• সিলেট, রাত ১১:৩৪, ১৩ই জুলাই, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ

গ্রিনল্যান্ড দখলের পন্থা নিয়ে আলোচনা চলছে: যুক্তরাষ্ট্র

admin
প্রকাশিত জানুয়ারি ৭, ২০২৬
গ্রিনল্যান্ড দখলের পন্থা নিয়ে আলোচনা চলছে: যুক্তরাষ্ট্র

Manual1 Ad Code

গ্রিনল্যান্ড দখলের পন্থা নিয়ে আলোচনা চলছে: যুক্তরাষ্ট্র
অনলাইন ডেস্ক

Manual8 Ad Code

 

ডেনমার্কের আধা-স্বায়ত্বশাসিত দ্বীপ গ্রিনল্যান্ড অধিগ্রহণ করবে যুক্তরাষ্ট্র। তবে কীভাবে তা করা যায়, সেই পন্থা নিয়ে আলোচনা করছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।

সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, হোয়াইট হাউস জানিয়েছে- গ্রিনল্যান্ড দখলের বিভিন্ন পন্থা নিয়ে এরই মধ্যে আলোচনা চলছে। চূড়ান্ত লক্ষ্য অর্জন করতে মার্কিন সামরিক বাহিনী যে সব সময় প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের প্রথম পছন্দ, তা-ও বুঝিয়ে দিয়েছে হোয়াইট হাউস।

Manual1 Ad Code

ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরোকে সে দেশের মাটি থেকে অপহরণের পর গ্রিনল্যান্ড দখলের দাবি আরও জোরালো হয়েছে। রবিবার ট্রাম্প স্পষ্ট জানান, গ্রিনল্যাল্ড তার চাই। তিনি বলেন, “আমাদের গ্রিনল্যান্ড প্রয়োজন। এখন এটা কৌশলগত ব্যাপার।”

একইসঙ্গে তার সংযোজন, “জাতীয় নিরাপত্তার দৃষ্টিভঙ্গি থেকে গ্রিনল্যান্ড প্রয়োজন আমাদের।” কেন আমেরিকার জাতীয় নিরাপত্তার জন্য গ্রিনল্যান্ডের ওপর কর্তৃত্ব আরোপ করা প্রয়োজন, তা-ও ব্যাখ্যা করেছেন ট্রাম্প। তার দাবি, গ্রিনল্যান্ডের সর্বত্র রাশিয়া এবং চীনের জাহাজ ঘোরাফেরা করছে।

Manual4 Ad Code

ট্রাম্পের দাবিই পুনর্ব্যক্ত করেছে হোয়াইট হাউস। ব্রিটিশ সংবাদসংস্থা ‘রয়টার্স’ হোয়াইট হাউসের বরাত দিয়ে জানিয়েছে, আমেরিকার জাতীয় নিরাপত্তা রক্ষার্থে গ্রিনল্যান্ড দখল প্রয়োজন! মার্কিন প্রশাসন বলেছে, ‘‘প্রেসিডেন্ট এবং তার দল এই গুরুত্বপূর্ণ বৈদেশিক নীতি বাস্তবায়িত করতে বিভিন্ন পন্থা নিয়ে আলোচনা করছেন। মার্কিন সামরিক বাহিনীকে ব্যবহার করা অন্যতম পন্থা হিসেবে বেছে নেওয়া হতে পারে।”

এক ঊর্ধ্বতন মার্কিন কর্তা জানান, গ্রিনল্যান্ড অধিগ্রহণের উপায় নিয়ে ওভাল অফিসে আলোচনা চলছে। উপদেষ্টারা বিভিন্ন পন্থা নিয়ে আলোচনা করছেন। শুধু তা-ই নয়, সামরিক জোট ন্যাটোর অন্য সদস্যদের আপত্তি সত্ত্বেও ট্রাম্প নিজের অবস্থান থেকে সরে আসেননি!

মার্কিন সামরিক বাহিনী ব্যবহার করে অধিগ্রহণ ছাড়া আর কী বিকল্প পন্থা রয়েছে আমেরিকার হাতে? এ ব্যাপারে এক মার্কিন কর্তা জানিয়েছেন, গ্রিনল্যান্ড সরাসরি কিনতে পারে আমেরিকা! এছাড়াও, গ্রিনল্যান্ডের সঙ্গে একটি চুক্তি সই করতে পারে তারা। তবে এই চুক্তি সই হলে আমেরিকার অংশ হবে না গ্রিনল্যাল্ড।

ডেনমার্কের মূল ভূখণ্ড থেকে প্রায় ৩০০০ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত ৫৬ হাজার জনসংখ্যার ‘বিশ্বের বৃহত্তম দ্বীপ’ প্রায় ৩০০ বছর ধরে কোপেনহেগেন (ডেনমার্কের রাজধানী)-এর নিয়ন্ত্রণে। নিজস্ব অভ্যন্তরীণ বিষয়গুলো পরিচালনা ও উন্নয়ন সংক্রান্ত দায়িত্ব দ্বীপটির স্বায়ত্তশাসিত কর্তৃপক্ষ পালন করেন। আর বিদেশ এবং প্রতিরক্ষানীতি সংক্রান্ত সিদ্ধান্তগুলো নেয় ডেনমার্ক সরকার।

Manual2 Ad Code

দ্বিতীয় দফায় যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট হওয়ার পরে ট্রাম্প গত ১১ মাসে একাধিকবার গ্রিনল্যান্ড দখলের হুঁশিয়ারি দিয়েছেন। ডেনমার্কের অধিকার নিয়ে প্রশ্ন তুলে হোয়াইট হাউসের ডেপুটি চিফ অব স্টাফ স্টিফেন মিলার জানান, ন্যাটোর প্রথম সারির সামরিক শক্তি হিসেবে আমেরিকা মেরুপ্রদেশের স্বার্থকে রক্ষা করতে চায়। আর সেই কারণেই গ্রিনল্যান্ডের ওপর যুক্তরাষ্ট্রের নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা প্রয়োজন। সূত্র: রয়টার্স, বিবিসি

বিডি প্রতিদিন

Latif Travels
Metropolitan University

আপনার প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞাপনের জন্য যোগাযোগ করুন

📞 মোবাইল: +8801712540420

✉️ ইমেইল: pavel.syl@gmail.com