সিলেটে যে কারণে রেজিস্ট্রি অফিসে সা জা দেওয়া হল কামরুল ও মিটুকে
নিজস্ব প্রতিবেদক
সিলেট সদর সাবরেজিস্ট্রার অফিসে কামরুল ইসলাম (৪৮) ও মিটু (৪০)-কে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। সিলেট জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আলিম উল্লা খানের নেতৃত্বে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করে এই সাজা প্রদান করা হয়।
মঙ্গলবার (১৬ জুন) বেলা ২টার দিকে সিলেটের রেজিস্ট্রি অফিসে এই ঘটনা ঘটে।
জানা গেছে, মঙ্গলবার বেলা ২টার দিকে সিলেট সদর সাবরেজিস্ট্রার অফিসে কামরুল ইসলাম ও তার সহযোগী মিটু একটি জাল দলিল তৈরি করে জমি রেজিস্ট্রেশনের উদ্দেশ্যে সিলেট সদর সাবরেজিস্ট্রার মিনহাজ উদ্দিনের কাছে জমা দেন। তখন সাবরেজিস্ট্রার মিনহাজ উদ্দিন দলিলটি যাচাই-বাছাই করার সময় সন্দেহ তৈরি হলে তখন তাৎক্ষণিকভাবে তিনি তাদের আটক করেন। পরবর্তীতে বিষয়টি সিলেট জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আলিম উল্লা খানকে জানানো হলে তিনি ঘটনাস্থলে এসে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন। ভ্রাম্যমান আদালত তখন জাল দলিল প্রস্তুত ও ব্যবহারের দায়ে কামরুল ইসলাম ও মিটুকে দুই মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড প্রদান করেন।
সিলেটের দলিল লেখক সমিতির সভাপতি লোকমান মিয়া সিলেটভিউকে বলেন, ‘মঙ্গলবার বেলা ২টার দিকে জাল দলিল নিয়ে জমি রেজিস্ট্রি করতে আসা দুই ব্যক্তিকে আটক করা হয়েছে। আটক হওয়া দুই ব্যক্তি সদর দলিল লেখক সমিতির কোনো সদস্য নন এবং তারা পেশাদার দলিল লেখক হিসেবেও পরিচিত নন। তারা দালালচক্রের সঙ্গে জড়িত ছিলেন। জাল দলিল প্রস্তুত ও ব্যবহারের অভিযোগে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে তাদের প্রত্যেককে দুই মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন।’
সিলেটভিউ২৪ডটকম