বগুড়ায় বাংলাদেশ প্রতিদিনের উত্তরাঞ্চলীয় প্রতিনিধি ও সংবাদপত্র এজেন্টদের সঙ্গে মতবিনিময় সভা
সততা ও পরিশ্রমই সাফল্যের চাবিকাঠি : বাংলাদেশ প্রতিদিন সম্পাদক
অনলাইন ডেস্ক
বাংলাদেশ প্রতিদিনের সম্পাদক লোটন একরাম বলেছেন, সততা ও নিষ্ঠার সঙ্গে পরিশ্রম করলে সফলতা আসবেই। কোনো পরিশ্রমই বিফলে যায় না। কাজের প্রতি ভালোবাসা, পেশার প্রতি দায়বদ্ধতা এবং আন্তরিক প্রচেষ্টাই মানুষকে সাফল্যের শিখরে পৌঁছে দেয়।
বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) বিকেলে বগুড়ায় বাংলাদেশ প্রতিদিনের উত্তরাঞ্চলীয় ব্যুরোপ্রধান, জেলা প্রতিনিধি ও সংবাদপত্র এজেন্টদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
তিনি বলেন, বাংলাদেশ প্রতিদিনের প্রত্যেক প্রতিনিধিকে নিজ নিজ দায়িত্ব নিষ্ঠা ও দক্ষতার সঙ্গে পালন করতে হবে, যেন তিনি নিজেই একজন সম্পাদক, নির্বাহী সম্পাদক, সিনিয়র জেনারেল ম্যানেজার কিংবা ব্যুরোপ্রধান। প্রতিষ্ঠানের প্রতি দায়িত্ববোধ, পেশাদারিত্ব ও আন্তরিকতা নিয়ে কাজ করতে হবে। মনে রাখতে হবে, একটি প্রতিষ্ঠানের সাফল্য নির্ভর করে তার প্রতিটি কর্মীর সম্মিলিত প্রচেষ্টা ও নিষ্ঠার ওপর।
তিনি আরও বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের আসন বগুড়ায় বাংলাদেশ প্রতিদিনের এই প্রতিনিধি সমাবেশ আমাদের কর্মপ্রেরণার নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে। এ আয়োজন শুধু একটি মতবিনিময় সভা নয়, বরং পারস্পরিক অভিজ্ঞতা বিনিময়। কাজের গতি বৃদ্ধি এবং প্রতিনিধিদের আরও উজ্জীবিত করার একটি গুরুত্বপূর্ণ উদ্যোগ। এই আয়োজন চিরস্মরণীয় হয়ে থাকবে।
সম্পাদক লোটন একরাম বলেন, শুধু বগুড়ায় নয়, দেশের বিভিন্ন বিভাগে এ ধরনের অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হবে। এর মাধ্যমে প্রতিনিধিদের সঙ্গে সরাসরি মতবিনিময়, কাজের অগ্রগতি পর্যালোচনা এবং পেশাগত দক্ষতা বাড়ানোর সুযোগ তৈরি হবে। যারা কাজকে ভালোবাসেন এবং নিজের পেশাকে যথাযথ মূল্যায়ন করেন, তারা কখনো পিছিয়ে থাকেন না। নিষ্ঠা, সততা ও পরিশ্রমের মাধ্যমে প্রত্যেকেই নিজের অবস্থান আরও সুদৃঢ় করতে পারেন।
অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ প্রতিদিনের যুগ্ম সম্পাদক মাসুদ করিম বলেন, একটি সংবাদপত্রের শক্তি শুধু তার প্রকাশনা কিংবা প্রচারে নয়; এর প্রকৃত শক্তি হচ্ছে সংবাদকর্মীদের দক্ষতা, দায়িত্বশীলতা ও সম্মিলিত প্রচেষ্টা। মাঠপর্যায়ের প্রতিনিধিরাই মানুষের কাছে সংবাদপত্রের পরিচয় তুলে ধরেন। তাই বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ পরিবেশন, দ্রুত সংবাদ সংগ্রহ এবং পাঠকের আস্থা অর্জনে সবাইকে আরও আন্তরিক হতে হবে।
