• সিলেট, ভোর ৫:৩৫, ২৪শে জুন, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ

সড়ক দু র্ঘট না য় নি*হ*ত ৯ শ্রমিক পরিবারের পাশে ‘এসনিক’

admin
প্রকাশিত মে ১৬, ২০২৬
সড়ক দু র্ঘট না য় নি*হ*ত ৯ শ্রমিক পরিবারের পাশে ‘এসনিক’

Manual7 Ad Code

সড়ক দু র্ঘট না য় নি*হ*ত ৯ শ্রমিক পরিবারের পাশে ‘এসনিক’

প্রেস বিজ্ঞপ্তি

সিলেটের তেলী বাজারে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত নয় পরিবারের পাশে দাঁড়িয়েছে এসিড সন্ত্রাস নির্মূল কমিটি (এসনিক)। ভোরের সড়কে প্রাণ হারানো শ্রমিকদের পরিবারগুলো যখন দিশেহারা, তখন এই সংগঠনের সহযোগিতা তাদের মুখে ফুটিয়েছে একটুখানি আশার আলো। মানবিক এই উদ্যোগে ভরসা খুঁজে পেল স্বজনরা।

Manual4 Ad Code

 

গত ৩ মে আম্বরখানা থেকে লালাবাজারে কাজে যাওয়ার পথে নির্মাণ শ্রমিকদের বহনকারী একটি পিকআপ ভ্যানের সঙ্গে ট্রাকের সংঘর্ষে নয়জন শ্রমিক প্রাণ হারান। নিহতদের মধ্যে ছিলেন দুই নারী শ্রমিক এবং একই পরিবারের দুই ভাই। জীবিকার একমাত্র ভরসা হারিয়ে অনেক পরিবার এখন অনিশ্চয়তার অন্ধকারে।

শনিবার দুপুরে নগরীর জেলরোডে একটি রেস্তোরাঁয় নিহত পরিবারের সদস্যদের হাতে আর্থিক সহযোগিতা তুলে দেয় এসনিক। সাংবাদিক ফয়সল আহমদ বাবলুর সভাপতিত্বে এতে প্রধান অতিথির বক্তব্য দেন সংগঠনের প্রতিষ্ঠাতা ও সাধারণ সম্পাদক জুরেজ আব্দুল্লা গুলজার।

সাংবাদিক তাইনুল ইসলামের সঞ্চালনায় স্বাগত বক্তব্য দেন সাংগঠনিক সম্পাদক ওমর মাহবুব।

Manual7 Ad Code

এসময় স্বজন হারানো ৯ পরিবারের লোকজন কান্নায় ভেঙ্গে পড়েন। তাদের কান্নায় অনুষ্টানে আগত অনেকেই চোখে জল ধরে রাখতে পারেন নি। নিহত নার্গিসের ১২ বছরের মেয়ে মোহিনী কান্নায় ভেঙ্গে পড়ে। সে তার মাকে ফেরত চায়। তার এই বক্তব্যে উপস্থিত সকলের মনে দাগ কাটে। বাবা-মা হীন নিহত মনি বেগমের তিন সন্তানকে নিয়ে এসেছিলেন বৃদ্ধা নানী। তিনি বললেন যে যাওয়ার চলে গেছে; এখন যারা বেঁচে আছেন তাদের প্রতি সহানুভূতির আহবান জানান। একইভাবে সেদিন মৃত্যুর দুয়ার থেকে ফিরে আসা হাফিজা বেগম বক্তব্য দিতে গিয়ে কান্নায় ভেঙ্গে পড়েন। ওই ঘটনায় তার স্বামী প্রান হারান।

 

হাফিজা বলেন, আমি মৃত্যুকে দেখলাম খুব কাছ থেকে। ওই দিন আমার স্বামী বদরুল আমিন তার পাশেই বসা ছিলেন। গাড়ি যখন উল্টে যায় তখন তার স্বামী তাকে ধাক্কা দেন। তখন মিক্সার মেশিন অনেকের উপর গড়িয়ে পড়ে। আমি জ্ঞান হারিয়ে ফেলি। সেদিন কোন রকম বেঁচে গেছি এখন চার সন্তান নিয়ে অন্ধকার দেখছি। আগে দুজন মিলে পরিবার সামলেছি এখন এই সন্তানদের সবই আমার উপর।

এছাড়াও অপরাপর ৬ নিহত পরিবারের সদস্যরা সহযোগিতার আহবান জানান।

সাধারণ সম্পাদক জুরেজ আব্দুল্লাহ গুলজার বলেন, কোনো কিছুর বিনিময়ে একটি প্রাণ ফিরিয়ে আনা সম্ভব নয়। তবে যারা স্বজন হারিয়েছেন, তাদের পাশে আমাদের সহযোগিতা অব্যাহত থাকবে। সমাজের সামর্থ্যবানদের প্রতি আহ্বান জানাই, অসহায় এই পরিবারের পাশে দাঁড়ান।

সভাপতি ফয়সল আহমদ বাবলু বলেন, শ্রমিকরা আমাদের দেশের অর্থনীতির মূল চালিকা শক্তি। তাদের ঘাম ও শ্রমে দাঁড়িয়ে আছে দেশের অবকাঠামো। অথচ মৃত্যুর পর তারা হয়ে ওঠেন অদৃশ্য। নিহত পরিবারের পাশে সরকারের সংশ্লিষ্টদের সহযোগিতা জরুরি। এসনিকের সদস্যরা তাদের পাশে থেকে সহযোগিতা অব্যাহত রাখার ঘোষনা দেন।

 

Manual8 Ad Code

নিহত পরিবারের সদস্যরা এসনিকের সহযোগিতায় কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন। তাদের চোখে অশ্রু থাকলেও এই সহায়তা এনে দিয়েছে একটুখানি স্বস্তি।

Manual3 Ad Code

Latif Travels
Metropolitan University

আপনার প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞাপনের জন্য যোগাযোগ করুন

📞 মোবাইল: +8801712540420

✉️ ইমেইল: pavel.syl@gmail.com