ভিত্তিক ও মর্যাদাপূর্ণ রাষ্ট্র—সেই স্বপ্ন বাস্তবায়নের দায়িত্ব এখন নতুন প্রজন্মের কাঁধে। আমাদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যfন তারেক রহমান সেই দায়িত্বশীল নেতৃত্বের প্রতীক। তার রাষ্ট্র সংস্কারের দর্শন ও জনগণকেন্দ্রিক রাজনীতি মুক্তিযুদ্ধের আদর্শকে আধুনিক বাস্তবতায় রূপ দেওয়ার পথ দেখাচ্ছে। ‘শহীদদের আত্মত্যাগের মর্যাদা রক্ষা করব, মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ধারণ করব এবং একটি গণতান্ত্রিক, সুখি, সমৃদ্ধ ও স্বনির্ভর বাংলাদেশ গড়তে ঐক্যবদ্ধ থাকব।’- এবারের বিজয় দিবসে এটাই হোক আমাদের অঙ্গীকার।
এসময় উপস্থিত ছিলেন সিলেট মহানগর বিএনপির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি রেজাউল হাসান কয়েস লোদী, সাধারণ সম্পাদক ইমদাদ হোসেন চৌধুরী, মহানগর বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক বদরুজ্জামান সেলিম, বদরুদ্দোজা বদর, জালালাবাদ থানা বিএনপির আহবায়ক শহীদ আহমদ, মহানগর স্বেচ্ছাসেবক দলে সদস্য সচিব আফসর খান, তারেক আহমদ খান, লুতফুর রহমান মোহন।