র্যাবের খাঁচায় দুই ভাই
নিজস্ব প্রতিবেদক
রফিকুল ইসলাম রফিক হত্যা মামলার আসামি দুই ভাইকে গ্রেপ্তার করেছে র্যাব- ৯।
বুধবার ( ১৮ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে বিষয়টি নিশ্চিত করেছে র্যাবের গণমাধ্যম শাখা।
গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন, নরসিংদী জেলার রায়পুর থানার গাজীপুর চরমধুয়া এলাকার মৃত নয়ন মিয়ার ছেলে রিমন (২২) ও রাকিব (২২)।
র্যাব জানায়, মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) আনুমানিক রাত ১১টার দিকে গোপন সংবাদের মাধ্যমে র্যাব-৯ এবং র্যাব- ১১ যৌথ অভিযান চালিয়ে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগর থানাধীন কৃষ্ণনগর এলাকা থেকে তাদের গ্রেপ্তার করে।
ঘটনার বিবরণে জানা যায় ভিকটিম , রফিকুল ইসলাম রফিক নরসিংদী জেলার রায়পুরা থানাধীন গাজীপুর এলাকার বাসিন্দা। তার ভাইয়ের মেয়েকে আসিফ মিয়ার সহায়তায় জোর পূর্বক অজ্ঞাত স্থানে নিয়ে যায় রাকিব মিয়া।
এ ব্যাপারে রফিক মেয়েটিকে ফেরত চাইলে তারা টালবাহানা করে এবং হুমকি দিতে থাকে। গত ৮ ফেব্রুয়ারি চরমধুয়া ইউনিয়নের গাজীপুর বাজার থেকে নিজ বাড়িতে ফেরার পথে গাজীপুর এলাকায় পৌঁছামাত্রই পূর্ব থেকে প্রস্থুত থাকা বিবাদীগণ আগ্নেয়াস্ত্র ও দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র রামদা, চাপাতি, চাইনিজ কুড়াল, বল্লম, লাঠি-সোটা দিয়ে হত্যার উদ্দেশ্যে ভিকটিমের উপর আক্রমণ করে শরীরের বিভিন্ন জায়গায় আঘাত করলে ভিকটিম প্রাণ রক্ষার্থে দৌড়ে পালানোর চেষ্টা করে।
এসময় ১নং বিবাদী তার হাতে থাকা পিস্তল দিয়ে রফিককে গুলি করে গুরুতর জখম করেন। পরবর্তীতে ভিকটিম মাটিতে লুটিয়ে পড়লে বিবাদীগণ তাকে মৃত ভেবে ঘটনাস্থল থেকে চলে যায়। তারপর ভিকটিমের পরিবারের লোকজন সংবাদ পেয়ে ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে ভিকটিমকে উদ্ধার করে নরসিংদী সদর হাসপাতালে নিয়ে গেলে কতর্ব্যরত চিকিৎসক পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
এ ঘটনায় ভিকটিমের স্ত্রী বাদী হয়ে নরসিংদী জেলার রায়পুরা থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। এরই প্রেক্ষিতে আসামিদের আইনের আওতায় আনতে র্যাব এই ঘটনার ছায়া তদন্ত শুরু করে এবং গোয়েন্দা তৎপরতা জোরদার করে।
গ্রেপ্তারকৃত দুই ভাইকে সংশ্লিষ্ট থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে বলে নিশ্চিত করেছেন র্যাবের গণমাধ্যম র্কমর্কমতা ও অতিরিক্ত পুলিশ সুপার কে এম শহিদুল ইসলাম সোহাগ।