• সিলেট, রাত ১:৩০, ১৭ই জানুয়ারি, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ

বিমানের টিকিট কা র সা জি তে ১০ চ ক্র শ না ক্ত

admin
প্রকাশিত জানুয়ারি ৭, ২০২৬
বিমানের টিকিট কা র সা জি তে ১০ চ ক্র শ না ক্ত

Manual1 Ad Code

বিমানের টিকিট কা র সা জি তে ১০ চ ক্র শ না ক্ত

তদন্তে জালিয়াতি চক্রের মূল হোতা হিসেবে ‘বন ভয়েজ ট্রাভেলস অ্যান্ড ওভারসিজ’কে চিহ্নিত করা হয়েছে। এ ছাড়া তাদের সহযোগী সাব-এজেন্ট, গাইবান্ধাভিত্তিক একটি প্রতিষ্ঠান এবং ইডেন ট্যুর অ্যান্ড ট্রাভেলস ও ক্রিয়েটিভ ট্যুর অ্যান্ড ট্রাভেলসের সঙ্গে বিমানের সব ধরনের কার্যক্রম স্থগিত করা হয়েছে

Manual3 Ad Code

অনলাইন ডেস্ক

 

রাষ্ট্রীয় পতাকাবাহী সংস্থা বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসে টিকিট জালিয়াতি ও নিয়মবহির্ভূত কার্যক্রমে জড়িত ১০টি চক্র শনাক্ত করেছে কর্তৃপক্ষ। বিমানের নিজস্ব তদন্তে যাত্রীদের ভুয়া তথ্য ব্যবহার করে টিকিট ইস্যু, কয়েক দফা হাতবদল এবং বড় ধরনের আর্থিক অনিয়মের প্রমাণ মিলেছে। এই অভিযোগের ভিত্তিতে অভিযুক্ত ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানগুলোর ব্যাবসায়িক কার্যক্রম স্থগিতসহ কঠোর আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

Manual8 Ad Code

বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের রাজস্ব শাখার ডেপুটি ম্যানেজার সাজ্জাদুল ইসলামের সই করা ২৩ ডিসেম্বরের এক চিঠিতে বলা হয়, ‘বিমানের রেভিনিউ ইন্টেগ্রিটি ও আইবিই রেভিনিউ শাখার নিয়মিত মনিটরিংয়ে গত ২৩ ডিসেম্বর টিকিট ইস্যু ও পেমেন্ট প্যাটার্নে অস্বাভাবিকতা ধরা পড়ে।

Manual2 Ad Code

এরপর একটি বিশেষ তদন্তদল গঠন করা হয়। তদন্তে দেখা যায়, কিছু ট্রাভেল এজেন্ট বিমানের আইটি সিস্টেমের সীমাবদ্ধতা ও নীতিগত দুর্বলতা কাজে লাগিয়ে অননুমোদিতভাবে টিকিট ইস্যু করছিল। এই জালিয়াতি প্রক্রিয়ায় টিকিট সংগ্রহ থেকে চূড়ান্ত ইস্যু পর্যন্ত তিন-চারবার হাতবদল হতো, যার ফলে সাধারণ যাত্রীদের টিকিটের জন্য অতিরিক্ত অর্থ গুনতে হতো।’

সূত্র জানায়, তদন্তে জালিয়াতি চক্রের মূল হোতা হিসেবে ‘বন ভয়েজ ট্রাভেলস অ্যান্ড ওভারসিজ’কে চিহ্নিত করা হয়েছে। এ ছাড়া তাদের সহযোগী সাব-এজেন্ট, গাইবান্ধাভিত্তিক একটি প্রতিষ্ঠান এবং ইডেন ট্যুর অ্যান্ড ট্রাভেলস ও ক্রিয়েটিভ ট্যুর অ্যান্ড ট্রাভেলসের সঙ্গে বিমানের সব ধরনের কার্যক্রম স্থগিত করা হয়েছে। মোট চারটি ট্রাভেল এজেন্সি, ছয় ব্যক্তিসহ এই সংগঠিত চক্রের আইএটিএ আইডি ও ইনভেন্টরি অ্যাকসেস বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে বলে জানা গেছে।

বিমানের রাজস্ব বিভাগ জানিয়েছে, এ ধরনের জালিয়াতি সংস্থার আর্থিক ক্ষতির পাশাপাশি আন্তর্জাতিক সুনামও ক্ষুণ্ন করে। তাই ‘জিরো টলারেন্স’ নীতিতে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। সময়মতো এই জালিয়াতি ধরা না পড়লে বিমান বড় ধরনের আর্থিক ঝুঁকির মুখে পড়ত বলে প্রাথমিক মূল্যায়নে ধারণা করা হচ্ছে।

বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের জনসংযোগ বিভাগের মহাব্যবস্থাপক বোসরা ইসলাম বলেন, ‘কয়েকটি ট্রাভেল এজেন্সির ক্রেডিট কার্ডে লেনদেন অনিয়ম পাওয়া গেছে। বিষয়টি বিমানের বিপণন বিভাগকে খতিয়ে দেখতে বলা হয়েছে। অনিয়ম পাওয়া গেলে জড়িতদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেবে কর্তৃপক্ষ।’

এদিকে উড়োজাহাজের টিকিট বিক্রিতে যেকোনো ধরনের কারসাজি, দুর্বৃত্তায়ন ও প্রতারণা বন্ধে কঠোর পদক্ষেপ নিচ্ছে সরকার।

এখন থেকে টিকিটসংক্রান্ত প্রতারণা বা হয়রানির অপরাধে সর্বোচ্চ ১০ লাখ টাকা অর্থদণ্ড অথবা এক বছর পর্যন্ত কারাদণ্ডের বিধান রেখে দুটি অধ্যাদেশ চূড়ান্ত করা হয়েছে। এ ছাড়া আরো ১১টি অপরাধ করলে অভিযুক্ত ট্রাভেল এজেন্সির লাইসেন্স বাতিল কিংবা স্থগিত হতে পারে।

গত বছরের ১৩ নভেম্বর সচিবালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন উপদেষ্টা শেখ বশিরউদ্দীন এ তথ্য নিশ্চিত করেন। তিনি জানান, বেসামরিক বিমান চলাচল (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৫ এবং বাংলাদেশ ট্রাভেল এজেন্সি (নিবন্ধন ও নিয়ন্ত্রণ) (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৫ উপদেষ্টা পরিষদের বৈঠকে চূড়ান্ত অনুমোদন পেয়েছে। নতুন অধ্যাদেশে ট্রাভেল এজেন্সির নিবন্ধন বাতিল বা স্থগিতের ১১টি নতুন কারণ যুক্ত করা হয়েছে।

সৌজন্য: কালের কণ্ঠ

Manual7 Ad Code

Latif Travels
Metropolitan University

আপনার প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞাপনের জন্য যোগাযোগ করুন

📞 মোবাইল: +8801712540420

✉️ ইমেইল: pavel.syl@gmail.com