• সিলেট, রাত ২:০৫, ৬ই নভেম্বর, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ

রাজনগরে শোকজ করা নিয়ে বিএনপিতে ‘অসন্তোষ’

admin
প্রকাশিত জানুয়ারি ৩১, ২০২৬
রাজনগরে শোকজ করা নিয়ে বিএনপিতে ‘অসন্তোষ’

Manual6 Ad Code

রাজনগরে শোকজ করা নিয়ে বিএনপিতে ‘অসন্তোষ’

Manual2 Ad Code

রাজনগর প্রতিনিধি

Manual3 Ad Code

মৌলভীবাজারের রাজনগর উপজেলা বিএনপির সভাপতিকে শোকজ করা নিয়ে রাজনগর উপজেলা বিএনপির মধ্যেই অসন্তোষ দেখা দিয়েছে।

নির্বাচনের গুরুত্বপূর্ণ সময়ে টুনকো অভিযোগে শোকজ করায় নেতাকর্মীরা ক্ষুব্ধ। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে শোকজ নোটিশ প্রচার হওয়ায় রাজনগর বিএনপির নেতাকর্মীদের মাঝে এ অসন্তোষ দেখা দিয়েছে। শুক্রবার রাত থেকে ফেসবুকে এ শোকজ নোটিশটি ভাইরাল হয়েছে। এতে জেলা বিএনপির সভাপতি এডভোকেট ফয়জুল করিম ময়ূন ও সদস্য সচিব আব্দুর রহিম রিপন স্বাক্ষর করেছেন।

Manual5 Ad Code

উপজেলা বিএনপি ও শোকজ নোটিশ সূত্রে জানা যায়, রাজনগর উপজেলা বিএনপির সভাপতি নূরুল ইসলাম সেলুনের মা দীর্ঘদিন থেকে অসুস্থ। শয্যাশায়ী রয়েছেন তিনি। সিলেট ও ঢাকার বিভিন্ন হাসপাতালে তার চিকিৎসা চলছিল। গত কয়েকদিন থেকে তিনি অসুস্থ থাকায় তাকে সিলেটের মাউন্টএডোরা হসপিটালে চিকিৎসার জন্য নিয়ে যান। সেখান থেকে ডাক্তার তাকে ঢাকায় উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকা রেফারর্ড করেন। পরে তাকে এভারকেয়ার হসপিটালে নিয়ে যান। এছাড়াও কাতারে তার এক ভাগ্না মৃত্যুবরণ করলে তার লাশ গ্রহণের জন্য এয়ারপোর্টে যেতে হয়। কিন্তু সিলেট থেকে দ্রুত ফ্লাইট ধরতে গিয়ে মোবাইল ফোন ভুলে গাড়িতেই রেখে যান।

Manual3 Ad Code

এদিকে মোবাইল ফোন বন্ধ থাকা ও কোন ভাবেই তার সাথে যোগাযোগ রক্ষা করতে পারছিলেন না জেলা বিএনপির নেতারা। তাকে বিভিন্ন ভাবে খোঁজে না পেয়ে নির্বাচনের গুরুত্বপূর্ণ সময়ে এলাকার বাহিরে থাকায় তাকে শোকজ করে জেলা বিএনপির আহবায়ক কমিটি।

রাজনগর উপজেলা বিএনপির সভাপতি নূরুল ইসলাম সেলুন বলেন, আমার ৮২ বছরের বৃদ্ধা মা অসুস্থ। তাকে নিয়ে আমি সিলেট ও ঢাকায় ছিলাম। গত বুধবার বিকালে গিয়ে শুক্রবার বিকালে চলে এসেছি। দ্রুত ফ্লাইট ধরতে গিয়ে মোবাইল রেখেই চলে যাই। কিন্তু দুঃখজনক ভাবে আমাকে শোকজ করা হয়েছে। তাও আমাকে না দিয়ে ফেসবুকে প্রচার করা হয়েছে। এটা দুঃখজনক।

এব্যাপারে উপজেলা বিএনপির সম্পাদক আব্বাস আলী বলেন, তিনি তার মাকে নিয়ে হসপিটালে ছিলেন। ভুলে গাড়িতে মোবাইল ফোন রেখে চলে যান। কিন্তু এটাকে পূঁজি করে শোকজ নোটিশ দেয়া কাম্য নয়।

জেলা বিএনপির আহবায়ক অ্যাডভোটেক ফয়জুল করিম ময়ূন শোকজের সত্যতা স্বীকার করে বলেন, তিনি একটি উপজেলার সভাপতি। তার অনেক দায়িত্ব আছে। নির্বাচনী গুরুত্বপূর্ণ সময়ে তিনি মোবাইল ফোন বন্ধ রেখে উধাও হয়ে গেলেন। তাকে না পাওয়ায় আমরা শোকজ করেছি।

Latif Travels
Metropolitan University

আপনার প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞাপনের জন্য যোগাযোগ করুন

📞 মোবাইল: +8801712540420

✉️ ইমেইল: pavel.syl@gmail.com