• সিলেট, রাত ৮:৪৪, ১৮ই জুন, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ

জাইমার অন্যরকম আড্ডা

admin
প্রকাশিত জুন ১৮, ২০২৬
জাইমার অন্যরকম আড্ডা

Manual4 Ad Code

জাইমার অন্যরকম আড্ডা

 

Manual4 Ad Code

অনলাইন ডেস্ক

Manual7 Ad Code

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবা ও আখাউড়া উপজেলার ৯০ কৃতী শিশু শিক্ষার্থীর সঙ্গে প্রাণবন্ত ও হৃদ্যতাপূর্ণ আড্ডায় অংশ নিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের মেয়ে ব্যারিস্টার জাইমা রহমান। প্রায় তিন ঘণ্টাব্যাপী এ আয়োজনে তিনি শিশুদের স্বপ্ন, ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা ও ব্যক্তিগত আগ্রহের কথা মনোযোগ দিয়ে শোনেন এবং তাদের সামনে দেশকে এগিয়ে নেওয়ার নানান ভাবনা তুলে ধরেন। মঙ্গলবার রাজধানীর গুলশানের লেকশোর হোটেলে দুপুর ১টা থেকে বিকাল ৪টা পর্যন্ত এ ব্যতিক্রমী অনুষ্ঠানের আয়োজন করেন অর্থ মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় কমিটির সভাপতি ও ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৪ (কসবা-আখাউড়া) আসনের সংসদ সদস্য মুশফিকুর রহমানের বড় মেয়ে মেহভীন রহমান মুনিয়া। আড্ডার শুরু থেকেই বেশ আন্তরিক ও প্রাণবন্ত ছিলেন জাইমা রহমান। তিনি শিশুদের উদ্দেশে বলেন, শুধু পাঠ্যবইয়ের জ্ঞান অর্জন করলেই হবে না, সাহিত্য-সংস্কৃতি, খেলাধুলা ও সৃজনশীল কর্মকাণ্ডের প্রতিও মনোযোগ দিতে হবে। দেশ ও সমাজের জন্য নিজেকে গড়ে তুলতে হলে বহুমুখী দক্ষতা অর্জনের বিকল্প নেই বলেও তিনি উল্লেখ করেন। একপর্যায়ে তিনি শিশুদের কাছে তাদের স্বপ্ন ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনার কথা জানতে চান। পাশাপাশি নিজের জীবনের নানা অভিজ্ঞতাও তাদের সঙ্গে ভাগাভাগি করেন। শিশুদের সঙ্গে খোলামেলা আলাপচারিতার মাধ্যমে তিনি আত্মবিশ্বাসী ও মানবিক মানুষ হিসেবে গড়ে ওঠার পরামর্শ দেন। আড্ডার একপর্যায়ে রান্না প্রসঙ্গ উঠলে জাইমা রহমান জানতে চান, শিশুদের কেউ রান্না করতে পারে কি না। কয়েকজন শিক্ষার্থী ইতিবাচক উত্তর দিলে তিনি মজা করে বলেন, ‘তোমাদের এলাকায় গেলে আমাকে কী খাওয়াবে?’ জবাবে শিশুরা বিরিয়ানি রান্না করে খাওয়ানোর কথা জানায়। তখন তিনি বিরিয়ানির সঙ্গে ইলিশ মাছ খাওয়ার ইচ্ছা প্রকাশ করলে পুরো পরিবেশ আনন্দ মুখর হয়ে ওঠে। অনুষ্ঠানে শিশুদের আবদারে তিনি তাদের টি-শার্টে অটোগ্রাফ দেন এবং একসঙ্গে মধ্যাহ্নভোজেও অংশ নেন। তাঁর আন্তরিকতা ও সহজ-সরল আচরণে শিক্ষার্থীরা মুগ্ধ হয়। কসবা সরকারি বালিকা উচ্চবিদ্যালয়ের অষ্টম শ্রেণির শিক্ষার্থী জাফনাহ ইসলাম নাযিফা বলেন, জাইমা আপু এত কাছে এসে আমাদের সঙ্গে গল্প করবেন, এটা কখনো ভাবিনি। তিনি আমাদের পড়াশোনার পাশাপাশি খেলাধুলা ও সৃজনশীল কাজে অংশ নিতে উৎসাহ দিয়েছেন। রামধননগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের তৃতীয় শ্রেণির শিক্ষার্থী নাহিয়ান ওসমান রাহিন বলেন, প্রধানমন্ত্রীর কন্যার সঙ্গে দেখা করে খুব ভালো লেগেছে। তিনি আমাদের বাবা-মায়ের কথা শুনতে এবং নিয়মিত পড়াশোনা করতে বলেছেন। উপস্থিত সহকারী শিক্ষক জান্নাতুল ফেরদৌস বাবলী বলেন, প্রধানমন্ত্রীকন্যার সঙ্গে শিশুরা বেশ ভালো সময় কাটিয়েছে। তিনি প্রতিটা শিশুকে কাছে ডেকে তাদের কথা শুনেছেন। নিজের জীবনের কথা শুনিয়েছেন। অনেক স্বপ্নের কথা বলেছেন। শিশুদের টি-শার্টে অটোগ্রাফ দিয়েছেন। তাদের সঙ্গে খাবার খেয়েছেন। শিশুদের প্রায় তিন ঘণ্টা সময় দিয়েছেন। আখাউড়া উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা ড. দৌলত হোসেন ভূঁইয়া বলেন, প্রধানমন্ত্রীকন্যার সঙ্গে আলোচনায় বসতে পেরে শিশুরা বেশ অনুপ্রাণিত হয়েছে। আমি ব্যক্তিগতভাবেও এটা নিয়ে বেশ আনন্দিত। প্রধানমন্ত্রীকন্যা শিশু শিক্ষার্থীদের কথা মনোযোগ দিয়ে শুনেছেন এবং নিজের বিষয়েও শিশুদের সঙ্গে কথা বলেছেন। কসবা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. ছামিউল ইসলাম বলেন, কসবা-আখাউড়ার শিশুদের জন্য এটি ছিল একটি অনন্য ও অনুপ্রেরণাদায়ক আয়োজন। জাইমা রহমান অত্যন্ত আন্তরিকতার সঙ্গে শিশুদের কথা শুনেছেন এবং তাদের উৎসাহিত করেছেন। এ অভিজ্ঞতা তাদের ভবিষ্যৎ পথচলায় ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে।

আখাউড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) তাপসী রাবেয়া বলেন, শিশুদের অনুপ্রেরণার জন্য এটি একটি অসাধারণ উদ্যোগ।

অনুষ্ঠানে অর্থ মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় কমিটির সভাপতি ও সংসদ সদস্য মুশফিকুর রহমান, কসবা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. ছামিউল ইসলাম, আখাউড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা তাপসী রাবেয়া, শিক্ষা বিভাগের কর্মকর্তাসহ সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।

 

Manual4 Ad Code

বিডি প্রতিদিন

Manual8 Ad Code

Latif Travels
Metropolitan University

আপনার প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞাপনের জন্য যোগাযোগ করুন

📞 মোবাইল: +8801712540420

✉️ ইমেইল: pavel.syl@gmail.com