• সিলেট, বিকাল ৩:২৫, ১১ই জুন, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ

হা ম লা-নি র্যা ত নে র প্র তি বা দে ১১ দলীয় ঐক্যের বি ক্ষো ভ সমাবেশ

admin
প্রকাশিত ফেব্রুয়ারি ১৬, ২০২৬
হা ম লা-নি র্যা ত নে র প্র তি বা দে ১১ দলীয় ঐক্যের বি ক্ষো ভ সমাবেশ

Manual1 Ad Code

হা ম লা-নি র্যা ত নে র প্র তি বা দে ১১ দলীয় ঐক্যের বি ক্ষো ভ সমাবেশ

Manual5 Ad Code

অনলাইন ডেস্ক

সারাদেশে নির্বাচন পরবর্তী নেতাকর্মীদের উপর হামলা, নির্যাতন, নিপীড়ন, হত্যা ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠান লুটপাটের প্রতিবাদে জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় ঐক্যের বিক্ষোভ সমাবেশ হয়েছে।

সমাবেশে ১১ দলীয় ঐক্যের নেতারা বলেন, বিতর্কিত একটি নির্বাচন দেখেছে বাংলাদেশ। নির্বাচনী ফলাফল টেম্পারিং করার মাধ্যমে বিএনপিকে ক্ষমতায় আনতে সরাসরি সহযোগিতা করে ইসি।

Manual7 Ad Code

সোমবার বায়তুল মোকাররম মসজিদের উত্তর গেটে এ বিক্ষোভ সমাবেশে নেতারা এসব কথা বলেন। সমাবেশ শেষে ১১ দলীয় ঐক্যের নেতাকর্মীরা পল্টন থেকে শাহবাগ পর্যন্ত বিক্ষোভ মিছিল করে।

সমাবেশে জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরোয়ার বলেন, বাংলাদেশের মানুষ যে স্বপ্ন দেখেছিল, তা নির্বাচনের ম্যানিপুলেশন, অনিয়ম ও পরবর্তী সহিংসতা শেষ করে দিয়েছে। ফলাফল ঘোষণায় যে অনিয়ম হয়েছে, নির্বাচন কমিশনকে সেখানে কোনো টালবাহানা ছাড়াই তদন্ত করতে হবে। অনিয়মের নির্বাচনে জিতে হামলা ধর্ষণ আমাদের আবার ফ্যাসিবাদের কথা মনে করিয়ে দিচ্ছে।

দলটির কেন্দ্রীয় সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল হামিদুর রহমান আজাদ বলেন, সংসদে যাওয়ার আগেই আমাদের রাজপথে নামতে হবে, এটা ভাবি নাই। জনগণের ওপর বিশেষ করে নারী সমাজের ওপর যে হামলা-নিপীড়ন হচ্ছে, তা জঘন্য অপরাধ। সংসদে ও সংসদের বাইরে ১১ দল একসাথে লড়াই করে যাবে।

Manual6 Ad Code

ঢাকা মহানগর দক্ষিণের সেক্রেটারি ও পটুয়াখালী-২ আসনের নিবনির্বাচিত এমপি শফিকুল ইসলাম মাসুদ বলেন, ১২ ফেব্রুয়ারি শুধু সংসদ নির্বাচন হয়নি, গণভোটও হয়েছে। জুলাই সনদ বাস্তবায়নে কোনো টালবাহানা চলবে না। আগামীর বাংলাদেশ চলবে জুলাই সনদের ভিত্তিতে। জনগণ স্বৈরাচার তাড়াতে পেরেছে। সুতরাং সবাইকে সেটা মনে রাখতে হবে।

বাংলাদেশ নাগরিক পার্টির মুখ্য সংগঠক নাসীরুদ্দীন পাটোয়ারী বলেন, তারা শুধু ভোট চুরি করেনি বরং ডাকাতি করেছি। পার্লামেন্টে যে ভোট ডাকাতরা গেছে, তাদের ১১ দল রাজপথে জবাব বুঝে নিবে।

বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমির মাওলানা মামুনুল হক বলেন, বিতর্কিত নির্বাচনের পর এই প্রতিবাদ সমাবেশ। আমরা আশা করেছিলাম জনগণ ব্যালটের অধিকার ফিরে পাবে। কিন্তু জনগণের সাথে নির্মম তামাশা করা হয়েছে। সারাদিন শান্তিপূর্ণ ভোটের পর টার্গেটকৃত প্রার্থীদের সংসদে যাওয়া ঠেকাতে ডিপস্টেট ইঞ্জিনিয়ারিং করেছে।

তিনি বলেন, এই নির্বাচনের পর সারাদেশে পৈশাচিকতা হয়েছে। নারীদের নিপীড়ন, বাড়িঘর জ্বালানোর মাধ্যমে ফ্যাসিবাদ ফেরানোর চেষ্টা চলছে। কিন্তু জনগণ ফ্যাসিবাদ প্রতিরোধ করবে। যারা ফ্যাসিবাদের পথ তৈরি করবে, তারাই সে পথে দিল্লিতে পালাবে।

Manual4 Ad Code

ঢাকা ১২ আসন থেকে নির্বাচিত ও জামায়াতের নির্বাহী পরিষদের সদস্য সাইফুল আলম খান মিলন বলেন, আমাদের প্রত্যাশা ছিলো সুষ্ঠু নির্বাচন। কিন্তু সেটি হয়নি। এরপর আবার শুরু হয়েছে হামলা।

কর্নেল অলি আহমেদের ছেলে ও এলডিপি নেতা ওমর ফারুক বলেন, এই অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের ওপর আস্থা রেখে আমরা ভুল করেছি। আওয়ামী ফ্যাসিবাদের মানুষদের নিয়েই এই নির্বাচন হিয়েছিল। হাদির খুনিদের পালানোর পরেই আমাদের সাবধান হওয়া দরকার ছিল। ১১ দল উদারতা দেখিয়ে ভুল করেছে। এরপরেও বাংলাদেশের ৫০ শতাংশ মানুষ ইনসাফের পক্ষে রায় দিয়েছে। আমাদের সতর্ক থাকতে হবে যেন তারা ফ্যাসিস্ট পুনর্বাসন করতে না পারে।

এবি পার্টির চেয়ারম্যান মুজিবুর রহমান মঞ্জু বলেন, টিআইবি রিপোর্টে আজকে স্পষ্ট, কীভাবে সর্বস্তরে ভোট ইঞ্জিনিয়ারিং হয়েছে। আজকে এই নির্বাচনের মাধ্যমে তাদের মধ্যে কলঙ্ক লেগেছে। অতিদ্রুত তদন্ত করে এই কলঙ্ক মোচন করুন।

বাংলাদেশ লেবার পার্টির সভাপতি মোস্তাফিজুর রহমান ইরান বলেন, তারেক রহমানের প্ল্যান ছিল ভোট ইঞ্জিনিয়ারিং। দেশে এসেই তার প্ল্যান বাস্তবায়ন করেছে। তারপর শুরু হয়েছে সারাদেশে হামলা-নিপীড়ন।

জাগপার সহ-সভাপতি ও মুখপাত্র রাশেদ প্রধান বলেন, ২০২৪ সালের ডামি ভোটের পর ২০২৬ সালে হয়েছে ম্যানেজ ভোট। পুলিশকে, প্রশাসনকে, কমিশনকে ম্যানেজ করে ভোট ম্যানিপুলেশন করা হয়েছে। ভোটের পরেই তারা হামলে পড়েছে বিরোধীদের ওপর। কিন্তু আমরা বলে দিতে চাই মজলুমরা থামতে জানে না।

বিডি প্রতিদিন

Latif Travels
Metropolitan University

আপনার প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞাপনের জন্য যোগাযোগ করুন

📞 মোবাইল: +8801712540420

✉️ ইমেইল: pavel.syl@gmail.com