তিনি আরও বলেন, প্রতিযোগিতাপূর্ণ সংবাদমাধ্যমে এগিয়ে থাকতে হলে পেশাদারিত্বের পাশাপাশি নতুন চিন্তা, উদ্ভাবনী উদ্যোগ এবং সময়োপযোগী কাজের বিকল্প নেই। প্রত্যেক প্রতিনিধিকে নিজের কাজের মান উন্নয়নে সচেষ্ট থাকতে হবে। সবার সম্মিলিত প্রচেষ্টায় বাংলাদেশ প্রতিদিনের অবস্থান আরও শক্তিশালী হবে।
সভায় বাংলাদেশ প্রতিদিনের বিজ্ঞাপন বিভাগের সিনিয়র জেনারেল ম্যানেজার (জিএম) মাসুদুর রহমান বলেন, একটি সংবাদপত্রের সার্বিক অগ্রগতিতে বিজ্ঞাপন বিভাগের পাশাপাশি মাঠপর্যায়ের প্রতিনিধিদের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে। স্থানীয় পর্যায়ে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান ও ব্যবসায়িক সংগঠনের সঙ্গে সুসম্পর্ক গড়ে তোলা, প্রতিষ্ঠানের গ্রহণযোগ্যতা বৃদ্ধি এবং বিজ্ঞাপনের নতুন ক্ষেত্র তৈরিতে প্রতিনিধিদের সক্রিয় ভূমিকা রাখতে হবে। পারস্পরিক সমন্বয়, পেশাদার আচরণ ও দায়িত্বশীলতার মাধ্যমে বিজ্ঞাপন বিভাগের কার্যক্রম আরও গতিশীল করা সম্ভব।
বাংলাদেশ প্রতিদিনের যুগ্ম সম্পাদক মাসুদ করিমের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য দেন ইস্ট-ওয়েস্ট মিডিয়া গ্রুপের প্রধান হিসাব রক্ষণ কর্মকর্তা হাসানুজ্জামান হাসান, জেনারেল ম্যানেজার (সার্কুলেশন) বিল্লাল হোসেন মন্টু, জেনারেল ম্যানেজার (বিজ্ঞাপন) সালাহ উদ্দিন আহম্মেদ, মানবসম্পদ ও প্রশাসন বিভাগের এজিএম নাফিজ আজিম, বগুড়া ব্যুরোপ্রধান ও বিশেষ প্রতিনিধি আবদুর রহমান টুলু, রাজশাহী ব্যুরোপ্রধান কাজী শাহেদ, রংপুর ব্যুরোপ্রধান নজরুল মৃধা, চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা প্রতিনিধি মো. রফিকুল আলম, নওগাঁ জেলা প্রতিনিধি বাবুল আকতার রানা, জয়পুরহাট জেলা প্রতিনিধি মো. শামীম কাদির, পাবনা জেলা প্রতিনিধি এস এ আসাদ, কুড়িগ্রাম জেলা প্রতিনিধি খন্দকার একরামুল হক সম্রাট, গাইবান্ধা জেলা প্রতিনিধি সাইফুল ইসলাম মিলন, লালমনিরহাট জেলা প্রতিনিধি রেজাউল করিম মানিক, দিনাজপুর জেলা প্রতিনিধি রিয়াজুল ইসলাম, ঠাকুরগাঁও জেলা প্রতিনিধি মোছা. সারমীন আক্তার, পঞ্চগড় জেলা প্রতিনিধি মো. ইনসান, সিরাজগঞ্জ জেলা প্রতিনিধি আব্দুস সামাদ সায়েম ও নাটোর জেলা প্রতিনিধি মো. নাসিম উদ্দিন নাসিম, বগুড়া অফিসের রিপোর্টার মামুনুর রশিদ।
এ ছাড়া বগুড়া প্রেসের প্রশাসনিক কর্মকর্তা কারিম উল্লাহ, কৌশিক শাহরিয়ার সোহেল, আব্দুর রশিদ উপস্থিত ছিলেন।